
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় টিভি নাটকের শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক শিল্পী সমালোচনা করেছেন সংগঠনটির। সম্প্রতি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘আলো আসবেই’-এর কথোপকথন ফাঁস হওয়ার পর অনেক শিল্পী সংগঠনটির প্রতি আস্থা হারিয়েছেন। কারণ, সেই গ্রুপে যুক্ত ছিলেন অভিনয়শিল্পী সংঘের অনেক সদস্য। এরপরই সংগঠনটি সংস্কারের দাবি তুলেছেন অনেকে।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাজধানীর গ্রাউন্ড জিরোতে আলোচনায় বসেছিলেন অভিনয়শিল্পীরা। সেখানে শিল্পীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অশিল্পীসুলভ আচরণ করায় ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘকে। তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে বর্তমান কমিটিকে বিলুপ্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, গতকাল শনিবার বেলা ১১টার আগে থেকেই গ্রাউন্ড জিরোতে একত্র হতে থাকেন শিল্পীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইন্তেখাব দিনার, আজমেরী হক বাঁধন, নাদিয়া আহমেদ, শ্যামল মাওলা, নাজিয়া হক অর্ষা, এফ এস নাঈম, সুষমা সরকার, সোহেল মণ্ডল, মনোজ প্রামাণিক, খায়রুল বাসার, শরীফ সিরাজ, আব্দুল্লাহ আল সেন্টু প্রমুখ।
দীর্ঘ আলোচনার পর অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কারের জন্য বেশ কিছু প্রস্তাব করা হয়। শিল্পীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান অভিনেতা শরীফ সিরাজ। তাঁদের দাবি, অভিনয়শিল্পী সংঘের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন সাধারণ শিল্পীরা। কিন্তু সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠনের সদস্য ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলবেন না তাঁরা। শিল্পীদের সঙ্গে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ করায় দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিতে হবে বলে দাবি জানান অভিনয়শিল্পীরা।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনমুখর বাংলাদেশে অভিনয়শিল্পী সংঘের বর্তমান কমিটি, উপদেষ্টামণ্ডলী, কার্যকরী সদস্য এবং সাধারণ সদস্যদের মধ্যে যাঁরা একটি নির্দিষ্ট শাসন কাঠামোর পক্ষে নিজেদের অবস্থান নিয়ে এবং সব মানবিক প্রসঙ্গগুলোকে এড়িয়ে গিয়ে অমানবিক-অশিল্পীসুলভ আচরণ করেছেন, তাঁদের সবাইকে পুরো জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রথম দুই দাবি মেনে নিয়ে শিল্পীদের সঙ্গে না বসলে সংগঠনের বর্তমান কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে হবে এবং সবাইকে পদত্যাগ করতে হবে বলে জানানো হয়।
সংগঠনের অন্তর্বর্তী কমিটি নিয়েও একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে শিল্পীদের পক্ষ থেকে। জানানো হয়েছে, সংগঠনের নেতাদের পদত্যাগ পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন রিফর্মেশন কমিটি গঠন হবে। সেই কমিটির আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে সংস্কার প্রস্তাবনা অনুযায়ী এই সংগঠনটিকে কীভাবে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং পেশাদার অভিনয়শিল্পীদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলে ধরা যায়, তা বাস্তবায়ন করার ব্যবস্থা করবে। পরবর্তী সময়ের নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি এবং পরিবেশ তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সবশেষ সব অভিনয়শিল্পীর স্বার্থ, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করবে এমন একটি সংগঠন তৈরি করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় টিভি নাটকের শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক শিল্পী সমালোচনা করেছেন সংগঠনটির। সম্প্রতি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘আলো আসবেই’-এর কথোপকথন ফাঁস হওয়ার পর অনেক শিল্পী সংগঠনটির প্রতি আস্থা হারিয়েছেন। কারণ, সেই গ্রুপে যুক্ত ছিলেন অভিনয়শিল্পী সংঘের অনেক সদস্য। এরপরই সংগঠনটি সংস্কারের দাবি তুলেছেন অনেকে।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাজধানীর গ্রাউন্ড জিরোতে আলোচনায় বসেছিলেন অভিনয়শিল্পীরা। সেখানে শিল্পীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অশিল্পীসুলভ আচরণ করায় ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘকে। তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে বর্তমান কমিটিকে বিলুপ্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, গতকাল শনিবার বেলা ১১টার আগে থেকেই গ্রাউন্ড জিরোতে একত্র হতে থাকেন শিল্পীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইন্তেখাব দিনার, আজমেরী হক বাঁধন, নাদিয়া আহমেদ, শ্যামল মাওলা, নাজিয়া হক অর্ষা, এফ এস নাঈম, সুষমা সরকার, সোহেল মণ্ডল, মনোজ প্রামাণিক, খায়রুল বাসার, শরীফ সিরাজ, আব্দুল্লাহ আল সেন্টু প্রমুখ।
দীর্ঘ আলোচনার পর অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কারের জন্য বেশ কিছু প্রস্তাব করা হয়। শিল্পীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান অভিনেতা শরীফ সিরাজ। তাঁদের দাবি, অভিনয়শিল্পী সংঘের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন সাধারণ শিল্পীরা। কিন্তু সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠনের সদস্য ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলবেন না তাঁরা। শিল্পীদের সঙ্গে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ করায় দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিতে হবে বলে দাবি জানান অভিনয়শিল্পীরা।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনমুখর বাংলাদেশে অভিনয়শিল্পী সংঘের বর্তমান কমিটি, উপদেষ্টামণ্ডলী, কার্যকরী সদস্য এবং সাধারণ সদস্যদের মধ্যে যাঁরা একটি নির্দিষ্ট শাসন কাঠামোর পক্ষে নিজেদের অবস্থান নিয়ে এবং সব মানবিক প্রসঙ্গগুলোকে এড়িয়ে গিয়ে অমানবিক-অশিল্পীসুলভ আচরণ করেছেন, তাঁদের সবাইকে পুরো জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রথম দুই দাবি মেনে নিয়ে শিল্পীদের সঙ্গে না বসলে সংগঠনের বর্তমান কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে হবে এবং সবাইকে পদত্যাগ করতে হবে বলে জানানো হয়।
সংগঠনের অন্তর্বর্তী কমিটি নিয়েও একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে শিল্পীদের পক্ষ থেকে। জানানো হয়েছে, সংগঠনের নেতাদের পদত্যাগ পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন রিফর্মেশন কমিটি গঠন হবে। সেই কমিটির আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে সংস্কার প্রস্তাবনা অনুযায়ী এই সংগঠনটিকে কীভাবে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং পেশাদার অভিনয়শিল্পীদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলে ধরা যায়, তা বাস্তবায়ন করার ব্যবস্থা করবে। পরবর্তী সময়ের নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি এবং পরিবেশ তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সবশেষ সব অভিনয়শিল্পীর স্বার্থ, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করবে এমন একটি সংগঠন তৈরি করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫