নাজমুল হক নাঈম

মা সিনেমায় যুক্ত হওয়ার গল্প?
পরিচালক অরণ্য আনোয়ার যখন আমাকে চিত্রনাট্যটি দেন, তখন গল্পটি দেখে আমার মনে হয়ছিল গল্পটা বর্তমান সময়ের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আমার কাছে তখন মনে হয়েছে গল্পটির যে ইমোশন, তা দর্শকদের কাছে পৌঁছানো উচিত। কিন্তু তখন বেশ কিছু প্রজেক্টে আমার বেশ ব্যস্ততা ছিল, এ ছাড়া আমি তখন সদ্য বাবা হয়েছিলাম। তখন একটা কনফিউশনে পড়ে যাই। কিন্তু গল্পটি যেহেতু আমার ভালো লেগেছে, তখন চিন্তা করলাম আমি না করলেও গল্পটা কেউ না কেউ তো করবে। তাই আমি সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইনি।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
অনেক ভালো। সহশিল্পী হিসেবে পরীমণির সঙ্গে প্রথম পর্দা ভাগ ছাড়াও আবুল কালাম আজাদ ভাই, শাহাদাত হোসেন ভাই, সাজু খাদেম ভাইয়ের মতো অভিজ্ঞ অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করা মানে যেকোনো কাজ সহজ হয়ে যাওয়া। আর প্রতিটি কাজে তো অভিনেতা হিসেবে একটা প্রস্তুতি আমার থাকে। কিন্তু আমি সদ্য বাবা হওয়ায় ইমোশনের জায়গাগুলো মনে হয়েছে ভেতর থেকেই এসেছে। আর পরিচালক অরণ্য ভাই যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন শুটিংয়ে। যথেষ্ট স্বাধীনতা আমি পেয়েছি।
সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশা কেমন?
প্রতিটি সিনেমা নিয়েই সব অভিনেতার প্রত্যাশা থাকে। আর গল্পটি যেহেতু মা নিয়ে, তাই প্রতিটি পরতে ইমোশন ছিল। গল্পটার পটভূমি যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ, তাই এখানে দেশমাতৃকার প্রতিও ইমোশনটা ফুটে উঠেছে। আশা করি দর্শকদের সিনেমাটি ভালো লাগবে।
সহশিল্পী হিসেবে পরীমণি কেমন ছিলেন?
সহশিল্পী হিসেবে পরীমণি দুর্দান্ত। শুটিংয়ে উনি যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। প্রথম দুই দিনের অভিজ্ঞতা টেনে যদি বলি, ওনার সঙ্গে যেহেতু আগে কাজ হয়নি তাই আমি বেশ অস্বস্তি ফিল করছিলাম। কিন্তু উনি সুন্দরভাবে বিষয়টা হ্যান্ডেল করে আমার জন্য কাজটি সহজ করে দিয়েছিলেন।
সিনেমাটিতে আপনার চরিত্রটি কেমন ছিল?
আমার চরিত্রের নাম মৃণাল কান্তি বড়ুয়া। আর আমি গল্পটিতে একজন বাবা চরিত্রে অভিনয় করেছি।
মা সিনেমার প্রিমিয়ার কানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একজন অভিনেতা হিসেবে অনুভূতি?
মফস্বল থেকে উঠে একজন অভিনেতার সিনেমা যখন কানের মতো বড় জায়গায় প্রদর্শিত হয়, তখন এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
বর্তমান ব্যস্ততা?
পরিচালক অনম বিশ্বাসের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ‘ফুটবল একাত্তর’ সিনেমার কাজ শেষ করলাম। এ ছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কিছু কাজ আসছে সামনে। এ ছাড়া নতুন কিছু প্রজেক্টের কথা চলছে।

মা সিনেমায় যুক্ত হওয়ার গল্প?
পরিচালক অরণ্য আনোয়ার যখন আমাকে চিত্রনাট্যটি দেন, তখন গল্পটি দেখে আমার মনে হয়ছিল গল্পটা বর্তমান সময়ের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আমার কাছে তখন মনে হয়েছে গল্পটির যে ইমোশন, তা দর্শকদের কাছে পৌঁছানো উচিত। কিন্তু তখন বেশ কিছু প্রজেক্টে আমার বেশ ব্যস্ততা ছিল, এ ছাড়া আমি তখন সদ্য বাবা হয়েছিলাম। তখন একটা কনফিউশনে পড়ে যাই। কিন্তু গল্পটি যেহেতু আমার ভালো লেগেছে, তখন চিন্তা করলাম আমি না করলেও গল্পটা কেউ না কেউ তো করবে। তাই আমি সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইনি।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
অনেক ভালো। সহশিল্পী হিসেবে পরীমণির সঙ্গে প্রথম পর্দা ভাগ ছাড়াও আবুল কালাম আজাদ ভাই, শাহাদাত হোসেন ভাই, সাজু খাদেম ভাইয়ের মতো অভিজ্ঞ অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করা মানে যেকোনো কাজ সহজ হয়ে যাওয়া। আর প্রতিটি কাজে তো অভিনেতা হিসেবে একটা প্রস্তুতি আমার থাকে। কিন্তু আমি সদ্য বাবা হওয়ায় ইমোশনের জায়গাগুলো মনে হয়েছে ভেতর থেকেই এসেছে। আর পরিচালক অরণ্য ভাই যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন শুটিংয়ে। যথেষ্ট স্বাধীনতা আমি পেয়েছি।
সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশা কেমন?
প্রতিটি সিনেমা নিয়েই সব অভিনেতার প্রত্যাশা থাকে। আর গল্পটি যেহেতু মা নিয়ে, তাই প্রতিটি পরতে ইমোশন ছিল। গল্পটার পটভূমি যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ, তাই এখানে দেশমাতৃকার প্রতিও ইমোশনটা ফুটে উঠেছে। আশা করি দর্শকদের সিনেমাটি ভালো লাগবে।
সহশিল্পী হিসেবে পরীমণি কেমন ছিলেন?
সহশিল্পী হিসেবে পরীমণি দুর্দান্ত। শুটিংয়ে উনি যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। প্রথম দুই দিনের অভিজ্ঞতা টেনে যদি বলি, ওনার সঙ্গে যেহেতু আগে কাজ হয়নি তাই আমি বেশ অস্বস্তি ফিল করছিলাম। কিন্তু উনি সুন্দরভাবে বিষয়টা হ্যান্ডেল করে আমার জন্য কাজটি সহজ করে দিয়েছিলেন।
সিনেমাটিতে আপনার চরিত্রটি কেমন ছিল?
আমার চরিত্রের নাম মৃণাল কান্তি বড়ুয়া। আর আমি গল্পটিতে একজন বাবা চরিত্রে অভিনয় করেছি।
মা সিনেমার প্রিমিয়ার কানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একজন অভিনেতা হিসেবে অনুভূতি?
মফস্বল থেকে উঠে একজন অভিনেতার সিনেমা যখন কানের মতো বড় জায়গায় প্রদর্শিত হয়, তখন এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
বর্তমান ব্যস্ততা?
পরিচালক অনম বিশ্বাসের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ‘ফুটবল একাত্তর’ সিনেমার কাজ শেষ করলাম। এ ছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কিছু কাজ আসছে সামনে। এ ছাড়া নতুন কিছু প্রজেক্টের কথা চলছে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
২ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
২ ঘণ্টা আগে