রাজশাহী প্রতিনিধি

ব্যাংকের ভল্ট থেকে পৌনে চার কোটি টাকা সরিয়ে জুয়ার আসরে ঢেলেছিলেন এক কর্মকর্তা। বিষয়টি ধরা পড়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মামলা করে। পুলিশ অভিযুক্ত ক্যাশ ইনচার্জকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। এরপর মামলা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে দুবছর পার হলেও মামলার তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ করতে লাগবে আরও সময়।
বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ভল্ট থেকে ২০১৮-১৯ সালে বিপুল অঙ্কের ওই টাকা সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ভল্টের সব টাকা গোনার পর ওই টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক ক্যাশ ইনচার্জ শামসুল ইসলাম ওরফে ফয়সালের বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মামলা হয়। পরে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে তিনি টাকা সরানোর কথা স্বীকার করেন। এ নিয়ে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।
আদালতে শামসুল ইসলাম বলেছেন, ব্যাংকের ভল্টে সব সময় ১৫ কোটি টাকা থাকত। তিনি পেছনের সারি থেকে টাকা সরাতেন, যাতে সামনে থেকে বোঝা না যায়। ফয়সাল বলেছিলেন, ২০১৮ সালে তিনি অনলাইনে ক্রিকেট নিয়ে জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়েন। তখন থেকেই টাকা সরাতে থাকেন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন কোটি ৪৫ লাখ টাকা জুয়ায় ঢেলেছেন তিনি। জুয়ায় হেরে যাওয়ায় ভল্টে এনে রাখতে পারেননি।
গ্রেপ্তারের পর চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া ফয়সাল দুবছর ধরেই রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী। কয়েক দফা জামিনের আবেদন করা হলেও আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। এদিকে পরিবারও ফয়সালকে জেল থেকে বের করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফয়সালের বাবা এ কে এম নজরুল ইসলাম দুদকের সোর্স পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তিকে তিন লাখ টাকাও দিয়েছিলেন ছেলের মামলা দুর্বল করতে। ওই একই ব্যক্তিকে আবদুল গাফফার নামে আরেক ব্যক্তি দিয়েছিলেন পাঁচ লাখ টাকা। পরে নজরুল ও গাফফার প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
কয়েক দিন আগে র্যাব নজরুল ইসলাম ও আবদুল গাফফারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া ব্যক্তিকে আটক করে। পরে প্রতারণার শিকার গাফফার বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারেই ফয়সালের মামলার চার্জশিট ‘হালকা’ করতে ফয়সালের বাবা নজরুল ইসলাম তিন লাখ টাকা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, দুদক দ্রুত তদন্ত শেষ করতে না পারার কারণে তাঁরা উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ফয়সালকে বাঁচাতে পরিবারের পক্ষ থেকে টাকা ছড়ানোর কারণে তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত মামলাটির অভিযোগপত্র দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী শুক্রবার বিকেলে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমি মামলার তদন্তভার পেয়েছি। এ মামলার অনেকগুলো ফাইল, আস্তে ধীরে কাজ শুরু করেছি। সবকিছু মিলিয়ে আরও একটু সময় লাগবে। তবে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পারব বলে আশা করছি।’

ব্যাংকের ভল্ট থেকে পৌনে চার কোটি টাকা সরিয়ে জুয়ার আসরে ঢেলেছিলেন এক কর্মকর্তা। বিষয়টি ধরা পড়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মামলা করে। পুলিশ অভিযুক্ত ক্যাশ ইনচার্জকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। এরপর মামলা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে দুবছর পার হলেও মামলার তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ করতে লাগবে আরও সময়।
বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ভল্ট থেকে ২০১৮-১৯ সালে বিপুল অঙ্কের ওই টাকা সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ভল্টের সব টাকা গোনার পর ওই টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক ক্যাশ ইনচার্জ শামসুল ইসলাম ওরফে ফয়সালের বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মামলা হয়। পরে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে তিনি টাকা সরানোর কথা স্বীকার করেন। এ নিয়ে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।
আদালতে শামসুল ইসলাম বলেছেন, ব্যাংকের ভল্টে সব সময় ১৫ কোটি টাকা থাকত। তিনি পেছনের সারি থেকে টাকা সরাতেন, যাতে সামনে থেকে বোঝা না যায়। ফয়সাল বলেছিলেন, ২০১৮ সালে তিনি অনলাইনে ক্রিকেট নিয়ে জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়েন। তখন থেকেই টাকা সরাতে থাকেন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন কোটি ৪৫ লাখ টাকা জুয়ায় ঢেলেছেন তিনি। জুয়ায় হেরে যাওয়ায় ভল্টে এনে রাখতে পারেননি।
গ্রেপ্তারের পর চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া ফয়সাল দুবছর ধরেই রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী। কয়েক দফা জামিনের আবেদন করা হলেও আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। এদিকে পরিবারও ফয়সালকে জেল থেকে বের করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফয়সালের বাবা এ কে এম নজরুল ইসলাম দুদকের সোর্স পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তিকে তিন লাখ টাকাও দিয়েছিলেন ছেলের মামলা দুর্বল করতে। ওই একই ব্যক্তিকে আবদুল গাফফার নামে আরেক ব্যক্তি দিয়েছিলেন পাঁচ লাখ টাকা। পরে নজরুল ও গাফফার প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
কয়েক দিন আগে র্যাব নজরুল ইসলাম ও আবদুল গাফফারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া ব্যক্তিকে আটক করে। পরে প্রতারণার শিকার গাফফার বাদী হয়ে মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারেই ফয়সালের মামলার চার্জশিট ‘হালকা’ করতে ফয়সালের বাবা নজরুল ইসলাম তিন লাখ টাকা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, দুদক দ্রুত তদন্ত শেষ করতে না পারার কারণে তাঁরা উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ফয়সালকে বাঁচাতে পরিবারের পক্ষ থেকে টাকা ছড়ানোর কারণে তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত মামলাটির অভিযোগপত্র দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী শুক্রবার বিকেলে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমি মামলার তদন্তভার পেয়েছি। এ মামলার অনেকগুলো ফাইল, আস্তে ধীরে কাজ শুরু করেছি। সবকিছু মিলিয়ে আরও একটু সময় লাগবে। তবে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পারব বলে আশা করছি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫