
শতাব্দী ধরে চর্চিত হচ্ছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যকার সংঘাত। বিভিন্ন সময়ে এর বাঁক বদল হয়েছে। কিন্তু সংকটের সমাধান হয়নি। এখনো চলছে যুদ্ধ। ইউএস নিউজে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে ১২৮ বছরে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনার সংক্ষেপ তুলে ধরা হলো।
১৮৯৬: ইহুদি রাষ্ট্রের প্রস্তাব
‘ইহুদি রাষ্ট্র’ নামের একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন ‘রাজনৈতিক জায়নবাদের’ জনক থিওডর হার্জল। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, ইউরোপে ক্রমবর্ধমান ইহুদিবিদ্বেষ থেকে রক্ষার জন্য এই রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি। ইহুদি আবাসভূমি হিসেবে অটোমান সাম্রাজ্যের একটি অংশকে (ফিলিস্তিন) প্রস্তাব করেন হার্জল। অঞ্চলটিকে ইহুদিদের ঐতিহাসিক আবাসস্থল হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
১৯১৭: বেলফোর ঘোষণা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইহুদি জাতিগোষ্ঠীকে প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখান যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব আর্থার জেমস বেলফোর। এ লক্ষ্যে তিনি একটি ঘোষণা জারি করেন। এতে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
১৯২০: যুক্তরাজ্যের আদেশ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পর ইহুদি জাতির জন্য ফিলিস্তিনে আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার একটি আদেশ অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য। এর দুই বছর পর লিগ অব নেশনস এটির অনুমোদন দেয়।
১৯৪৭: জাতিসংঘের দুই-রাষ্ট্র গঠন পরিকল্পনা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নতুন প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল দুটি রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব পাস করে। এতে অঞ্চলটির প্রাচীন শহর ও ধর্মীয় কারণে গুরুত্বপূর্ণ জেরুজালেমকে ট্রাস্টিশিপের অধীনে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তবে ফিলিস্তিনি আরবরা এ চুক্তির বিরোধিতা করে।
১৯৪৮: ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। এর জেরে একসঙ্গে মিসর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব এবং সিরিয়া ইসরায়েলে আক্রমণ করে। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জয়লাভ করে ইসরায়েল।
১৯৪৭-১৯৪৯: আল-নাকবা
ফিলিস্তিনিদের ওপর মহাবিপর্যয় নেমে আসে। ১৯৪৭ সাল থেকে প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ৬ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আরবদের বাস্তুচ্যুত করে ইহুদি সামরিক বাহিনী।
১৯৬৭: ছয় দিনের যুদ্ধ
১৯৬৭ সালের জুন মাসে আবার যুদ্ধ বাধে অঞ্চলটিতে। এ সময় মিসর ও সিরিয়ার বিমানবাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা উপত্যকা দখল করে ইসরায়েল।
১৯৭৩: ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
নিজেদের ভূমি ফিরে পেতে ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় মিসর ও সিরিয়া। পরে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের গাজা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের সরকার গঠনের পক্ষে ১৯৭৮ সালে একটি চুক্তি করেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন। এটি ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি নামে পরিচিত।
১৯৮৭-১৯৯৫: প্রথম ইন্তিফাদা ও অসলো চুক্তি
ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ফিলিস্তিনিরা। গাজার একটি শরণার্থীশিবির থেকে এ প্রতিবাদ শুরু হয়ে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, তা ইসরায়েলকে বয়কট ও সহিংসতায় রূপ নেয়। এ বিদ্রোহ প্রথম ইন্তিফাদা নামে পরিচিত। পরে ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির মাধ্যমে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে জানায় ফরেন রিলেশনস কাউন্সিল। এ চুক্তির ফলে পশ্চিম তীর এবং গাজায় ফিলিস্তিনিদের নিজেদের শাসনের জন্য একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো তৈরি করে।
২০০০: দ্বিতীয় ইন্তিফাদা
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল শ্যারন ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আল-আকসা মসজিদ পরিদর্শনে যান। ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত স্থানটিতে তাঁর সফরের ফলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয় অঞ্চলটিতে, যা ২০০৩ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। এ সময়ে প্রায় ৪ হাজার ফিলিস্তিনি এবং ১ হাজার ইসরায়েলির মৃত্যু হয়।
২০০৬: ভোটে হামাসের জয় ও গিলাদ শালিত বন্দী
ফিলিস্তিনের সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে হামাস। হেরে যায় ফাতাহ। পরে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই হয়। এর এক বছর পর গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয় হামাস। অন্যদিকে, ২০০৬ সালের জুন মাসে ইসরায়েলি সৈনিক গিলাদ শালিতকে অপহরণ করে হামাস। শালিতকে মুক্তির বিনিময়ে ১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয় ইসরায়েল।
২০১৪: ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ
এ যুদ্ধে দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়। ওই বছরের আগস্টে মিসরের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ।
২০১৮: ট্রাম্পের পদক্ষেপ, ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ
২০১৭ সালে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ফিলিস্তিনিরা। ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।
২০২০: আব্রাহাম চুক্তি এবং ‘পিস টু প্রসপারিটি’
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং বাহরাইনসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একটি চুক্তি (আব্রাহাম চুক্তি) হয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়।
২০২১: আল-আকসা মসজিদে সহিংসতা
মে মাসের প্রথম দিকে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েক শ ফিলিস্তিনি আহত হয়। এরপর দুই সপ্তাহের সহিংসতার পর গাজায় ২৫০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়।
অক্টোবর, ২০২৩: ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতর রকেট হামলা চালায় হামাস। এর পরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। সেই যুদ্ধ এখনো চলছে। গাজা ও পশ্চিম তীর মিলিয়ে গতকাল পর্যন্ত মারা গেছে ২৫ হাজার ফিলিস্তিনি। আর ইসরায়েলি মারা গেছে ১ হাজারের বেশি।

শতাব্দী ধরে চর্চিত হচ্ছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যকার সংঘাত। বিভিন্ন সময়ে এর বাঁক বদল হয়েছে। কিন্তু সংকটের সমাধান হয়নি। এখনো চলছে যুদ্ধ। ইউএস নিউজে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে ১২৮ বছরে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনার সংক্ষেপ তুলে ধরা হলো।
১৮৯৬: ইহুদি রাষ্ট্রের প্রস্তাব
‘ইহুদি রাষ্ট্র’ নামের একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন ‘রাজনৈতিক জায়নবাদের’ জনক থিওডর হার্জল। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, ইউরোপে ক্রমবর্ধমান ইহুদিবিদ্বেষ থেকে রক্ষার জন্য এই রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি। ইহুদি আবাসভূমি হিসেবে অটোমান সাম্রাজ্যের একটি অংশকে (ফিলিস্তিন) প্রস্তাব করেন হার্জল। অঞ্চলটিকে ইহুদিদের ঐতিহাসিক আবাসস্থল হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
১৯১৭: বেলফোর ঘোষণা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইহুদি জাতিগোষ্ঠীকে প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখান যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব আর্থার জেমস বেলফোর। এ লক্ষ্যে তিনি একটি ঘোষণা জারি করেন। এতে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
১৯২০: যুক্তরাজ্যের আদেশ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পর ইহুদি জাতির জন্য ফিলিস্তিনে আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার একটি আদেশ অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য। এর দুই বছর পর লিগ অব নেশনস এটির অনুমোদন দেয়।
১৯৪৭: জাতিসংঘের দুই-রাষ্ট্র গঠন পরিকল্পনা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নতুন প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল দুটি রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব পাস করে। এতে অঞ্চলটির প্রাচীন শহর ও ধর্মীয় কারণে গুরুত্বপূর্ণ জেরুজালেমকে ট্রাস্টিশিপের অধীনে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তবে ফিলিস্তিনি আরবরা এ চুক্তির বিরোধিতা করে।
১৯৪৮: ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। এর জেরে একসঙ্গে মিসর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব এবং সিরিয়া ইসরায়েলে আক্রমণ করে। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জয়লাভ করে ইসরায়েল।
১৯৪৭-১৯৪৯: আল-নাকবা
ফিলিস্তিনিদের ওপর মহাবিপর্যয় নেমে আসে। ১৯৪৭ সাল থেকে প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ৬ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আরবদের বাস্তুচ্যুত করে ইহুদি সামরিক বাহিনী।
১৯৬৭: ছয় দিনের যুদ্ধ
১৯৬৭ সালের জুন মাসে আবার যুদ্ধ বাধে অঞ্চলটিতে। এ সময় মিসর ও সিরিয়ার বিমানবাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা উপত্যকা দখল করে ইসরায়েল।
১৯৭৩: ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
নিজেদের ভূমি ফিরে পেতে ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় মিসর ও সিরিয়া। পরে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের গাজা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের সরকার গঠনের পক্ষে ১৯৭৮ সালে একটি চুক্তি করেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন। এটি ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি নামে পরিচিত।
১৯৮৭-১৯৯৫: প্রথম ইন্তিফাদা ও অসলো চুক্তি
ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ফিলিস্তিনিরা। গাজার একটি শরণার্থীশিবির থেকে এ প্রতিবাদ শুরু হয়ে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, তা ইসরায়েলকে বয়কট ও সহিংসতায় রূপ নেয়। এ বিদ্রোহ প্রথম ইন্তিফাদা নামে পরিচিত। পরে ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির মাধ্যমে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে জানায় ফরেন রিলেশনস কাউন্সিল। এ চুক্তির ফলে পশ্চিম তীর এবং গাজায় ফিলিস্তিনিদের নিজেদের শাসনের জন্য একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো তৈরি করে।
২০০০: দ্বিতীয় ইন্তিফাদা
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল শ্যারন ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আল-আকসা মসজিদ পরিদর্শনে যান। ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত স্থানটিতে তাঁর সফরের ফলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয় অঞ্চলটিতে, যা ২০০৩ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। এ সময়ে প্রায় ৪ হাজার ফিলিস্তিনি এবং ১ হাজার ইসরায়েলির মৃত্যু হয়।
২০০৬: ভোটে হামাসের জয় ও গিলাদ শালিত বন্দী
ফিলিস্তিনের সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে হামাস। হেরে যায় ফাতাহ। পরে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই হয়। এর এক বছর পর গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয় হামাস। অন্যদিকে, ২০০৬ সালের জুন মাসে ইসরায়েলি সৈনিক গিলাদ শালিতকে অপহরণ করে হামাস। শালিতকে মুক্তির বিনিময়ে ১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয় ইসরায়েল।
২০১৪: ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ
এ যুদ্ধে দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়। ওই বছরের আগস্টে মিসরের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ।
২০১৮: ট্রাম্পের পদক্ষেপ, ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ
২০১৭ সালে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ফিলিস্তিনিরা। ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।
২০২০: আব্রাহাম চুক্তি এবং ‘পিস টু প্রসপারিটি’
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং বাহরাইনসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একটি চুক্তি (আব্রাহাম চুক্তি) হয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়।
২০২১: আল-আকসা মসজিদে সহিংসতা
মে মাসের প্রথম দিকে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েক শ ফিলিস্তিনি আহত হয়। এরপর দুই সপ্তাহের সহিংসতার পর গাজায় ২৫০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়।
অক্টোবর, ২০২৩: ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতর রকেট হামলা চালায় হামাস। এর পরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। সেই যুদ্ধ এখনো চলছে। গাজা ও পশ্চিম তীর মিলিয়ে গতকাল পর্যন্ত মারা গেছে ২৫ হাজার ফিলিস্তিনি। আর ইসরায়েলি মারা গেছে ১ হাজারের বেশি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫