ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার বাতাস সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও আজ সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে নেমে গিয়েছে। বৃষ্টি হলেও বাতাসে বেড়েছে ক্ষুদ্র কণা পিএম ২.৫ এর পরিমাণ।
বাতাসের গুণমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের রেকর্ডে দেখা যায়, ঢাকার বায়ুমান ১৬৩, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। অন্যদিকে গতকাল ঢাকার বায়ুমান ছিল ৯৯, যা সহনীয় বাতাসের নির্দেশক।
বায়ুদূষণ বেড়ে যাওয়ায় দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ১৭তম স্থান থেকে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে।
আজ দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে আছে ইরাকের বাগদাদ। শহরটির বাতাসে দূষণের মাত্রা ভয়াবহ বিপর্যয়কর অবস্থায় আছে। একিউআই সূচকে শহরটির বায়ুমান ১০৯২, যা বিপর্যয়কর বাতাসের নির্দেশক।
অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজধানী দিল্লিও বাতাসে দূষণ বেড়ে বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। সূচকে দেখা যায়, দিল্লির বায়ুমান আজ ৫৭১।
দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা ৪র্থ ও ৫ম শহর হলো— পাকিস্তানের লাহোর (১৭৩) ও সেনেগালের ডাকার (১৭১)।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈরী আবহাওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় জীববৈচিত্র্যবিষয়ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, অগ্রাধিকার ও সুপারিশ অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন সংলাপের অংশগ্রহণকারীরা...
৩ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
১৭ ঘণ্টা আগে
খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
২ দিন আগে
নির্মাণস্থল ঘিরে রাখা, মাটি-বালিসহ নির্মাণসামগ্রী ঢেকে সংরক্ষণ এবং পরিবহনের সময় যানবাহন আচ্ছাদিত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। নির্মাণসামগ্রী ও বর্জ্যবাহী যানবাহনের চাকা পরিষ্কার করে সড়কে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রেখে জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং ধুলাদূষণ ঘটানো থে
৩ দিন আগে