
আজ বলিউড অভিনেতা শশী কাপুরের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৮ সালের ১৮ মার্চ জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। বলিউডের বিখ্যাত কাপুর পরিবারের সদস্য শশী ছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুরের কনিষ্ঠ সন্তান। তাঁর দুই ভাই রাজ কাপুর ও শাম্মী কাপুরও দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বলিউড। ঋষি কাপুর ও রণধীর কাপুররা এই পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম। কাপুর পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম হিসেবে বলিউডে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন কারিশমা, কারিনা ও রণবীররা।
১৯৫৯ সালে ‘গেস্ট হাউস’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান শশী। এর পরে তিনি ‘দুলহা-দুলহান’ ও ‘শ্রীমান সত্যবাদী’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন, যেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তাঁর ভাই রাজ কাপুর। ১৯৬১ সালে ‘ধর্মপুত্র’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটে শশী কাপুরের। এরপর দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি দেড় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে ‘সত্তম শিব সুন্দরম’, ‘ধীবর’, ‘সোহাগ’, ‘নিমক হালাল’, ‘কেভি কেভি’, ‘আওয়ারে’, ‘চোর’, ‘কালা পাত্থর’ ও ‘ত্রিশূল’ উল্লেখযোগ্য। তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য পাঁচটি সিনেমা হচ্ছে ‘ধর্মপুত্র’, ‘দিওয়ার’ ‘জুনুন’, ‘কালযুগ’ ও ‘নিউ দিল্লি টাইমস’।
ধর্মপুত্র
‘ধর্মপুত্র’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথম নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন শশী কাপুর। আচার্য চতুরসেনের একই নামের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে সিনেমাটি নির্মিত হয়। সিনেমাটি পরিচালনা করেন যশ রাজ চোপড়া। ১৯৬১ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। ভারত বিভাজনের গল্প নিয়ে এটি ছিল প্রথম নির্মিত হিন্দি চলচ্চিত্র।
দিওয়ার
‘দিওয়ার’ সিনেমাটি পরিচালনা করেন যশ রাজ চোপড়া। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন শশী কাপুর। এর মধ্যে একটি সিনেমা হলো ‘দিওয়ার’। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালে। সিনেমাটির জন্য পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার জেতেন শশী কাপুর।
জুনুন
‘জুনুন’ সিনেমায় অভিনয় করে শশী কাপুর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন। শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত সিনেমাটির প্রযোজনাও করেছেন শশী কাপুর। ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটিতে শশী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন শাবানা আজমী।
কালযুগ
শশী কাপুরের আরেকটি কালজয়ী সিনেমা হচ্ছে শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত ‘কালযুগ’। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৮১ সালে। ১৯৮২ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিল। সিনেমাটি সেরা চিত্রনাট্যের জন্য বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছিল। এতে শশী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেন রেখা।
নিউ দিল্লি টাইমস
১৯৮৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘নিউ দিল্লি টাইমস’। রমেশ শর্মা পরিচালিত সিনেমাটিতে শশী কাপুর একজন সাংবাদিক চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন। সিনেমাটিতে শশী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেন শর্মীলা ঠাকুর। এই সিনেমার জন্যও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

আজ বলিউড অভিনেতা শশী কাপুরের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৮ সালের ১৮ মার্চ জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। বলিউডের বিখ্যাত কাপুর পরিবারের সদস্য শশী ছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুরের কনিষ্ঠ সন্তান। তাঁর দুই ভাই রাজ কাপুর ও শাম্মী কাপুরও দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বলিউড। ঋষি কাপুর ও রণধীর কাপুররা এই পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম। কাপুর পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম হিসেবে বলিউডে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন কারিশমা, কারিনা ও রণবীররা।
১৯৫৯ সালে ‘গেস্ট হাউস’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান শশী। এর পরে তিনি ‘দুলহা-দুলহান’ ও ‘শ্রীমান সত্যবাদী’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন, যেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তাঁর ভাই রাজ কাপুর। ১৯৬১ সালে ‘ধর্মপুত্র’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটে শশী কাপুরের। এরপর দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি দেড় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে ‘সত্তম শিব সুন্দরম’, ‘ধীবর’, ‘সোহাগ’, ‘নিমক হালাল’, ‘কেভি কেভি’, ‘আওয়ারে’, ‘চোর’, ‘কালা পাত্থর’ ও ‘ত্রিশূল’ উল্লেখযোগ্য। তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য পাঁচটি সিনেমা হচ্ছে ‘ধর্মপুত্র’, ‘দিওয়ার’ ‘জুনুন’, ‘কালযুগ’ ও ‘নিউ দিল্লি টাইমস’।
ধর্মপুত্র
‘ধর্মপুত্র’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথম নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন শশী কাপুর। আচার্য চতুরসেনের একই নামের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে সিনেমাটি নির্মিত হয়। সিনেমাটি পরিচালনা করেন যশ রাজ চোপড়া। ১৯৬১ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। ভারত বিভাজনের গল্প নিয়ে এটি ছিল প্রথম নির্মিত হিন্দি চলচ্চিত্র।
দিওয়ার
‘দিওয়ার’ সিনেমাটি পরিচালনা করেন যশ রাজ চোপড়া। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন শশী কাপুর। এর মধ্যে একটি সিনেমা হলো ‘দিওয়ার’। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালে। সিনেমাটির জন্য পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার জেতেন শশী কাপুর।
জুনুন
‘জুনুন’ সিনেমায় অভিনয় করে শশী কাপুর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন। শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত সিনেমাটির প্রযোজনাও করেছেন শশী কাপুর। ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটিতে শশী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন শাবানা আজমী।
কালযুগ
শশী কাপুরের আরেকটি কালজয়ী সিনেমা হচ্ছে শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত ‘কালযুগ’। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৮১ সালে। ১৯৮২ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিল। সিনেমাটি সেরা চিত্রনাট্যের জন্য বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছিল। এতে শশী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেন রেখা।
নিউ দিল্লি টাইমস
১৯৮৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘নিউ দিল্লি টাইমস’। রমেশ শর্মা পরিচালিত সিনেমাটিতে শশী কাপুর একজন সাংবাদিক চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন। সিনেমাটিতে শশী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেন শর্মীলা ঠাকুর। এই সিনেমার জন্যও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
৮ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
৮ ঘণ্টা আগে