
পরিবেশ ও ভূমির অধিকার রক্ষায় কাজ করা ২২৭ জন পরিবেশবাদী গত বছর খুন হয়েছেন। এক বছরে পরিবেশকর্মী হত্যার এটি নতুন রেকর্ড। আগের বছরও রেকর্ডসংখ্যক কর্মী হত্যার শিকার হন। পরিবেশ সংরক্ষণবাদী সংগঠন গ্লোবাল উইটনেসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্লোবাল উইটনেস বলছে, ২০২০ সালে ২২৭ জন পরিবেশবাদীকে হত্যা করা হয়েছে। পরপর দুই বছর রেকর্ড সংখ্যক পরিবেশবাদীকে হত্যার ঘটনা ঘটল। যাদের হত্যা করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ পরিবেশবাদীর হত্যার সঙ্গেই সম্পদ দখলের ঘটনা জড়িত। এছাড়া খনন, বড় আকারের কৃষি ব্যবসা, জলবিদ্যুৎ বাঁধ এবং অন্যান্য অবকাঠামোর বিষয়টিও রয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যার শিকার পরিবেশবাদীদের ‘পরিবেশ রক্ষক’ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করার জন্য তাঁরা হত্যার শিকার হয়েছেন। নদী, উপকূলীয় এলাকা, সাগর রক্ষার আন্দোলনের সঙ্গে তাঁরা জড়িত ছিলেন।
সবচেয়ে বেশি পরিবেশবাদী খুন হয়েছেন কলম্বিয়ায়। গত বছর দেশটিতে ৬৫ জন পরিবেশবাদীকে হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৫ সালে প্যারিসে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর সারা বিশ্বে প্রতি সপ্তাহে গড়ে চারজন পরিবেশকর্মী খুন হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যও ছিল।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই পরিবেশে মানুষের বসবাস নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
গ্লোবাল উইটনেসের একজন জ্যেষ্ঠ ক্যাম্পেইনার ক্রিস ম্যাডেন বলেন, পরিবেশবাদীদের রক্ষায় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। অস্থিতিশীল বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় অপরিহার্য বন, নদী ও জীববৈচিত্র্য। এগুলো রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন পরিবেশবাদীরা। এটি বন্ধ করতে হবে।
হন্ডুরাসের গুয়াপিনোলের অধিবাসীরা এখনো হুমকির মুখে রয়েছেন। সংরক্ষিত এলাকায় সরকারের একটি আয়রন অক্সাইড খনি খননের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে সেখানকার কয়েক ডজন মানুষ। পরিবেশবাদীরা বলছেন, পানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস গুয়াপিনল নদী হুমকির মুখে রয়েছে। গ্লোবাল উইটনেস বলছে, অনেকে কারাবন্দী রয়েছেন।

পরিবেশ ও ভূমির অধিকার রক্ষায় কাজ করা ২২৭ জন পরিবেশবাদী গত বছর খুন হয়েছেন। এক বছরে পরিবেশকর্মী হত্যার এটি নতুন রেকর্ড। আগের বছরও রেকর্ডসংখ্যক কর্মী হত্যার শিকার হন। পরিবেশ সংরক্ষণবাদী সংগঠন গ্লোবাল উইটনেসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্লোবাল উইটনেস বলছে, ২০২০ সালে ২২৭ জন পরিবেশবাদীকে হত্যা করা হয়েছে। পরপর দুই বছর রেকর্ড সংখ্যক পরিবেশবাদীকে হত্যার ঘটনা ঘটল। যাদের হত্যা করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ পরিবেশবাদীর হত্যার সঙ্গেই সম্পদ দখলের ঘটনা জড়িত। এছাড়া খনন, বড় আকারের কৃষি ব্যবসা, জলবিদ্যুৎ বাঁধ এবং অন্যান্য অবকাঠামোর বিষয়টিও রয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যার শিকার পরিবেশবাদীদের ‘পরিবেশ রক্ষক’ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করার জন্য তাঁরা হত্যার শিকার হয়েছেন। নদী, উপকূলীয় এলাকা, সাগর রক্ষার আন্দোলনের সঙ্গে তাঁরা জড়িত ছিলেন।
সবচেয়ে বেশি পরিবেশবাদী খুন হয়েছেন কলম্বিয়ায়। গত বছর দেশটিতে ৬৫ জন পরিবেশবাদীকে হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৫ সালে প্যারিসে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর সারা বিশ্বে প্রতি সপ্তাহে গড়ে চারজন পরিবেশকর্মী খুন হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যও ছিল।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই পরিবেশে মানুষের বসবাস নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
গ্লোবাল উইটনেসের একজন জ্যেষ্ঠ ক্যাম্পেইনার ক্রিস ম্যাডেন বলেন, পরিবেশবাদীদের রক্ষায় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। অস্থিতিশীল বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় অপরিহার্য বন, নদী ও জীববৈচিত্র্য। এগুলো রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন পরিবেশবাদীরা। এটি বন্ধ করতে হবে।
হন্ডুরাসের গুয়াপিনোলের অধিবাসীরা এখনো হুমকির মুখে রয়েছেন। সংরক্ষিত এলাকায় সরকারের একটি আয়রন অক্সাইড খনি খননের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে সেখানকার কয়েক ডজন মানুষ। পরিবেশবাদীরা বলছেন, পানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস গুয়াপিনল নদী হুমকির মুখে রয়েছে। গ্লোবাল উইটনেস বলছে, অনেকে কারাবন্দী রয়েছেন।

রাজধানী ঢাকার আকাশ আজ সোমবার সকাল থেকে রৌদ্রোজ্জ্বল। তাপমাত্রাও সামান্য বেড়েছে। গতকাল রোববার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সেটি বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৩।
১ দিন আগে
পৌষ মাস বিদায় নিতে চলেছে। কয়েক দিন পরই শুরু হবে মাঘ মাস। কয়েক দিন ধরে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ছে। ৭ জানুয়ারি দেশের ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় শৈত্যপ্রবাহ। তবে আজ রোববার ১৩টি জেলা রয়েছে শৈত্যপ্রবাহের কবলে। এর মধ্যে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে...
২ দিন আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
২ দিন আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এ কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকার বাতাসের মান ‘সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে থাকলেও বেলা ১২টায় দেখা যায়, বাতাসের মান ‘বিপজ্জনক’ অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে।
৩ দিন আগে