তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের গ্রামগঞ্জ, বাজার, ফাঁকা জায়গা, অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়েছে মোবাইল ফোনের ফ্রি-ফায়ার ও পাবজি গেম। এতে কিশোর-তরুণ শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনার টেবিল থেকে ছিটকে পড়ছে।
অভিভাবক জানান, করোনার লকডাউনের সময় কিশোর-তরুণেরা মাঠে খেলাধুলাও করতে পারেনি। এমন ঘরবন্দীজীবন এর আগে তারা কখনোই দেখেনি। বলা যায়, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল; আর সে কারণেই তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও গেমসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে।
তাড়াইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ফ্রি-ফায়ার গেমের ভয়ংকর দিক সম্পর্কে আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্তমানে এই ফ্রি-ফায়ার নামক গেমে সবচেয়ে বেশি আসক্ত হচ্ছে স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। অনেকেই এই খেলার পেছনে অর্থ ব্যয় করছে। অভিভাবকসহ সমাজের সবাই মিলে এ বিষয়ে তদারকি না করলে ভবিষ্যতে ফ্রি-ফায়ার নামক গেম মাদকের চেয়ে বেশি ভয়ংকর হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
জানা গেছে, ইন্টারনেট ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের ফ্রি-ফায়ার ও পাবজি গেম খেলতে হয়। এ ছাড়া এই খেলার খেলোয়াড়রা যেভাবে কথা বলে তা দেখলে মনে হবে পাগল। সারাদিনের বকাবকিতে তাদের ঘুমেরও প্রভাব ফেলে।
একাধিক শিক্ষার্থী বলে, আগে গেমস সম্পর্কে কিছু জানত না তারা। এখন নিয়মিত ফ্রি-ফায়ার গেমস খেলার নেশা হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে নেট সমস্যায় এই গেমস খেলতে না পারলে মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলতে ইচ্ছে হয়। ফ্রি-ফায়ার গেমস যে একবার খেলবে, সে আর তা ছাড়তে পারবে না।
শিক্ষার্থী আরও বলে, ফ্রি-ফায়ার গেম খেলতে ডায়মন্ড কিনতে হয়। ১০০ ডায়মন্ডের দাম ৮০ টাকা। ১০৬০ ডায়মন্ডের দাম ৭৯০ টাকা। মেম্বারশিপ সপ্তাহে ১৭০ টাকা, মাসিক ৫১০ টাকা। এ ছাড়া প্রতিটি ইভেন্টে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ না করলে কিছুই হয় না।
তারা আরও বলে, গেমটিতে প্রথমে কোনো খরচ ছিল না; কিন্তু পুরোপুরি মনোযোগী হলে এমন কিছু জিনিস আছে, যা না কিনলেই নয়। যেমন অলকের দাম ৪০০, একজন খেলোয়াড়ের জার্সি ৩০০, নতুন ইভেন্ট এলেই ২০০০-এর নিচে যাওয়া যায় না। সম্পূর্ণ ড্রেস কিনতে লাগে ১২০০ টাকা আর রেগুলার ইভেন্টের কথা তো বলাই বাহুল্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলে, ছেলেমেয়েরা অনলাইন ক্লাসের নাম করে নতুন মোবাইল কিনেছে; কিন্তু ক্লাসে তাদের বিন্দুমাত্র মনোযোগ নেই। এভাবে চলতে দেওয়াটা ভালো ফল বয়ে আনবে না। দেশ, সমাজ ও জাতি অতি দ্রুত ধ্বংসের কবলে পড়তে যাচ্ছে। ব্লু-হোয়েলের মতো ভয়ংকর রূপ নেওয়ার আগেই এই খেলা
বন্ধ করা দরকার। সরকারের উচিত এ ব্যাপারটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের গ্রামগঞ্জ, বাজার, ফাঁকা জায়গা, অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়েছে মোবাইল ফোনের ফ্রি-ফায়ার ও পাবজি গেম। এতে কিশোর-তরুণ শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনার টেবিল থেকে ছিটকে পড়ছে।
অভিভাবক জানান, করোনার লকডাউনের সময় কিশোর-তরুণেরা মাঠে খেলাধুলাও করতে পারেনি। এমন ঘরবন্দীজীবন এর আগে তারা কখনোই দেখেনি। বলা যায়, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল; আর সে কারণেই তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও গেমসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে।
তাড়াইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ফ্রি-ফায়ার গেমের ভয়ংকর দিক সম্পর্কে আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্তমানে এই ফ্রি-ফায়ার নামক গেমে সবচেয়ে বেশি আসক্ত হচ্ছে স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। অনেকেই এই খেলার পেছনে অর্থ ব্যয় করছে। অভিভাবকসহ সমাজের সবাই মিলে এ বিষয়ে তদারকি না করলে ভবিষ্যতে ফ্রি-ফায়ার নামক গেম মাদকের চেয়ে বেশি ভয়ংকর হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
জানা গেছে, ইন্টারনেট ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের ফ্রি-ফায়ার ও পাবজি গেম খেলতে হয়। এ ছাড়া এই খেলার খেলোয়াড়রা যেভাবে কথা বলে তা দেখলে মনে হবে পাগল। সারাদিনের বকাবকিতে তাদের ঘুমেরও প্রভাব ফেলে।
একাধিক শিক্ষার্থী বলে, আগে গেমস সম্পর্কে কিছু জানত না তারা। এখন নিয়মিত ফ্রি-ফায়ার গেমস খেলার নেশা হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে নেট সমস্যায় এই গেমস খেলতে না পারলে মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলতে ইচ্ছে হয়। ফ্রি-ফায়ার গেমস যে একবার খেলবে, সে আর তা ছাড়তে পারবে না।
শিক্ষার্থী আরও বলে, ফ্রি-ফায়ার গেম খেলতে ডায়মন্ড কিনতে হয়। ১০০ ডায়মন্ডের দাম ৮০ টাকা। ১০৬০ ডায়মন্ডের দাম ৭৯০ টাকা। মেম্বারশিপ সপ্তাহে ১৭০ টাকা, মাসিক ৫১০ টাকা। এ ছাড়া প্রতিটি ইভেন্টে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ না করলে কিছুই হয় না।
তারা আরও বলে, গেমটিতে প্রথমে কোনো খরচ ছিল না; কিন্তু পুরোপুরি মনোযোগী হলে এমন কিছু জিনিস আছে, যা না কিনলেই নয়। যেমন অলকের দাম ৪০০, একজন খেলোয়াড়ের জার্সি ৩০০, নতুন ইভেন্ট এলেই ২০০০-এর নিচে যাওয়া যায় না। সম্পূর্ণ ড্রেস কিনতে লাগে ১২০০ টাকা আর রেগুলার ইভেন্টের কথা তো বলাই বাহুল্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলে, ছেলেমেয়েরা অনলাইন ক্লাসের নাম করে নতুন মোবাইল কিনেছে; কিন্তু ক্লাসে তাদের বিন্দুমাত্র মনোযোগ নেই। এভাবে চলতে দেওয়াটা ভালো ফল বয়ে আনবে না। দেশ, সমাজ ও জাতি অতি দ্রুত ধ্বংসের কবলে পড়তে যাচ্ছে। ব্লু-হোয়েলের মতো ভয়ংকর রূপ নেওয়ার আগেই এই খেলা
বন্ধ করা দরকার। সরকারের উচিত এ ব্যাপারটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫