নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বঙ্গোপসাগরে আগামী রোববার লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এটি চলতি মাসের মাঝামাঝিতে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, এখনো লঘুচাপ তৈরি হয়নি। দু-এক দিনের মধ্যে এটি ভালোভাবে বোঝা যাবে।
আজ শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, লঘুচাপ ৭ মে থেকে সৃষ্টি হবে। এর ফলে তাপমাত্রা বাড়বে। একটা তাপপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। এরপর এটি ঘনীভূত হতে পারে।
বজলুর রশিদ আরও বলেন, ‘লঘুচাপ সৃষ্টি হলে স্থলভাগ থেকে মেঘ চলে যাবে, এতে সূর্যকিরণ বেশি অনুভূত হবে। এক-দুই দিনের মধ্যে বৃষ্টিও কমে যাবে।’
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় হবে কি না, তার গতিপথ কী হবে, সেসব নিয়ে এখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। এখনই এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।’
এদিকে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) বলছে, আগামীকাল শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। রোববার ওই অঞ্চলের ওপরই একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। মঙ্গলবার সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রোববার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে—৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়—১৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিক্ষিপ্তভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহে—৬৮ মিলিমিটার।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে আগামী রোববার লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এটি চলতি মাসের মাঝামাঝিতে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, এখনো লঘুচাপ তৈরি হয়নি। দু-এক দিনের মধ্যে এটি ভালোভাবে বোঝা যাবে।
আজ শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, লঘুচাপ ৭ মে থেকে সৃষ্টি হবে। এর ফলে তাপমাত্রা বাড়বে। একটা তাপপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। এরপর এটি ঘনীভূত হতে পারে।
বজলুর রশিদ আরও বলেন, ‘লঘুচাপ সৃষ্টি হলে স্থলভাগ থেকে মেঘ চলে যাবে, এতে সূর্যকিরণ বেশি অনুভূত হবে। এক-দুই দিনের মধ্যে বৃষ্টিও কমে যাবে।’
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় হবে কি না, তার গতিপথ কী হবে, সেসব নিয়ে এখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। এখনই এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।’
এদিকে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) বলছে, আগামীকাল শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। রোববার ওই অঞ্চলের ওপরই একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। মঙ্গলবার সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রোববার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে—৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়—১৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিক্ষিপ্তভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহে—৬৮ মিলিমিটার।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া উল্লেখযোগ্য। এসব অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।
১০ ঘণ্টা আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এ কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বায়ুমান ‘সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় আছে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রার তেমন পরিবর্তন হয়নি। গতকাল সোমবার সকালে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আজ সেটি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩।
১ দিন আগে
পূর্বাভাস থেকে জানা গেছে, আজ সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ।
২ দিন আগে