আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিটের মা জেন পিট মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘকাল ধরে ছেলে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিভিন্ন রেড কার্পেট অনুষ্ঠান এবং উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে উপস্থিত হয়ে তাঁকে সমর্থন জানিয়ে আসছিলেন। এখন পর্যন্ত জেনের মৃত্যুর সঠিক কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ১৯৬২ সালে জেন ইটা (কন্যা-নাম) বিয়ে করেন উইলিয়াম আলভিন পিটকে। তাঁরা ওকলাহোমা ব্যাপটিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে পরিচিত হন। তাঁদের প্রথম সন্তান ব্র্যাড পিটের জন্ম হয় ১৯৬৩ সালে। পরে আরও দুই সন্তান ডগ, জুলিসহ তাঁরা ওকলাহোমা ও পরে মিজৌরির স্প্রিংফিল্ডে বসবাস করতেন।

ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন পোস্টে জেন পিটের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর নাতনি সিডনি পিট। তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় গ্র্যামি, জেন ইটা, আমরা এখনো তোমাকে বিদায় দিতে প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু এটা জেনে কিছুটা স্বস্তি পাই যে তুমি এখন আবার গাইতে, নাচতে আর ছবি আঁকতে পারবে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যাঁরা গ্র্যামিকে চিনতেন, তাঁরা জানতেন—তাঁর হৃদয় ছিল বিশাল। তিনি সবাইকে ভালোবাসতেন নিঃস্বার্থভাবে। তিনি আমাকে শিখিয়েছেন—কীভাবে ছবি আঁকতে হয়, কীভাবে শক্ত হতে হয়, দরদ দিয়ে নেতৃত্ব দিতে হয়, সবকিছুর মধ্য দিয়ে যিশুকে ভালোবাসতে হয়, আর ছোট ছোট ব্যাপারেও আনন্দ খুঁজে নিতে হয়। তিনি আমাদের জন্য মজার সব খেলা তৈরি করতেন, যাতে আমরা হাসি।’
সিডনি তাঁর ‘স্পেশাল ডে’-এর স্মৃতিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, তাঁরা সকালে আইসক্রিম দিয়ে দিন শুরু করতেন, খেলাধুলা, হস্তশিল্প, পার্কে রাইড, ডিনারে অলিভ গার্ডেন, মিনি গলফ এবং শেষে সিনেমা দেখে ঘুমিয়ে পড়তেন।
সিডনি লেখেন, ‘গ্র্যামি আমাদের ১৪ জন নাতি-নাতনির সঙ্গেই তাল মিলিয়ে চলতেন। ভালোবাসায় তাঁর কোনো সীমা ছিল না। যাঁরা একবারও তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁরা তা অনুভব করেছেন। আমরা জানি না তাঁর অনুপস্থিতিতে কীভাবে এগিয়ে যাব, কিন্তু জানি তিনি রয়ে গেছেন—প্রতিটি তুলির আঁচড়ে, প্রতিটি সদয় আচরণে, প্রতিটি হামিংবার্ডের ডানায়। তিনি ছিলেন ভালোবাসার বিশুদ্ধতম রূপ।’
মায়ের মৃত্যুর বিষয়ে ব্র্যাড পিটের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিটের মা জেন পিট মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘকাল ধরে ছেলে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিভিন্ন রেড কার্পেট অনুষ্ঠান এবং উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে উপস্থিত হয়ে তাঁকে সমর্থন জানিয়ে আসছিলেন। এখন পর্যন্ত জেনের মৃত্যুর সঠিক কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ১৯৬২ সালে জেন ইটা (কন্যা-নাম) বিয়ে করেন উইলিয়াম আলভিন পিটকে। তাঁরা ওকলাহোমা ব্যাপটিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে পরিচিত হন। তাঁদের প্রথম সন্তান ব্র্যাড পিটের জন্ম হয় ১৯৬৩ সালে। পরে আরও দুই সন্তান ডগ, জুলিসহ তাঁরা ওকলাহোমা ও পরে মিজৌরির স্প্রিংফিল্ডে বসবাস করতেন।

ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন পোস্টে জেন পিটের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর নাতনি সিডনি পিট। তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় গ্র্যামি, জেন ইটা, আমরা এখনো তোমাকে বিদায় দিতে প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু এটা জেনে কিছুটা স্বস্তি পাই যে তুমি এখন আবার গাইতে, নাচতে আর ছবি আঁকতে পারবে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যাঁরা গ্র্যামিকে চিনতেন, তাঁরা জানতেন—তাঁর হৃদয় ছিল বিশাল। তিনি সবাইকে ভালোবাসতেন নিঃস্বার্থভাবে। তিনি আমাকে শিখিয়েছেন—কীভাবে ছবি আঁকতে হয়, কীভাবে শক্ত হতে হয়, দরদ দিয়ে নেতৃত্ব দিতে হয়, সবকিছুর মধ্য দিয়ে যিশুকে ভালোবাসতে হয়, আর ছোট ছোট ব্যাপারেও আনন্দ খুঁজে নিতে হয়। তিনি আমাদের জন্য মজার সব খেলা তৈরি করতেন, যাতে আমরা হাসি।’
সিডনি তাঁর ‘স্পেশাল ডে’-এর স্মৃতিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, তাঁরা সকালে আইসক্রিম দিয়ে দিন শুরু করতেন, খেলাধুলা, হস্তশিল্প, পার্কে রাইড, ডিনারে অলিভ গার্ডেন, মিনি গলফ এবং শেষে সিনেমা দেখে ঘুমিয়ে পড়তেন।
সিডনি লেখেন, ‘গ্র্যামি আমাদের ১৪ জন নাতি-নাতনির সঙ্গেই তাল মিলিয়ে চলতেন। ভালোবাসায় তাঁর কোনো সীমা ছিল না। যাঁরা একবারও তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁরা তা অনুভব করেছেন। আমরা জানি না তাঁর অনুপস্থিতিতে কীভাবে এগিয়ে যাব, কিন্তু জানি তিনি রয়ে গেছেন—প্রতিটি তুলির আঁচড়ে, প্রতিটি সদয় আচরণে, প্রতিটি হামিংবার্ডের ডানায়। তিনি ছিলেন ভালোবাসার বিশুদ্ধতম রূপ।’
মায়ের মৃত্যুর বিষয়ে ব্র্যাড পিটের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

প্রতি বছর শীতের মৌসুমে নতুনভাবে জেগে ওঠে সংগীতাঙ্গন। এ সময়ে শহরে গ্রামে আয়োজিত হয় গানের অনুষ্ঠান। শিল্পীরা ব্যস্ত সময় কাটান ইনডোর ও আউটডোরে আয়োজিত এসব কনসার্টে। শ্রোতারাও সামনাসামনি প্রিয় শিল্পী ও ব্যান্ডের পারফরম্যান্স উপভোগের সুযোগ পান।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কয়েকটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ। উৎসবে আজ প্রিমিয়ার হবে আহমেদ হাসান সানি পরিচালিত বাংলাদেশের সিনেমা ‘এখানে রাজনৈতিক...
৭ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দুই শুক্রবার মুক্তি পায়নি কোনো সিনেমা। অবশেষে তৃতীয় শুক্রবার থেকে নতুন সিনেমার পোস্টার পড়ল প্রেক্ষাগৃহে। দেশের সিনেমা ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’র সঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে স্প্যানিশ নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা পরিচালিত অ্যানিমেশন সিনেমা ‘সুলতানাস ড্রিম’।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের জন্য দর্শকদের নজর থাকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ সপ্তাহেও মুক্তি পাচ্ছে নানা দেশের, নানা ভাষার কনটেন্ট। বাছাই করা এমন কিছু কনটেন্টের খোঁজ থাকছে এ প্রতিবেদনে।
৭ ঘণ্টা আগে