মো. শাহজাহান কবীর

দুনিয়ার জীবনে কে সফল, কে ব্যর্থ? সফলতা ও ব্যর্থতার মানদণ্ড কী? মহান আল্লাহই অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর হুকুমেই সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে গোটা সৃষ্টিজগৎ। সুতরাং তিনি যাদের সফল বলবেন, বাস্তবে তারা সফলই। আর তিনি যাদের ব্যর্থ বলবেন, তারা মূলত ব্যর্থই।
আল্লাহ তাআলাই আমাদের জীবন দিয়েছেন। সঙ্গে দিয়েছেন জীবন বিধানও। তাই তাঁর দৃষ্টিতে কে সফল, কে ব্যর্থ তা আমাদের জানতে হবে। পবিত্র কোরআনে তিনি এরশাদ করেন, ‘সে-ই সফলকাম হবে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করবে; এবং সে-ই ব্যর্থ হবে, যে নিজেকে কলুষিত করবে।’ (সুরা শামস: ৯-১০)
অর্থাৎ, যে নিজের কুপ্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে এবং কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনা করতে পারবে, সে-ই সফল হবে। পক্ষান্তরে যে নিজের কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করবে, আল্লাহর বিধি-বিধানের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না, ইচ্ছেমতো জীবন পরিচালনা করবে, সে ব্যর্থ ও বিফল হবে। প্রথম ব্যক্তির ঠিকানা হবে জান্নাত। আর দ্বিতীয় ব্যক্তির স্থান হবে জাহান্নামে।
অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে সীমা লঙ্ঘন করে এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়, জাহান্নামই হবে তার আবাস। পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখে, জান্নাতই হবে তার ঠিকানা।’ (সুরা নাযিয়াত ৩৭-৪১)
এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজ থেকে বিরত থাকে, সে তার ইজ্জত ও দ্বীন রক্ষা করে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত হয়, সে পরিশেষে হারাম কাজে লিপ্ত হয়।’ যে কাজে জায়েজ ও নাজায়েজ উভয় দিকের সম্ভাবনা থাকে, সেটিকেই সন্দেহজনক কাজ বলা হয়।
লেখক: বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

দুনিয়ার জীবনে কে সফল, কে ব্যর্থ? সফলতা ও ব্যর্থতার মানদণ্ড কী? মহান আল্লাহই অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর হুকুমেই সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে গোটা সৃষ্টিজগৎ। সুতরাং তিনি যাদের সফল বলবেন, বাস্তবে তারা সফলই। আর তিনি যাদের ব্যর্থ বলবেন, তারা মূলত ব্যর্থই।
আল্লাহ তাআলাই আমাদের জীবন দিয়েছেন। সঙ্গে দিয়েছেন জীবন বিধানও। তাই তাঁর দৃষ্টিতে কে সফল, কে ব্যর্থ তা আমাদের জানতে হবে। পবিত্র কোরআনে তিনি এরশাদ করেন, ‘সে-ই সফলকাম হবে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করবে; এবং সে-ই ব্যর্থ হবে, যে নিজেকে কলুষিত করবে।’ (সুরা শামস: ৯-১০)
অর্থাৎ, যে নিজের কুপ্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে এবং কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনা করতে পারবে, সে-ই সফল হবে। পক্ষান্তরে যে নিজের কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করবে, আল্লাহর বিধি-বিধানের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না, ইচ্ছেমতো জীবন পরিচালনা করবে, সে ব্যর্থ ও বিফল হবে। প্রথম ব্যক্তির ঠিকানা হবে জান্নাত। আর দ্বিতীয় ব্যক্তির স্থান হবে জাহান্নামে।
অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে সীমা লঙ্ঘন করে এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়, জাহান্নামই হবে তার আবাস। পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখে, জান্নাতই হবে তার ঠিকানা।’ (সুরা নাযিয়াত ৩৭-৪১)
এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজ থেকে বিরত থাকে, সে তার ইজ্জত ও দ্বীন রক্ষা করে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত হয়, সে পরিশেষে হারাম কাজে লিপ্ত হয়।’ যে কাজে জায়েজ ও নাজায়েজ উভয় দিকের সম্ভাবনা থাকে, সেটিকেই সন্দেহজনক কাজ বলা হয়।
লেখক: বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫