শামসুর রাহমান

পরিণত বয়সেই শামসুর রাহমানের মা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল তিরাশি বছর। সে সময় শামসুর রাহমানের বয়স আটষট্টি। যে বয়সেই মা মারা যান না কেন, তা সন্তানের মন বেদনার্ত করে তোলে। মায়ের মৃত্যু সহজভাবে নিতে পারে না কেউ।
শামসুর রাহমান মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন অনেক কিছু। আর্থিক সম্পদ নয়, তিনি পেয়েছেন মানসিক সম্পদ। মাকেই তিনি মনে করতেন জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। শিক্ষক হতে হলে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে সব সময় মেনে নিতে হবে, এমন তো নয়। ক্লাস ফোর-ফাইভ পর্যন্ত পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু জীবনের পাঠই তাঁকে ঋদ্ধ করেছে। নিয়ম করে বই পড়তেন, খুঁটিয়ে পড়তেন সংবাদপত্র। খবরের কাগজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি লাইন পড়তেন। শামসুর রাহমানের আবার সংবাদপত্রের প্রতি অতটা আগ্রহ ছিল না। মা মাঝে মাঝে বলতেন, ‘ওই সংবাদটা পড়েছ নাকি?’
‘না।’
নিজে না পড়েও মায়ের আগ্রহে খুশি হতেন কবি।
বই পড়তেন খুব। কবি যখন একেবারে ছোট, তখনকার দুটো বইয়ের কথা মনে আছে তাঁর। পাঠ্যবইয়ের বাইরে ‘বিষাদ-সিন্ধু’ বইটি ছিল। সেটা থেকে কিছু না বুঝেই নানিকে পড়ে শুনিয়েছেন শামসুর রাহমান। ছোট ছিলেন বলে শামসুর রাহমান তাঁর অনেক কিছুই বুঝতে পারতেন না, নানিও বুঝতে পারতেন না। তাতে কী? মিলিত পড়াশোনা চলত। এটাকে অনেকটা ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দেওয়া হতো। মা তো পড়তেনই।
আরেকটি বই মা পড়তেন লুকিয়ে। বইটির নাম ছিল ‘আনোয়ারা’। সে বই ছোঁয়ারও অনুমতি ছিল না শামসুরের। একদিন মা বইটি পড়ে বালিশের নিচে রেখেছিলেন। শামসুর রাহমান লুকিয়ে প্রচ্ছদটা দেখে নিয়েছিলেন। সে বইটির লেখক কে, সেটা গল্প না উপন্যাস, সেটাও জানার সৌভাগ্য হয়নি সে বয়সে।
এ ছাড়া আরও অনেক বই পড়তেন মা।
এ বইটি লিখেছিলেন মোহাম্মদ নজিবুর রহমান। এটাই ছিল তাঁর প্রথম ও সবচেয়ে সার্থক উপন্যাস।
সূত্র: আবুবকর সিদ্দিক, শামসুর রাহমান স্মারকগ্রন্থ, পৃষ্ঠা ২৮৪-২৮৬

পরিণত বয়সেই শামসুর রাহমানের মা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল তিরাশি বছর। সে সময় শামসুর রাহমানের বয়স আটষট্টি। যে বয়সেই মা মারা যান না কেন, তা সন্তানের মন বেদনার্ত করে তোলে। মায়ের মৃত্যু সহজভাবে নিতে পারে না কেউ।
শামসুর রাহমান মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন অনেক কিছু। আর্থিক সম্পদ নয়, তিনি পেয়েছেন মানসিক সম্পদ। মাকেই তিনি মনে করতেন জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। শিক্ষক হতে হলে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে সব সময় মেনে নিতে হবে, এমন তো নয়। ক্লাস ফোর-ফাইভ পর্যন্ত পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু জীবনের পাঠই তাঁকে ঋদ্ধ করেছে। নিয়ম করে বই পড়তেন, খুঁটিয়ে পড়তেন সংবাদপত্র। খবরের কাগজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি লাইন পড়তেন। শামসুর রাহমানের আবার সংবাদপত্রের প্রতি অতটা আগ্রহ ছিল না। মা মাঝে মাঝে বলতেন, ‘ওই সংবাদটা পড়েছ নাকি?’
‘না।’
নিজে না পড়েও মায়ের আগ্রহে খুশি হতেন কবি।
বই পড়তেন খুব। কবি যখন একেবারে ছোট, তখনকার দুটো বইয়ের কথা মনে আছে তাঁর। পাঠ্যবইয়ের বাইরে ‘বিষাদ-সিন্ধু’ বইটি ছিল। সেটা থেকে কিছু না বুঝেই নানিকে পড়ে শুনিয়েছেন শামসুর রাহমান। ছোট ছিলেন বলে শামসুর রাহমান তাঁর অনেক কিছুই বুঝতে পারতেন না, নানিও বুঝতে পারতেন না। তাতে কী? মিলিত পড়াশোনা চলত। এটাকে অনেকটা ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দেওয়া হতো। মা তো পড়তেনই।
আরেকটি বই মা পড়তেন লুকিয়ে। বইটির নাম ছিল ‘আনোয়ারা’। সে বই ছোঁয়ারও অনুমতি ছিল না শামসুরের। একদিন মা বইটি পড়ে বালিশের নিচে রেখেছিলেন। শামসুর রাহমান লুকিয়ে প্রচ্ছদটা দেখে নিয়েছিলেন। সে বইটির লেখক কে, সেটা গল্প না উপন্যাস, সেটাও জানার সৌভাগ্য হয়নি সে বয়সে।
এ ছাড়া আরও অনেক বই পড়তেন মা।
এ বইটি লিখেছিলেন মোহাম্মদ নজিবুর রহমান। এটাই ছিল তাঁর প্রথম ও সবচেয়ে সার্থক উপন্যাস।
সূত্র: আবুবকর সিদ্দিক, শামসুর রাহমান স্মারকগ্রন্থ, পৃষ্ঠা ২৮৪-২৮৬

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫