নুরুল আমীন রবীন, শরীয়তপুর

বর্ষার শুরুতেই নদীভাঙনের কবলে পড়ে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পদ্মাপারের বিস্তীর্ণ জনপদ। তীব্র স্রোতে ভাঙন অব্যাহত থাকায় বসতভিটা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে পদ্মাপারের মানুষ।
ভাঙনে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া, আহমদ মাঝিরকান্দি, মোল্লাকান্দি, ব্যাপারীকান্দি গ্রামের অধিকাংশ এলাকা। এ সময় বসতবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে এসব এলাকার অন্তত ৩০টি পরিবার। ভাঙনের আতঙ্কে বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে আরও অন্তত ৩৫টি পরিবার। নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে বড়কান্দি ইউনিয়নের রঞ্জন ছৈয়ালকান্দি, সরদারকান্দি, খলিফাকান্দি, মীরআলীকান্দি, পাথালিয়াকান্দি গ্রামের পদ্মার তীরবর্তী এলাকা। এসব এলাকার অন্তত অর্ধশত পরিবার নদীতে বসতবাড়ি হারিয়েছে। এখনো ভাঙন-আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে অনেকে।
সরেজমিনে জাজিরার নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পদ্মা নদীর ট্রলারঘাটে নোঙর করা আছে ১০-১২টি ইঞ্জিনচালিত নৌযান। এসব নৌযানে তোলা হচ্ছে ভাঙনের কবলে পড়াদের গরু-ছাগলসহ পরিবারের সবকিছু। সহায়-সম্বল যতটুকু রক্ষা করা গেছে, তা নিয়েই এসব নৌযানে অজানা গন্তব্যে যাত্রা করছে ভাঙনের শিকার অনেক পরিবার। অনেকে আবার নদীতীর থেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে আশপাশের ফাঁকা জামিতে সারিবদ্ধভাবে রেখে দিচ্ছে। অধিকাংশ ঘরবাড়ি ভাঙনের শিকার হওয়ায় দুর্গত এলাকায় শ্রমিকসংকট দেখা দিয়েছে। পাইনপাড়া গ্রামের ভেতর দিয়ে খানিকটা এগিয়ে আহমদ মাঝিরকান্দি গ্রাম পর্যন্ত চোখে পড়ে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধরাও ব্যস্ত নিজেদের শেষ সম্বলটুকু রক্ষার কাজে। গ্রামের ২০-২৫টি পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ভাঙনের শিকার অনেকে নিজেদের স্থাপনা সরিয়ে খোলা আকাশের নিচে মাচা পেতে আশ্রয় নিয়েছে।
নদীভাঙনে এ বছর কৃষিজমি, বসতবাড়ি—সব হারিয়ে নিঃস্ব ষাটোর্ধ্ব রওশনারা। নদীতীরের নিজের হারানো জমি খুঁজে ফিরছেন তিনি। জানতে চাইলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের হারানো জমি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই খানে আমার সব আছিলো। জায়গা জমি সব গিল্লা খাইছে পদ্মায়। অহন আমার আর কিছুই নাই। কোই যাইয়া থাকমু হেই জায়গাডাও কেউ দিতাছে না।’
ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেতে বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছেন ফাতেমা ও তাঁর পরিবার। তিনি অনেকটা ক্ষুব্ধ হয়েই প্রতিবেদককে বলেন, ‘আপনেগো কইয়া কী হইবো। বছরের পর বছর আহতাছেন, আর ছবি উডাইয়া নিতাছেন। আমাগো তো কিছুই লাভ হইতাছে না। এই বছর কোরবানির লেইগ্গা একটা গরু রাখছিলাম। হেইডাও খাওন না পাইয়া কয়দিন আগে মইরা গেছে। নিজেরাই খাওন পাই না, গরুরে খাওয়াইমু কেমনে? অহন বাড়িঘর লইয়া কই যাইমু পারলে হেই জায়গা দেহাই দেন। তাইলে আমাগো একটু অইলেও উপকার অইবো।’
শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শরীয়তপুরের অধিকাংশ এলাকা তীর রক্ষা বাঁধের আওতায় রয়েছে। তারপরও এ বছর কিছুটা আগাম পানি চলে এসেছে। এতে কিছু কিছু এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে। জাজিরায় পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।’

বর্ষার শুরুতেই নদীভাঙনের কবলে পড়ে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পদ্মাপারের বিস্তীর্ণ জনপদ। তীব্র স্রোতে ভাঙন অব্যাহত থাকায় বসতভিটা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে পদ্মাপারের মানুষ।
ভাঙনে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া, আহমদ মাঝিরকান্দি, মোল্লাকান্দি, ব্যাপারীকান্দি গ্রামের অধিকাংশ এলাকা। এ সময় বসতবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে এসব এলাকার অন্তত ৩০টি পরিবার। ভাঙনের আতঙ্কে বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে আরও অন্তত ৩৫টি পরিবার। নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে বড়কান্দি ইউনিয়নের রঞ্জন ছৈয়ালকান্দি, সরদারকান্দি, খলিফাকান্দি, মীরআলীকান্দি, পাথালিয়াকান্দি গ্রামের পদ্মার তীরবর্তী এলাকা। এসব এলাকার অন্তত অর্ধশত পরিবার নদীতে বসতবাড়ি হারিয়েছে। এখনো ভাঙন-আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে অনেকে।
সরেজমিনে জাজিরার নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পদ্মা নদীর ট্রলারঘাটে নোঙর করা আছে ১০-১২টি ইঞ্জিনচালিত নৌযান। এসব নৌযানে তোলা হচ্ছে ভাঙনের কবলে পড়াদের গরু-ছাগলসহ পরিবারের সবকিছু। সহায়-সম্বল যতটুকু রক্ষা করা গেছে, তা নিয়েই এসব নৌযানে অজানা গন্তব্যে যাত্রা করছে ভাঙনের শিকার অনেক পরিবার। অনেকে আবার নদীতীর থেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে আশপাশের ফাঁকা জামিতে সারিবদ্ধভাবে রেখে দিচ্ছে। অধিকাংশ ঘরবাড়ি ভাঙনের শিকার হওয়ায় দুর্গত এলাকায় শ্রমিকসংকট দেখা দিয়েছে। পাইনপাড়া গ্রামের ভেতর দিয়ে খানিকটা এগিয়ে আহমদ মাঝিরকান্দি গ্রাম পর্যন্ত চোখে পড়ে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধরাও ব্যস্ত নিজেদের শেষ সম্বলটুকু রক্ষার কাজে। গ্রামের ২০-২৫টি পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ভাঙনের শিকার অনেকে নিজেদের স্থাপনা সরিয়ে খোলা আকাশের নিচে মাচা পেতে আশ্রয় নিয়েছে।
নদীভাঙনে এ বছর কৃষিজমি, বসতবাড়ি—সব হারিয়ে নিঃস্ব ষাটোর্ধ্ব রওশনারা। নদীতীরের নিজের হারানো জমি খুঁজে ফিরছেন তিনি। জানতে চাইলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের হারানো জমি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই খানে আমার সব আছিলো। জায়গা জমি সব গিল্লা খাইছে পদ্মায়। অহন আমার আর কিছুই নাই। কোই যাইয়া থাকমু হেই জায়গাডাও কেউ দিতাছে না।’
ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেতে বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছেন ফাতেমা ও তাঁর পরিবার। তিনি অনেকটা ক্ষুব্ধ হয়েই প্রতিবেদককে বলেন, ‘আপনেগো কইয়া কী হইবো। বছরের পর বছর আহতাছেন, আর ছবি উডাইয়া নিতাছেন। আমাগো তো কিছুই লাভ হইতাছে না। এই বছর কোরবানির লেইগ্গা একটা গরু রাখছিলাম। হেইডাও খাওন না পাইয়া কয়দিন আগে মইরা গেছে। নিজেরাই খাওন পাই না, গরুরে খাওয়াইমু কেমনে? অহন বাড়িঘর লইয়া কই যাইমু পারলে হেই জায়গা দেহাই দেন। তাইলে আমাগো একটু অইলেও উপকার অইবো।’
শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শরীয়তপুরের অধিকাংশ এলাকা তীর রক্ষা বাঁধের আওতায় রয়েছে। তারপরও এ বছর কিছুটা আগাম পানি চলে এসেছে। এতে কিছু কিছু এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে। জাজিরায় পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫