বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

অনেক স্বপ্ন নিয়ে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেছিলেন রাজ রিপা। তবে সেই স্বপ্ন এখন তাঁর কাছে শুধুই দুঃস্বপ্ন। তাঁর দাবি, সিনেমায় অভিনয় করতে এসে তিনি ভয়াবহভাবে ঠকেছেন। এখন তিনি সব ছেড়ে সিনেমাকে বিদায় বলতে চান। পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর বিরুদ্ধেই যত অভিযোগ রাজ রিপার।
গতকাল ভোরে এক ফেসবুক পোস্টে রাজ রিপা জানিয়েছেন, ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’, ‘দেহরক্ষী’, ‘অগ্নি’, ‘রাজত্ব’সহ অনেক সিনেমার পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর ‘মুক্তি’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে পরিচালকের টালবাহানায় পাঁচ বছর ধরে আটকে আছে সিনেমাটি। এতে রাজ রিপার অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট হয়েছে।
ফেসবুকে রাজ রিপা লিখেছেন, ‘খুব দ্রুত সবাইকে ছেড়ে চলে যাব, এই ইন্ডাস্ট্রি আমার মতো বোকা মানুষের জন্য না। একা একা ৭ বছরের পথ পাড়ি দিয়েছি। ভালো-মন্দ সব দেখেই সিদ্ধান্ত নিলাম। …কিন্তু পাওনাদার হিসেবে পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর কাছে কিছু হিসাব বাকি আছে। ৪ বছর ধরে আমার পরিশ্রমের প্রজেক্ট “মুক্তি” সিনেমা নিয়ে যে মানসিক যন্ত্রণা পেয়েছি, আমার জায়গায় অন্য মেয়ে হলে সুইসাইড ছাড়া কিছু ভাবত না।… আমাকে নায়িকা বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে শুধু নিজের আখের গুছিয়ে গেলেন, আমার জন্য কিছুই করলেন না।’
ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে রাজ রিপা বলেন, ‘ইফতেখার চৌধুরী আশ্বাস দিয়েছিলেন, মুক্তি সিনেমার মাধ্যমে আমাকে সবার সামনে প্রমাণ করাবেন, আমার ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠা পাবে। কিন্তু দিন যায়, বছর যায় সিনেমা আর রিলিজ হয় না। আদৌ সিনেমাটা রিলিজ হবে কি না সেটা নিয়ে আমি ডিপ্রেশনে ভুগছি। এখন ইফতেখার চৌধুরী আমাকে চাপ দিচ্ছে, সিনেমার স্পনসর ম্যানেজ করতে বলছে। এখনো নাকি ৩৫ লাখ টাকা লাগবে। কিন্তু আমি কোথায় পাব স্পন্সর!’
রাজ রিপা আরও বলেন, ‘আমি এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে খুব হতাশ। এ কারণে সিনেমা ছেড়ে দেব। অনেক আশা নিয়ে ইফতেখার চৌধুরীকে বিশ্বাস করে সিনেমাটা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উনি বেইমানি করেছেন। তাঁর ওপর ঘৃণা ধরে গেছে।’ যদিও তিনি নিজেই মুক্তি সিনেমায় লগ্নি করেছেন কি না, এ বিষয়ে কিছু খোলাসা করেননি রাজ রিপা। সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মুক্তি সিনেমা ঘিরে রাজ রিপার এসব অভিযোগের বিষয়ে ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

অনেক স্বপ্ন নিয়ে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেছিলেন রাজ রিপা। তবে সেই স্বপ্ন এখন তাঁর কাছে শুধুই দুঃস্বপ্ন। তাঁর দাবি, সিনেমায় অভিনয় করতে এসে তিনি ভয়াবহভাবে ঠকেছেন। এখন তিনি সব ছেড়ে সিনেমাকে বিদায় বলতে চান। পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর বিরুদ্ধেই যত অভিযোগ রাজ রিপার।
গতকাল ভোরে এক ফেসবুক পোস্টে রাজ রিপা জানিয়েছেন, ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’, ‘দেহরক্ষী’, ‘অগ্নি’, ‘রাজত্ব’সহ অনেক সিনেমার পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর ‘মুক্তি’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে পরিচালকের টালবাহানায় পাঁচ বছর ধরে আটকে আছে সিনেমাটি। এতে রাজ রিপার অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট হয়েছে।
ফেসবুকে রাজ রিপা লিখেছেন, ‘খুব দ্রুত সবাইকে ছেড়ে চলে যাব, এই ইন্ডাস্ট্রি আমার মতো বোকা মানুষের জন্য না। একা একা ৭ বছরের পথ পাড়ি দিয়েছি। ভালো-মন্দ সব দেখেই সিদ্ধান্ত নিলাম। …কিন্তু পাওনাদার হিসেবে পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর কাছে কিছু হিসাব বাকি আছে। ৪ বছর ধরে আমার পরিশ্রমের প্রজেক্ট “মুক্তি” সিনেমা নিয়ে যে মানসিক যন্ত্রণা পেয়েছি, আমার জায়গায় অন্য মেয়ে হলে সুইসাইড ছাড়া কিছু ভাবত না।… আমাকে নায়িকা বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে শুধু নিজের আখের গুছিয়ে গেলেন, আমার জন্য কিছুই করলেন না।’
ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে রাজ রিপা বলেন, ‘ইফতেখার চৌধুরী আশ্বাস দিয়েছিলেন, মুক্তি সিনেমার মাধ্যমে আমাকে সবার সামনে প্রমাণ করাবেন, আমার ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠা পাবে। কিন্তু দিন যায়, বছর যায় সিনেমা আর রিলিজ হয় না। আদৌ সিনেমাটা রিলিজ হবে কি না সেটা নিয়ে আমি ডিপ্রেশনে ভুগছি। এখন ইফতেখার চৌধুরী আমাকে চাপ দিচ্ছে, সিনেমার স্পনসর ম্যানেজ করতে বলছে। এখনো নাকি ৩৫ লাখ টাকা লাগবে। কিন্তু আমি কোথায় পাব স্পন্সর!’
রাজ রিপা আরও বলেন, ‘আমি এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে খুব হতাশ। এ কারণে সিনেমা ছেড়ে দেব। অনেক আশা নিয়ে ইফতেখার চৌধুরীকে বিশ্বাস করে সিনেমাটা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উনি বেইমানি করেছেন। তাঁর ওপর ঘৃণা ধরে গেছে।’ যদিও তিনি নিজেই মুক্তি সিনেমায় লগ্নি করেছেন কি না, এ বিষয়ে কিছু খোলাসা করেননি রাজ রিপা। সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মুক্তি সিনেমা ঘিরে রাজ রিপার এসব অভিযোগের বিষয়ে ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১৫ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৫ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৫ ঘণ্টা আগে