
কোক স্টুডিও বাংলা প্রকাশ করেছে তাদের নতুন গান। ‘দেওরা’ শিরোনামের গানটি আজ রোববার সন্ধ্যায় কোক স্টুডিও বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পায়।
নৌকা বাইচে ‘হাত ছেড়ে দাও সোনার দেওরা রে’ গানের তালে বইঠা ঠেলেন মাঝিমাল্লারা। নৌকা বাইচের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে জনপ্রিয় এই সারি গানটি। এই গানটিই নতুন আয়োজনে নিয়ে এসেছেন সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান এবং লোকসংগীত শিল্পী ইসলামউদ্দিন পালাকার। গানটিতে আরও আছেন আরমীন মুসা এবং তার কয়্যার ‘ঘাসফড়িং’।
গানটিতে ‘সারি গান,’ ‘জাগ গান’-এর মতো লোকসংগীতের বিভিন্ন ধারা ব্যবহার করা হয়েছে। ‘সারি গান’ সাধারণত শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে যুক্ত, আর ‘জাগ গান’ পরিচিত এর অনুপ্রেরণামূলক কথার জন্য। গানটিতে ফজলু মাঝি (ফজলুল হক) এবং প্রীতম হাসানের লেখা কথায় মাঝিদের আবেগ ফুটে উঠেছে।
গানটি প্রযোজনা করেছেন প্রীতম। তিনি গানের মূল শিল্পীদের একজন। গানের শুরুর লাইনগুলোতে সংগীতের ব্যাপারে তার নিজস্ব ও অনন্য চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন এই শিল্পী।
গানটি সম্পর্কে প্রীতম বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে আমি গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি, যা দর্শক-শ্রোতাদের কল্পনাকে জাগিয়ে তুলতে পারবে। কোক স্টুডিও বাংলা আমাকে আরও নতুন ধরনের কিছু করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে। দেওরা এমন একটি গান যার সঙ্গে সবাই নিশ্চিতভাবে গলা মেলাবেন। এই গান সবার মাঝে সংগীতের ম্যাজিক জাগিয়ে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।’
আরমীন মুসা বলেন, ‘দেওরাতে কাজ করা একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল। বেশ কয়েকজন শিল্পী ও কয়্যার মিলে একসঙ্গে কাজ করলে ম্যাজিক্যাল কিছুর সৃষ্টি হয়। ইসলামউদ্দিন পালাকারের অনবদ্য পারফরম্যান্সের ফলে গানটি হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত।’
তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি পালাগান চর্চা ও পারফর্ম করে আসছি। আমি এই শিল্পকে ভালোবেসেছি, এর জন্যই আমার জীবনকে উৎসর্গ করেছি। কোক স্টুডিও বাংলা-র প্ল্যাটফর্মে এই শিল্পটিকে তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করি, তরুণ প্রজন্ম এই ফিউশন পছন্দ করবে এবং বাংলা গানের এই ধারাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহিত হবে।’

কোক স্টুডিও বাংলা প্রকাশ করেছে তাদের নতুন গান। ‘দেওরা’ শিরোনামের গানটি আজ রোববার সন্ধ্যায় কোক স্টুডিও বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পায়।
নৌকা বাইচে ‘হাত ছেড়ে দাও সোনার দেওরা রে’ গানের তালে বইঠা ঠেলেন মাঝিমাল্লারা। নৌকা বাইচের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে জনপ্রিয় এই সারি গানটি। এই গানটিই নতুন আয়োজনে নিয়ে এসেছেন সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান এবং লোকসংগীত শিল্পী ইসলামউদ্দিন পালাকার। গানটিতে আরও আছেন আরমীন মুসা এবং তার কয়্যার ‘ঘাসফড়িং’।
গানটিতে ‘সারি গান,’ ‘জাগ গান’-এর মতো লোকসংগীতের বিভিন্ন ধারা ব্যবহার করা হয়েছে। ‘সারি গান’ সাধারণত শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে যুক্ত, আর ‘জাগ গান’ পরিচিত এর অনুপ্রেরণামূলক কথার জন্য। গানটিতে ফজলু মাঝি (ফজলুল হক) এবং প্রীতম হাসানের লেখা কথায় মাঝিদের আবেগ ফুটে উঠেছে।
গানটি প্রযোজনা করেছেন প্রীতম। তিনি গানের মূল শিল্পীদের একজন। গানের শুরুর লাইনগুলোতে সংগীতের ব্যাপারে তার নিজস্ব ও অনন্য চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন এই শিল্পী।
গানটি সম্পর্কে প্রীতম বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে আমি গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি, যা দর্শক-শ্রোতাদের কল্পনাকে জাগিয়ে তুলতে পারবে। কোক স্টুডিও বাংলা আমাকে আরও নতুন ধরনের কিছু করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে। দেওরা এমন একটি গান যার সঙ্গে সবাই নিশ্চিতভাবে গলা মেলাবেন। এই গান সবার মাঝে সংগীতের ম্যাজিক জাগিয়ে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।’
আরমীন মুসা বলেন, ‘দেওরাতে কাজ করা একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল। বেশ কয়েকজন শিল্পী ও কয়্যার মিলে একসঙ্গে কাজ করলে ম্যাজিক্যাল কিছুর সৃষ্টি হয়। ইসলামউদ্দিন পালাকারের অনবদ্য পারফরম্যান্সের ফলে গানটি হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত।’
তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি পালাগান চর্চা ও পারফর্ম করে আসছি। আমি এই শিল্পকে ভালোবেসেছি, এর জন্যই আমার জীবনকে উৎসর্গ করেছি। কোক স্টুডিও বাংলা-র প্ল্যাটফর্মে এই শিল্পটিকে তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করি, তরুণ প্রজন্ম এই ফিউশন পছন্দ করবে এবং বাংলা গানের এই ধারাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহিত হবে।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
৫ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
৬ ঘণ্টা আগে