
সম্পূরক বৃত্তির দাবিতে ফের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব। আজ বুধবার দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচ তলায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এ কে এম রাকিব বলেন, ‘ছুটিতে আমেরিকা যাওয়ার আগে সম্পূরক বৃত্তির বিষয়ে আপনাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা আপনাকে কোথাও যেতে দেবে না। আর যদি যেতেই হয়, আমাদেরকে একেবারে মুক্তি দিয়ে যান।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও দুটি আবাসিক হলের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ৭০ শতাংশ আবাসন ভাতা প্রদানের দাবিতে “লং মার্চ টু যমুনা” কর্মসূচি পালন করেছি। ওই কর্মসূচিতে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হলে আমরা পুনরায় একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরেছি। তবে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূরক বৃত্তি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। প্রশাসন জকসুর প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার একসঙ্গে পুরো অর্থ দিতে পারবে না, বরং দুই বা তিন কিস্তিতে অর্থ প্রদান করা হবে।’
এ কে এম রাকিব আরও বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে সম্পূরক বৃত্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং আবাসন সংকট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সে বিষয়ে এখনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা দেয়নি। সম্পূরক বৃত্তির দাবিতে শেষবারের মতো আমরা আন্দোলনের ঘোষণা দিচ্ছি। দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান প্রামাণিক, জকসুর ছাত্রদল সমর্থিত পরিবহন সম্পাদক মাহিদ হোসেন, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়সাল রাকিব ও কার্যনির্বাহী সদস্য সাদমান সাম্য উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষকদের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রতিমন্ত্রী। আন্দোলনকারীদের চলমান প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রেখে অযথা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার...
৩২ মিনিট আগে
জুলাই-আগস্টের পরবর্তী সময়ে ছাত্র রাজনীতি হবে পেশিশক্তিমুক্ত, অস্ত্রমুক্ত এবং সন্ত্রাসমুক্ত। আন্ডারগ্রাউন্ড কোনো রাজনীতি আমরা দেখতে চাই না...
২ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হলেও তা যাচাই না করে প্রচার করলে শিক্ষার্থীরা..
৪ ঘণ্টা আগে
ভর্তি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা-সমন্বয়হীনতার কারণে দেশের শিক্ষার্থীদের এক বছরে সম্মিলিতভাবে প্রায় ‘৪০ লাখ’ বছর সময় অপচয় হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
৬ ঘণ্টা আগে