সম্পাদকীয়

আজকের পত্রিকায় শনিবার ‘কাজ শেষেও মজুরি নেই, দুর্ভোগে শ্রমিকেরা’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, জামালপুরের ইসলামপুরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ৪০ দিনের কাজ শেষ হয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ হতে চলল।
কিন্তু সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা এখনো মজুরির দেখা পাননি। একই অবস্থা হয়েছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে। শ্রমিকেরা বলছেন, শীতের কারণে তাঁরা কাজে যেতে পারছেন না। তার ওপর ওই টাকা না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে আছেন।
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ৮ জানুয়ারি। এতে ২ হাজার ৮১৪ জন নিবন্ধিত শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পান। মজুরি হিসেবে সাধারণ শ্রমিকদের দৈনিক ৪০০ এবং সরদারদের ৪৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে পাওয়ার কথা।
এদিকে ফুলবাড়ীর পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক ৪০ দিন ধরে মাটি কাটার কাজ করেছেন। গত বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে কাজ শুরু হয়ে নভেম্বরের শেষ দিকে শেষ হয়, কিন্তু এখনো মজুরির হদিস নেই।
কাজ শেষ হওয়ার পরেও মজুরির টাকা কেন পরিশোধ করা হয়নি বা হচ্ছে না, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। যাঁরা এই প্রকল্পে কাজ করেছেন, তাঁরা সবাই হতদরিদ্র মানুষ। নিজের এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য দুমুঠো খাবার সংগ্রহের জন্য কাজ করার পর যদি মজুরি না পাওয়া যায়, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক ঘটনা আর কী হতে পারে!
সরকার হতদরিদ্র মানুষদের সহায়তার জন্য যেসব প্রকল্প নিয়ে থাকে, সেই সব প্রকল্প যদি অনিয়মমুক্ত না হয়, তাহলে তো মানুষের কষ্ট লাঘব না হয়ে বরং বাড়ে। এতে সরকার প্রশংসিত হওয়ার পরিবর্তে নিন্দিত হয়। এই যে ইসলামপুর ও ফুলবাড়ীর কয়েক শ মানুষ মজুরি না পেয়ে এই দুর্মূল্যের বাজারে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, তাঁরা কি সরকারকে বাহবা দিচ্ছেন? নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দিন এনে দিন খাওয়া মানুষেরা এমনিতেই কষ্টে আছেন। অনেকে খাদ্যতালিকা কাটছাঁট করছেন। এ অবস্থায় কাজ করে ঠিক সময় মজুরি না পাওয়া দুঃখটাই প্রবল করে তোলে।
দেশে অনেক মানুষ আছেন, যাঁদের প্রতিদিনের কাজের সংস্থান নেই। প্রতিটি দিন তাঁদের জন্য অনিশ্চিত। তাঁদের ন্যূনতম মজুরির ঠিক নেই, ঠিক নেই কর্মঘণ্টা। আমাদের শ্রমশক্তির যে বিশাল একটি অংশ ইনফরমাল সেক্টরে কাজ করেন, তাঁরা জাতীয় মজুরি নীতির আওতায় নেই, এসব তাঁদের হয়তো জানাও নেই। এ কারণে আমাদের দেশে শ্রম শোষণের ঘটনা অবিরাম ঘটে চলেছে।
লক্ষ্য যদি হয় ‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো’, তাহলে সরকারের দৃষ্টিও প্রসারিত করতে হবে বহু দিকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও মানুষের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে, অবহেলা-উদাসীনতা পরিহার করতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মজুরি পরিশোধ করা হোক।

আজকের পত্রিকায় শনিবার ‘কাজ শেষেও মজুরি নেই, দুর্ভোগে শ্রমিকেরা’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, জামালপুরের ইসলামপুরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ৪০ দিনের কাজ শেষ হয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ হতে চলল।
কিন্তু সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা এখনো মজুরির দেখা পাননি। একই অবস্থা হয়েছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে। শ্রমিকেরা বলছেন, শীতের কারণে তাঁরা কাজে যেতে পারছেন না। তার ওপর ওই টাকা না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে আছেন।
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ৮ জানুয়ারি। এতে ২ হাজার ৮১৪ জন নিবন্ধিত শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পান। মজুরি হিসেবে সাধারণ শ্রমিকদের দৈনিক ৪০০ এবং সরদারদের ৪৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে পাওয়ার কথা।
এদিকে ফুলবাড়ীর পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক ৪০ দিন ধরে মাটি কাটার কাজ করেছেন। গত বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে কাজ শুরু হয়ে নভেম্বরের শেষ দিকে শেষ হয়, কিন্তু এখনো মজুরির হদিস নেই।
কাজ শেষ হওয়ার পরেও মজুরির টাকা কেন পরিশোধ করা হয়নি বা হচ্ছে না, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। যাঁরা এই প্রকল্পে কাজ করেছেন, তাঁরা সবাই হতদরিদ্র মানুষ। নিজের এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য দুমুঠো খাবার সংগ্রহের জন্য কাজ করার পর যদি মজুরি না পাওয়া যায়, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক ঘটনা আর কী হতে পারে!
সরকার হতদরিদ্র মানুষদের সহায়তার জন্য যেসব প্রকল্প নিয়ে থাকে, সেই সব প্রকল্প যদি অনিয়মমুক্ত না হয়, তাহলে তো মানুষের কষ্ট লাঘব না হয়ে বরং বাড়ে। এতে সরকার প্রশংসিত হওয়ার পরিবর্তে নিন্দিত হয়। এই যে ইসলামপুর ও ফুলবাড়ীর কয়েক শ মানুষ মজুরি না পেয়ে এই দুর্মূল্যের বাজারে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, তাঁরা কি সরকারকে বাহবা দিচ্ছেন? নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দিন এনে দিন খাওয়া মানুষেরা এমনিতেই কষ্টে আছেন। অনেকে খাদ্যতালিকা কাটছাঁট করছেন। এ অবস্থায় কাজ করে ঠিক সময় মজুরি না পাওয়া দুঃখটাই প্রবল করে তোলে।
দেশে অনেক মানুষ আছেন, যাঁদের প্রতিদিনের কাজের সংস্থান নেই। প্রতিটি দিন তাঁদের জন্য অনিশ্চিত। তাঁদের ন্যূনতম মজুরির ঠিক নেই, ঠিক নেই কর্মঘণ্টা। আমাদের শ্রমশক্তির যে বিশাল একটি অংশ ইনফরমাল সেক্টরে কাজ করেন, তাঁরা জাতীয় মজুরি নীতির আওতায় নেই, এসব তাঁদের হয়তো জানাও নেই। এ কারণে আমাদের দেশে শ্রম শোষণের ঘটনা অবিরাম ঘটে চলেছে।
লক্ষ্য যদি হয় ‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো’, তাহলে সরকারের দৃষ্টিও প্রসারিত করতে হবে বহু দিকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও মানুষের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে, অবহেলা-উদাসীনতা পরিহার করতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মজুরি পরিশোধ করা হোক।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫