
সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ অভিষেক বচ্চন। বচ্চন পুত্রের ‘সেন্স অফ হিউমার’-এর প্রশংসা করতেই হয়। নেপোটিজম হোক বা স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাই, প্রায়ই কটু কথা শুনতে হয় অভিষেককে। পালটা জবাবও দেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিংয়ের নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিতে ওস্তাদ অভিষেক। তাঁর সেই জবাব যে সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয় সেকথা বলার আর অপেক্ষা রাখে না।
এবার টুইটারে কামাল আর খান বা কেআরকে-র সঙ্গে কথা হয় অভিষেকের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মালায়ালাম সিনেমা ‘বাশী’-র প্রশংসা করে একটি পোস্ট লেখেন অভিষেক। এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন টবিনো থমাস এবং কীর্তি সুরেশ। টুইটারে অভিষেক লেখেন, ‘আরও একটা দুর্দান্ত সিনেমা উপহার দিচ্ছে মালয়ালম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, শুভ কামনা টবিনো থমাস, কীর্তি সুরেশ এবং ছবির সকল কলাকুশলীদের’।
এই টুইট নিজের ওয়ালে রি-টুইট করে কেআরকে লেখেন, ‘ভাই তোমরা, বলিউডের লোকজনও কখনও একটু অসাধারণ সিনেমা তৈরি করতে পারো!’
কেআরকে-র এই উপদেশের খুব ঠান্ডা মাথায় জবাব দেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় চেষ্টা করব। আপনি তো বানিয়ে ছিলেন না… দেশদ্রোহী’। অভিষেকের এই জবাব দেখে হেসে খুন সোশ্যাল মিডিয়ার বাসিন্দারা। কেআরকে ২০০৮ সালে তৈরি করেছিলেন এই সিনেমা। ‘দেশদ্রোহী’র কাহিনি নিজেই লিখেছেন, হিরোও ছিলেন তিনি, পাশাপাশি প্রয়োজনার দায়িত্বও সামলেছিলেন। বলিউডের সুপারফ্লপ মুভির তালিকায় অন্যতম এটি। ৩ কোটির বাজেটের এই ছবি বক্স অফিসে মাত্র ৮০ লক্ষের ব্যবসা করেছিল। শেষবার ‘এক ভিলেন’ ছবিতে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে কেআরকে-কে।
বলিউডের অন্যতম বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব কেআরকে, তারকাদের সঙ্গে এই স্বঘোষিত ফিল্ম সমালোচকের নিয়মিত বিবাদের কথা কারও অজানা নয়। সালমান থেকে অক্ষয়, সবার সমালোচনায় মুখর থাকেন কেআরকে। এবার অভিষকের কাছ থেকে সঠিক জবাবটাই পেয়েছেন বলে অনেকে বেজায় খুশি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ অভিষেক বচ্চন। বচ্চন পুত্রের ‘সেন্স অফ হিউমার’-এর প্রশংসা করতেই হয়। নেপোটিজম হোক বা স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাই, প্রায়ই কটু কথা শুনতে হয় অভিষেককে। পালটা জবাবও দেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিংয়ের নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিতে ওস্তাদ অভিষেক। তাঁর সেই জবাব যে সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয় সেকথা বলার আর অপেক্ষা রাখে না।
এবার টুইটারে কামাল আর খান বা কেআরকে-র সঙ্গে কথা হয় অভিষেকের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মালায়ালাম সিনেমা ‘বাশী’-র প্রশংসা করে একটি পোস্ট লেখেন অভিষেক। এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন টবিনো থমাস এবং কীর্তি সুরেশ। টুইটারে অভিষেক লেখেন, ‘আরও একটা দুর্দান্ত সিনেমা উপহার দিচ্ছে মালয়ালম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, শুভ কামনা টবিনো থমাস, কীর্তি সুরেশ এবং ছবির সকল কলাকুশলীদের’।
এই টুইট নিজের ওয়ালে রি-টুইট করে কেআরকে লেখেন, ‘ভাই তোমরা, বলিউডের লোকজনও কখনও একটু অসাধারণ সিনেমা তৈরি করতে পারো!’
কেআরকে-র এই উপদেশের খুব ঠান্ডা মাথায় জবাব দেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় চেষ্টা করব। আপনি তো বানিয়ে ছিলেন না… দেশদ্রোহী’। অভিষেকের এই জবাব দেখে হেসে খুন সোশ্যাল মিডিয়ার বাসিন্দারা। কেআরকে ২০০৮ সালে তৈরি করেছিলেন এই সিনেমা। ‘দেশদ্রোহী’র কাহিনি নিজেই লিখেছেন, হিরোও ছিলেন তিনি, পাশাপাশি প্রয়োজনার দায়িত্বও সামলেছিলেন। বলিউডের সুপারফ্লপ মুভির তালিকায় অন্যতম এটি। ৩ কোটির বাজেটের এই ছবি বক্স অফিসে মাত্র ৮০ লক্ষের ব্যবসা করেছিল। শেষবার ‘এক ভিলেন’ ছবিতে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে কেআরকে-কে।
বলিউডের অন্যতম বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব কেআরকে, তারকাদের সঙ্গে এই স্বঘোষিত ফিল্ম সমালোচকের নিয়মিত বিবাদের কথা কারও অজানা নয়। সালমান থেকে অক্ষয়, সবার সমালোচনায় মুখর থাকেন কেআরকে। এবার অভিষকের কাছ থেকে সঠিক জবাবটাই পেয়েছেন বলে অনেকে বেজায় খুশি।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
২ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৩ ঘণ্টা আগে