আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের গাঁ ঘেঁষে সিভিল এভিয়েশনের আবাসিক এলাকা। ওই এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কয়েকটি গরুর খামার। এসব খামারের জন্য ঘাস কাটতে অনেকেই ঢুকছেন রানওয়েতে। সেই সঙ্গে ওই আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে কিছু ঝুপড়ি ঘর। এতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকা এ আবাসিক এলাকায় অন্তত ৬টি গরুর খামার দেখা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বন্দরের সিভিল এভিয়েশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে বস্তিও। এসব বস্তি অনেক সময় ভাড়া দেওয়া হয় বহিরাগতদের মধ্যেও। এ ছাড়া বস্তিতে অবৈধভাবে সরকারি বিদ্যুৎ, পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি সিভিল এভিয়েশনের বিদ্যুতের সরকারি লাইন পার্শ্ববর্তী পাড়ায়ও ভাড়া দেওয়া হয়।
গরুর খামার ব্যবসায় সিভিল এভিয়েশনের কিছু কর্মকর্তাও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে আবাসিক এলাকার ভেতরে একটি গরুর খামার দেখা যায়। সেখানে তিনটি গাভি,২টি বাছুরসহ মোট পাঁচটি গরু ছিল। খামারটির মালিক সিভিল এভিয়েশনের সম্পত্তি বিভাগের উচ্চমান সহকারী মো. হাবিব উল্যা বলে একটি সূত্র জানায়। তবে আজকের পত্রিকার পরিচয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খামারটি তাঁর নয় বলে দাবি করেন।
ওই এলাকায় সোহরাব হোসেন ও বদিউল আলম নামের দুজন বহিরাগতের মালিকানায় গরুর খামার রয়েছে বলে জানা যায়। এসব খামারের গরুর জন্য ঘাস কাটতে অনেকে রানওয়েতে ঢুকে পড়েন। এতে করে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের নিরাপত্তা হুমকিতে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে সরকারি আবাসিক ভবনগুলো খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়। কিছু ডরমেটরিতে পরিবার নিয়ে অল্প কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকেন। এখান থেকে সরকারি পানি-বিদ্যুতের লাইনে চোরাইপথে পার্শ্ববর্তী চরবস্তি এলাকায় সংযোগ দেওয়া হয়।
মাসিক হিসেবে বিদ্যুৎ সংযোগ ভাড়ার বিষয়টি সিভিল এভিয়েশনের বিদ্যুৎ বিভাগের মেকানিক দেবপ্রিয় সিংহ তদারকি করেন। একটি সূত্র জানায়, তিনি ঢাকার সিভিল এভিয়েশনের এক প্রভাবশালী কর্মকর্তার দাপট দেখিয়ে এই কাজে যুক্ত। অবশ্য জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন মেকানিক দেবপ্রিয় সিংহ।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মসজিদ গেট দিয়ে আমরা কম কড়াকড়ি আরোপ করি। ফলে এখান দিয়ে কিছু বহিরাগত আসা-যাওয়া করে।’
গরুর খামার স্থাপনের কথা স্বীকার করে সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কিছু স্টাফ কোরবানি উপলক্ষে কিছু গরু পালন করেন। আমরা অবৈধ ঝুপড়িগুলো ভেঙে দিয়েছি।’ তাঁর দাবি, রানওয়েতে যাঁরা ঘাস কাটতে যান, তাঁদের পাস আছে।
এই নিরাপত্তা কর্মকর্তা আরও বলেন, আবাসিক এলাকায়ও বহিরাগতদের প্রবেশ বেআইনি। রানওয়ের ১৩ নম্বর গেট কেউ অতিক্রম করতে পারবেন না।
তবে সরেজমিনে বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশনের আবাসিকে অবৈধ বসত ঝুপড়ি দেখা যায়। বহিরাগতদেরও নির্বিঘ্নে সেখানে চলাচল করতে দেখা যায়। বিশেষ করে আবাসিক এলাকার মসজিদ সংলগ্ন ৩ নম্বর গেট দিয়ে জনসাধারণকে অবাধে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম শাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশনের পরিচালক উইং কমান্ডার মো. ফরহাদ হোসেন খান আজকের পত্রিকার কাছে আবাসিক এলাকায় গরুর খামারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এ বিষয়ে বলেন, ‘এগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদ গেট দিয়ে চলাচলে একটু শৈথিল্য দেখানো হয়।’

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের গাঁ ঘেঁষে সিভিল এভিয়েশনের আবাসিক এলাকা। ওই এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কয়েকটি গরুর খামার। এসব খামারের জন্য ঘাস কাটতে অনেকেই ঢুকছেন রানওয়েতে। সেই সঙ্গে ওই আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে কিছু ঝুপড়ি ঘর। এতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকা এ আবাসিক এলাকায় অন্তত ৬টি গরুর খামার দেখা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বন্দরের সিভিল এভিয়েশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে বস্তিও। এসব বস্তি অনেক সময় ভাড়া দেওয়া হয় বহিরাগতদের মধ্যেও। এ ছাড়া বস্তিতে অবৈধভাবে সরকারি বিদ্যুৎ, পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি সিভিল এভিয়েশনের বিদ্যুতের সরকারি লাইন পার্শ্ববর্তী পাড়ায়ও ভাড়া দেওয়া হয়।
গরুর খামার ব্যবসায় সিভিল এভিয়েশনের কিছু কর্মকর্তাও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে আবাসিক এলাকার ভেতরে একটি গরুর খামার দেখা যায়। সেখানে তিনটি গাভি,২টি বাছুরসহ মোট পাঁচটি গরু ছিল। খামারটির মালিক সিভিল এভিয়েশনের সম্পত্তি বিভাগের উচ্চমান সহকারী মো. হাবিব উল্যা বলে একটি সূত্র জানায়। তবে আজকের পত্রিকার পরিচয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খামারটি তাঁর নয় বলে দাবি করেন।
ওই এলাকায় সোহরাব হোসেন ও বদিউল আলম নামের দুজন বহিরাগতের মালিকানায় গরুর খামার রয়েছে বলে জানা যায়। এসব খামারের গরুর জন্য ঘাস কাটতে অনেকে রানওয়েতে ঢুকে পড়েন। এতে করে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের নিরাপত্তা হুমকিতে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে সরকারি আবাসিক ভবনগুলো খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়। কিছু ডরমেটরিতে পরিবার নিয়ে অল্প কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকেন। এখান থেকে সরকারি পানি-বিদ্যুতের লাইনে চোরাইপথে পার্শ্ববর্তী চরবস্তি এলাকায় সংযোগ দেওয়া হয়।
মাসিক হিসেবে বিদ্যুৎ সংযোগ ভাড়ার বিষয়টি সিভিল এভিয়েশনের বিদ্যুৎ বিভাগের মেকানিক দেবপ্রিয় সিংহ তদারকি করেন। একটি সূত্র জানায়, তিনি ঢাকার সিভিল এভিয়েশনের এক প্রভাবশালী কর্মকর্তার দাপট দেখিয়ে এই কাজে যুক্ত। অবশ্য জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন মেকানিক দেবপ্রিয় সিংহ।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মসজিদ গেট দিয়ে আমরা কম কড়াকড়ি আরোপ করি। ফলে এখান দিয়ে কিছু বহিরাগত আসা-যাওয়া করে।’
গরুর খামার স্থাপনের কথা স্বীকার করে সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কিছু স্টাফ কোরবানি উপলক্ষে কিছু গরু পালন করেন। আমরা অবৈধ ঝুপড়িগুলো ভেঙে দিয়েছি।’ তাঁর দাবি, রানওয়েতে যাঁরা ঘাস কাটতে যান, তাঁদের পাস আছে।
এই নিরাপত্তা কর্মকর্তা আরও বলেন, আবাসিক এলাকায়ও বহিরাগতদের প্রবেশ বেআইনি। রানওয়ের ১৩ নম্বর গেট কেউ অতিক্রম করতে পারবেন না।
তবে সরেজমিনে বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশনের আবাসিকে অবৈধ বসত ঝুপড়ি দেখা যায়। বহিরাগতদেরও নির্বিঘ্নে সেখানে চলাচল করতে দেখা যায়। বিশেষ করে আবাসিক এলাকার মসজিদ সংলগ্ন ৩ নম্বর গেট দিয়ে জনসাধারণকে অবাধে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম শাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশনের পরিচালক উইং কমান্ডার মো. ফরহাদ হোসেন খান আজকের পত্রিকার কাছে আবাসিক এলাকায় গরুর খামারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এ বিষয়ে বলেন, ‘এগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদ গেট দিয়ে চলাচলে একটু শৈথিল্য দেখানো হয়।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫