সম্পাদকীয়

ধর্মবিরোধের জটিলতা নিয়ে অশ্বিনীকুমার দত্তের স্পষ্ট একটা চেতনা ছিল। মাত্র আঠারো বছর বয়সে এ কারণেই তিনি ১৮৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘সাধারণ ধর্মসভা’র। যে সভা থেকে একই সঙ্গে হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান ধর্মের সারাৎসার প্রচারিত হবে। একই আসরে বসে উপাসনা করবে হিন্দু-মুসলমান-খ্রিষ্টান। গানে ছিল আহ্বান, ‘এ ধূলি মস্তকে লয়ে ভাবেতে প্রমত্ত হয়ে/হিন্দু-মোসলেম কাজ করিব জাতিভেদ ভুলে’।
‘আয়রে মুসলমান ভাই, আজ জাতিভেদ নাই’ কিংবা ‘এখন তোরা আপন হলি’ এসব যে শুধু কথার কথা ছিল না, সেটা অশ্বিনীকুমারের জীবনাচরণ দেখেই বোঝা গিয়েছিল। অন্য অনেকের মতো শহরে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করেননি। তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে। মিশেছেন হিন্দু-মুসলমানের সঙ্গে একইভাবে।
রবীন্দ্রনাথই বলেছিলেন, ‘আমরা সভা-সমিতিতে “ভাই ভাই” বলে ডাক দিই, কিন্তু আমাদের বিচ্ছেদমূলক, বিদ্বেষমূলক আচরণের মধ্যে তার কোনো চিহ্ন থাকে না।’ সাধারণ মানুষের সঙ্গে নেতা বা বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের দূরত্বটা তাতে স্পষ্ট বোঝা যায়। অশ্বিনীকুমার কিন্তু সেই দূরত্ব বজায় রাখেননি। রাস্তায় বসে থাকা রক্তবমি করা এক গরিব মুসলমানকে পিঠে করে বয়ে এনেছেন শুশ্রূষার জন্য।
একবার এক মুসলমান চাষি অশ্বিনীকুমার দত্তের বাড়িতে একটা বেঞ্চিতে বসে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। একটা প্রশ্ন ছিল তাঁর মনে।কী সে প্রশ্ন? থাক, সে প্রশ্ন তাঁর মনেই থাকুক। আমরা দেখি, অশ্বিনীকুমার ফিরে আসার পর তাঁদের মধ্যে কী কথোপকথন হচ্ছে।অশ্বিনীকুমার দত্ত বাড়িতে ফিরে দেখলেন, একজন গরিব মুসলমান চাষি বসে আছেন তাঁর ঘরে। তিনি তাঁর পাশে গিয়ে কাঁধে হাত রেখে বসলেন।
চাষি বললেন, ‘একটা প্রশ্ন নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু তার জবাব পেয়ে গেছি। আপনারা বক্তৃতার সময় বলেন, সকলেই সমান, ভাই ভাই। আমার সন্দেহ ছিল, কথাটা সত্য কি না। কিন্তু আপনি যখন আমার পাশে, আমার কাঁধে হাত রেখে বসলেন, তখন আমার মনে আর কোনো সন্দেহ নেই। বাবু, আপনাকে সেলাম।’
সূত্র: শঙ্খ ঘোষ, ভিন্ন রুচির অধিকার, পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০

ধর্মবিরোধের জটিলতা নিয়ে অশ্বিনীকুমার দত্তের স্পষ্ট একটা চেতনা ছিল। মাত্র আঠারো বছর বয়সে এ কারণেই তিনি ১৮৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘সাধারণ ধর্মসভা’র। যে সভা থেকে একই সঙ্গে হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান ধর্মের সারাৎসার প্রচারিত হবে। একই আসরে বসে উপাসনা করবে হিন্দু-মুসলমান-খ্রিষ্টান। গানে ছিল আহ্বান, ‘এ ধূলি মস্তকে লয়ে ভাবেতে প্রমত্ত হয়ে/হিন্দু-মোসলেম কাজ করিব জাতিভেদ ভুলে’।
‘আয়রে মুসলমান ভাই, আজ জাতিভেদ নাই’ কিংবা ‘এখন তোরা আপন হলি’ এসব যে শুধু কথার কথা ছিল না, সেটা অশ্বিনীকুমারের জীবনাচরণ দেখেই বোঝা গিয়েছিল। অন্য অনেকের মতো শহরে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করেননি। তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে। মিশেছেন হিন্দু-মুসলমানের সঙ্গে একইভাবে।
রবীন্দ্রনাথই বলেছিলেন, ‘আমরা সভা-সমিতিতে “ভাই ভাই” বলে ডাক দিই, কিন্তু আমাদের বিচ্ছেদমূলক, বিদ্বেষমূলক আচরণের মধ্যে তার কোনো চিহ্ন থাকে না।’ সাধারণ মানুষের সঙ্গে নেতা বা বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের দূরত্বটা তাতে স্পষ্ট বোঝা যায়। অশ্বিনীকুমার কিন্তু সেই দূরত্ব বজায় রাখেননি। রাস্তায় বসে থাকা রক্তবমি করা এক গরিব মুসলমানকে পিঠে করে বয়ে এনেছেন শুশ্রূষার জন্য।
একবার এক মুসলমান চাষি অশ্বিনীকুমার দত্তের বাড়িতে একটা বেঞ্চিতে বসে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। একটা প্রশ্ন ছিল তাঁর মনে।কী সে প্রশ্ন? থাক, সে প্রশ্ন তাঁর মনেই থাকুক। আমরা দেখি, অশ্বিনীকুমার ফিরে আসার পর তাঁদের মধ্যে কী কথোপকথন হচ্ছে।অশ্বিনীকুমার দত্ত বাড়িতে ফিরে দেখলেন, একজন গরিব মুসলমান চাষি বসে আছেন তাঁর ঘরে। তিনি তাঁর পাশে গিয়ে কাঁধে হাত রেখে বসলেন।
চাষি বললেন, ‘একটা প্রশ্ন নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু তার জবাব পেয়ে গেছি। আপনারা বক্তৃতার সময় বলেন, সকলেই সমান, ভাই ভাই। আমার সন্দেহ ছিল, কথাটা সত্য কি না। কিন্তু আপনি যখন আমার পাশে, আমার কাঁধে হাত রেখে বসলেন, তখন আমার মনে আর কোনো সন্দেহ নেই। বাবু, আপনাকে সেলাম।’
সূত্র: শঙ্খ ঘোষ, ভিন্ন রুচির অধিকার, পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫