বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্ক নিয়ে দুই পারেই চলছে উত্তেজনা। বাংলাদেশিদের উদ্দেশে গীতিকার ও কবি শ্রীজাতের লেখা কবিতা সমালোচিত হচ্ছে ঢাকায়। অন্যদিকে কবির সুমনের গানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলাদেশের মানুষ। দুই বাংলার মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান অনেক দিন ধরেই চলছে। বাংলাদেশের শিল্পীরা যেমন পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় অভিনয় করেন, গান করেন, শোতে অংশ নেন; তেমনি ওপারের শিল্পীদেরও নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বাংলাদেশে।
তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতায় এ সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। শিল্পীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তী। প্রশ্ন তুললেন, ‘মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা দেখে আমি বিচলিত। আমার প্রশ্ন, আমরা কি এতটা তীব্র রাগ নিয়েই বেঁচে থাকব? আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও কি এই রাগের উত্তরাধিকার করে যাব?’

লগ্নজিতা বলেন, ‘কলকাতার যেকোনো বাঙালি শিল্পীর পোস্ট করা গানের নিচে মন্তব্য লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, অর্ধেক যদি এপার বাংলার বাঙালিদের মন্তব্য আসে, তাহলে বাকিটা ওপারের। আমি এখনো বাংলাদেশে গিয়ে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাইনি। কয়েক বছর আগে ওপার বাংলার আইয়ুব বাচ্চু দমদমে অনুষ্ঠান করতে এসেছিলেন। তাঁর আগে সেই অনুষ্ঠানে আমি গান করি। কিন্তু মনে আছে, তাঁর গান শুরু হওয়ার পর আমি মাটিতে বসে পড়েছিলাম। তখন আইয়ুব বাচ্চু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন, কোথায় বসছি, সেটা নয়।’

বিদ্বেষ ভুলে আবারও দুই বাংলা হাতে হাত মিলিয়ে চলবে, এমন প্রত্যাশা লগ্নজিতার। তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন রেগে আছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি তো তাঁদের আরও মারামারি করতে বলতে পারি না। আমি সেখানে সম্প্রীতির বার্তাই দিতে পারি। আমি বিশ্বাস করি, একদিন পৃথিবী আবার শান্ত হবে। তখন আবার জেমস পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠান করতে আসবেন। আবার এপার বাংলার শিল্পীরা ওপার বাংলায় অনুষ্ঠান করতে যাবেন। যত বাংলাদেশি শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁরা নিশ্চয়ই আমাকে ভুলে যাবেন না। তাঁদের সঙ্গে আবারও কাজ হবে। দুই বাংলা আবার একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।’

বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্ক নিয়ে দুই পারেই চলছে উত্তেজনা। বাংলাদেশিদের উদ্দেশে গীতিকার ও কবি শ্রীজাতের লেখা কবিতা সমালোচিত হচ্ছে ঢাকায়। অন্যদিকে কবির সুমনের গানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলাদেশের মানুষ। দুই বাংলার মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান অনেক দিন ধরেই চলছে। বাংলাদেশের শিল্পীরা যেমন পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় অভিনয় করেন, গান করেন, শোতে অংশ নেন; তেমনি ওপারের শিল্পীদেরও নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বাংলাদেশে।
তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতায় এ সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। শিল্পীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তী। প্রশ্ন তুললেন, ‘মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা দেখে আমি বিচলিত। আমার প্রশ্ন, আমরা কি এতটা তীব্র রাগ নিয়েই বেঁচে থাকব? আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও কি এই রাগের উত্তরাধিকার করে যাব?’

লগ্নজিতা বলেন, ‘কলকাতার যেকোনো বাঙালি শিল্পীর পোস্ট করা গানের নিচে মন্তব্য লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, অর্ধেক যদি এপার বাংলার বাঙালিদের মন্তব্য আসে, তাহলে বাকিটা ওপারের। আমি এখনো বাংলাদেশে গিয়ে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাইনি। কয়েক বছর আগে ওপার বাংলার আইয়ুব বাচ্চু দমদমে অনুষ্ঠান করতে এসেছিলেন। তাঁর আগে সেই অনুষ্ঠানে আমি গান করি। কিন্তু মনে আছে, তাঁর গান শুরু হওয়ার পর আমি মাটিতে বসে পড়েছিলাম। তখন আইয়ুব বাচ্চু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন, কোথায় বসছি, সেটা নয়।’

বিদ্বেষ ভুলে আবারও দুই বাংলা হাতে হাত মিলিয়ে চলবে, এমন প্রত্যাশা লগ্নজিতার। তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন রেগে আছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি তো তাঁদের আরও মারামারি করতে বলতে পারি না। আমি সেখানে সম্প্রীতির বার্তাই দিতে পারি। আমি বিশ্বাস করি, একদিন পৃথিবী আবার শান্ত হবে। তখন আবার জেমস পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠান করতে আসবেন। আবার এপার বাংলার শিল্পীরা ওপার বাংলায় অনুষ্ঠান করতে যাবেন। যত বাংলাদেশি শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁরা নিশ্চয়ই আমাকে ভুলে যাবেন না। তাঁদের সঙ্গে আবারও কাজ হবে। দুই বাংলা আবার একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
৮ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
৮ ঘণ্টা আগে