আজকের পত্রিকা ডেস্ক

একদিনের ব্যবধানে ঢাকার বায়ুমানে ব্যাপক অবনতি হয়েছে। আজ ঢকার সহনীয় পর্যায়ে আছে। তবে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিশুদ্ধ ছিল ঢাকার বাতাস। গতকাল দিনভর বৃষ্টির পরও আজ এই অবনতি।
বায়ুমান নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের আজ শুক্রবার সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ৭৭, যা সহনীয় পর্যায়ের বাতাসের নির্দেশক। আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের করা দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান ২৭ তম।
গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৬ বায়ুমান নিয়ে বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৯০তম।
আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে আছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা। গত এক মাস ধরে বেশির ভাগ দিনই বায়ুদূষণে শীর্ষে থাকছে শহরটি। শহরটির বায়ুমান আজ ১৭৫, যা অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।
আজ দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি শহর। সেগুলো হলো শিকাগো, মেনিয়াপোলিস, ডেট্রয়েট। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে—১৫৮, ১৫৪, ১৩৯। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইও রয়েছে শীর্ষ পাঁচে। ১৬৫ বায়ুমান নিয়ে শহরটির অবস্থান আজ দ্বিতীয়।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

একদিনের ব্যবধানে ঢাকার বায়ুমানে ব্যাপক অবনতি হয়েছে। আজ ঢকার সহনীয় পর্যায়ে আছে। তবে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিশুদ্ধ ছিল ঢাকার বাতাস। গতকাল দিনভর বৃষ্টির পরও আজ এই অবনতি।
বায়ুমান নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের আজ শুক্রবার সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ৭৭, যা সহনীয় পর্যায়ের বাতাসের নির্দেশক। আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের করা দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান ২৭ তম।
গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৬ বায়ুমান নিয়ে বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৯০তম।
আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে আছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা। গত এক মাস ধরে বেশির ভাগ দিনই বায়ুদূষণে শীর্ষে থাকছে শহরটি। শহরটির বায়ুমান আজ ১৭৫, যা অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।
আজ দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি শহর। সেগুলো হলো শিকাগো, মেনিয়াপোলিস, ডেট্রয়েট। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে—১৫৮, ১৫৪, ১৩৯। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইও রয়েছে শীর্ষ পাঁচে। ১৬৫ বায়ুমান নিয়ে শহরটির অবস্থান আজ দ্বিতীয়।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

শীতের মৌসুমে বেড়ে যায় বায়ুদূষণ। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তালিকায় দেখা যায়, ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ১২৭টি দেশের মধ্যে আজ ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। আর শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি।
১৯ ঘণ্টা আগে
মাঘ মাস আসার আগেই রাজধানী ঢাকায় শীতের দাপট কমতে শুরু করেছে। তাপমাত্রা প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে। গতকাল সোমবার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ মঙ্গলবার হয়েছে ১৬ দশমিক ৪।
২১ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকার আকাশ আজ সোমবার সকাল থেকে রৌদ্রোজ্জ্বল। তাপমাত্রাও সামান্য বেড়েছে। গতকাল রোববার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সেটি বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৩।
২ দিন আগে
পৌষ মাস বিদায় নিতে চলেছে। কয়েক দিন পরই শুরু হবে মাঘ মাস। কয়েক দিন ধরে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ছে। ৭ জানুয়ারি দেশের ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় শৈত্যপ্রবাহ। তবে আজ রোববার ১৩টি জেলা রয়েছে শৈত্যপ্রবাহের কবলে। এর মধ্যে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে...
৩ দিন আগে