সম্পাদকীয়

১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। একাত্তরের এই দিন ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। বিজয়ের ৫১ বছরে বাংলাদেশের অনেক সাফল্য আছে। অগ্রগতি আছে। বাংলাদেশ এখন পৃথিবীতে আর দুর্যোগ-দুর্বিপাকের দেশ হিসেবে পরিচিত নয়। বাংলাদেশ এখন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বমোড়লদের কাছে ছোটাছুটি করে না। সামাজিক ও মানব উন্নয়নের অনেক সূচকে বাংলাদেশ এখন অনেক সমৃদ্ধ দেশকেও টেক্কা দেওয়ার সক্ষমতা দেখাতে পারছে।
নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনসহ অনেকেই বাংলাদেশের অগ্রগতির, সাফল্যের মুক্তকণ্ঠে প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ এখন আর না খেতে পারার মানুষের দেশ নয়। দুর্বল অর্থনীতির দেশও নয়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের সামর্থ্য বাংলাদেশ অর্জন করেছে। মানুষের গড় আয় বেড়েছে।
আয়ু বেড়েছে। শিক্ষিতের হার বেড়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছে। এসব অর্জন যাঁরা দেখতে চান না, তাঁরা একদেশদর্শী। তাঁদের সঙ্গে বিতর্ক করা অর্থহীন।
তবে এটাও ঠিক, আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে। আরও অনেক সমস্যারই সমাধান করতে হবে। আমাদের দেশে এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা মানুষ আছে।
এখনো অনেক মানুষ আছে, যারা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, বিশেষায়িত শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। শিক্ষার মান নিয়ে আছে প্রশ্ন ও সমালোচনা।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সুশাসনের ক্ষেত্রে। আমরা কেন যেন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, গোষ্ঠী ও দলপ্রীতির বাইরে যেতে পারি না। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো, যারা ক্ষমতার রাজনীতি করে, তারা ক্ষমতার বাইরে থাকতে যেসব কথা বলে, ক্ষমতায় গিয়ে তার উল্টোটা চর্চা করে। এটা বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বেলায় যেমন সত্য, তেমনি অতীতে ক্ষমতায় থাকা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বেলায়ও সত্য। এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে।
আমরা বিজয় দিবস বা বিজয়ের মাস পালনের মুহূর্তে স্বাধীনতার মূল চেতনায় উজ্জীবিত হতে চাই। একটি ধর্মনিরপেক্ষ, ন্যায়ানুগ, সাম্যময় মুক্ত দেশ চাই। একাত্তরে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম যে লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে, তা কি আজ আমাদের হাতছাড়া হয়ে যায়নি? নির্বাচনে গণরায় অস্বীকার করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দেশটির মৃত্যু অনিবার্য করেছিল। আজ এত বছর পরেও বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনব্যবস্থা গড়ে উঠল না।

১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। একাত্তরের এই দিন ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। বিজয়ের ৫১ বছরে বাংলাদেশের অনেক সাফল্য আছে। অগ্রগতি আছে। বাংলাদেশ এখন পৃথিবীতে আর দুর্যোগ-দুর্বিপাকের দেশ হিসেবে পরিচিত নয়। বাংলাদেশ এখন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বমোড়লদের কাছে ছোটাছুটি করে না। সামাজিক ও মানব উন্নয়নের অনেক সূচকে বাংলাদেশ এখন অনেক সমৃদ্ধ দেশকেও টেক্কা দেওয়ার সক্ষমতা দেখাতে পারছে।
নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনসহ অনেকেই বাংলাদেশের অগ্রগতির, সাফল্যের মুক্তকণ্ঠে প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ এখন আর না খেতে পারার মানুষের দেশ নয়। দুর্বল অর্থনীতির দেশও নয়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের সামর্থ্য বাংলাদেশ অর্জন করেছে। মানুষের গড় আয় বেড়েছে।
আয়ু বেড়েছে। শিক্ষিতের হার বেড়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছে। এসব অর্জন যাঁরা দেখতে চান না, তাঁরা একদেশদর্শী। তাঁদের সঙ্গে বিতর্ক করা অর্থহীন।
তবে এটাও ঠিক, আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে। আরও অনেক সমস্যারই সমাধান করতে হবে। আমাদের দেশে এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা মানুষ আছে।
এখনো অনেক মানুষ আছে, যারা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, বিশেষায়িত শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। শিক্ষার মান নিয়ে আছে প্রশ্ন ও সমালোচনা।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সুশাসনের ক্ষেত্রে। আমরা কেন যেন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, গোষ্ঠী ও দলপ্রীতির বাইরে যেতে পারি না। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো, যারা ক্ষমতার রাজনীতি করে, তারা ক্ষমতার বাইরে থাকতে যেসব কথা বলে, ক্ষমতায় গিয়ে তার উল্টোটা চর্চা করে। এটা বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বেলায় যেমন সত্য, তেমনি অতীতে ক্ষমতায় থাকা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বেলায়ও সত্য। এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে।
আমরা বিজয় দিবস বা বিজয়ের মাস পালনের মুহূর্তে স্বাধীনতার মূল চেতনায় উজ্জীবিত হতে চাই। একটি ধর্মনিরপেক্ষ, ন্যায়ানুগ, সাম্যময় মুক্ত দেশ চাই। একাত্তরে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম যে লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে, তা কি আজ আমাদের হাতছাড়া হয়ে যায়নি? নির্বাচনে গণরায় অস্বীকার করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দেশটির মৃত্যু অনিবার্য করেছিল। আজ এত বছর পরেও বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনব্যবস্থা গড়ে উঠল না।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫