নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সর্বোচ্চ আদালতসহ দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতে নকল কোর্ট ফি সরবরাহ এবং তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ১৯ মে থেকে গত বুধবার পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এবং মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির ঢাকা মহানগরের অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চক্রের হোতা আনোয়ার হোসেন, আই কে দেলোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন ওরফে পাখির আলী, মনির হোসেন ওরফে মনির মোল্লা, পান্না মিয়া ওরফে পান্না কায়সার, আনোয়ার হোসেন, আহম্মেদ হোসেন ভূঁইয়া, মিজানুর রহমান, আলিম ও আব্দুল মোতালেব সাকিব।
অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন জানান, নকল কোর্ট ফি বিক্রির এই চক্রের খবর পেয়ে তাদের ধরতে কাজ শুরু করে সিআইডি। গত ১৯ মে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা থেকে নকল কোর্ট ফি বিক্রয়কারী আই কে দেলোয়ার হোসেন এবং তাঁর দোকান কর্মচারী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের থেকে বিভিন্ন মূল্যের ১৩ হাজারেরও বেশি জাল কোর্ট ফি জব্দ করা হয়। দেলোয়ারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নকল কোর্ট ফি সরবরাহকারী মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯ মে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে নিয়ে আরও তথ্য জানা যায়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালয়ে মনির মোল্লা ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পান্না মিয়া ও আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
পরবর্তী সময়ে দিনা অফসেট প্রিন্টিং প্রেসে অভিযান চালিয়ে প্রেসের মালিক আহম্মেদ হোসেন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগী মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রেসের মূল মেকানিক আলিম ও তাঁর সহযোগী আব্দুল মোতালেব সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরাও আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া জব্দ করা হয় দিনা প্রেসের মেশিনারিজ।
সিআইডির তরফে আরও জানানো হয়, হাইকোর্টসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারপ্রার্থীদের আবেদনপত্রে নির্দিষ্ট অঙ্কের কোর্ট ফি (স্ট্যাম্পের মতো একটি জিনিস) সংযুক্ত করা হয়, যা রাজস্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিচারপ্রার্থীদের কাছে সুকৌশলে জাল কোর্ট ফি সরবরাহ করার কারণে বাংলাদেশ সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হয়।

সর্বোচ্চ আদালতসহ দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতে নকল কোর্ট ফি সরবরাহ এবং তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ১৯ মে থেকে গত বুধবার পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এবং মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির ঢাকা মহানগরের অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চক্রের হোতা আনোয়ার হোসেন, আই কে দেলোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন ওরফে পাখির আলী, মনির হোসেন ওরফে মনির মোল্লা, পান্না মিয়া ওরফে পান্না কায়সার, আনোয়ার হোসেন, আহম্মেদ হোসেন ভূঁইয়া, মিজানুর রহমান, আলিম ও আব্দুল মোতালেব সাকিব।
অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন জানান, নকল কোর্ট ফি বিক্রির এই চক্রের খবর পেয়ে তাদের ধরতে কাজ শুরু করে সিআইডি। গত ১৯ মে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা থেকে নকল কোর্ট ফি বিক্রয়কারী আই কে দেলোয়ার হোসেন এবং তাঁর দোকান কর্মচারী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের থেকে বিভিন্ন মূল্যের ১৩ হাজারেরও বেশি জাল কোর্ট ফি জব্দ করা হয়। দেলোয়ারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নকল কোর্ট ফি সরবরাহকারী মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯ মে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে নিয়ে আরও তথ্য জানা যায়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালয়ে মনির মোল্লা ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পান্না মিয়া ও আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
পরবর্তী সময়ে দিনা অফসেট প্রিন্টিং প্রেসে অভিযান চালিয়ে প্রেসের মালিক আহম্মেদ হোসেন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগী মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রেসের মূল মেকানিক আলিম ও তাঁর সহযোগী আব্দুল মোতালেব সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরাও আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া জব্দ করা হয় দিনা প্রেসের মেশিনারিজ।
সিআইডির তরফে আরও জানানো হয়, হাইকোর্টসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারপ্রার্থীদের আবেদনপত্রে নির্দিষ্ট অঙ্কের কোর্ট ফি (স্ট্যাম্পের মতো একটি জিনিস) সংযুক্ত করা হয়, যা রাজস্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিচারপ্রার্থীদের কাছে সুকৌশলে জাল কোর্ট ফি সরবরাহ করার কারণে বাংলাদেশ সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হয়।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫