
রাজধানীর সরকারি সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সব পদে (একাডেমিক ও প্রশাসনিক) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন কলেজগুলোর শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকেরা। একই সঙ্গে তাঁরা স্কুলভিত্তিক অনুষদ পদ্ধতিও বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে কলেজগুলোর শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকেরা এসব দাবি জানান। ‘সাত কলেজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষা পরিষদ’ নামে কলেজগুলোর শিক্ষকদের সংগঠনের ব্যানারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘খসড়া অধ্যাদেশে যে স্কুলিং পদ্ধতির কথা বলা হচ্ছে, তা বাতিল চাই। একই সঙ্গে কলেজগুলোর স্বতন্ত্র কাঠামো বজায় রেখে প্রস্তাবিত ইউনিভার্সিটির একাডেমিক ও প্রশাসনিক পদে বিসিএসে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে অধ্যাদেশ জারির দাবি জানাচ্ছি।’
সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক পদগুলোতেও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হোক। আর প্রশাসনিক পদগুলোতে (উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ বা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।’
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে এ নিয়ে কলেজগুলোর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সাতটি কলেজসহ সারা দেশের সরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা বঞ্চিত হবে বলে শঙ্কায় আছেন। আর কলেজগুলোর বর্তমান শিক্ষার্থীরা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবি জানিয়েছেন।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। খসড়ায় সাতটি কলেজকে চারটি স্কুলে বিভক্ত করে ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি’ কাঠামোতে বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী কলেজগুলোর উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠদানও চালু থাকবে। তবে এ কাঠামোর বিরোধিতা করছে সাত কলেজে কর্মরত শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাত কলেজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষা পরিষদ’।
গতকাল সোমবার রাতে তোপখানা রোডে শিক্ষাবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের করে পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহফিল আরা বেগম খসড়া অধ্যাদেশে বাতিলের দাবিতে কর্মসূচি তুলে ধরেন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামীকাল বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সারা দেশের সব সরকারি কলেজে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন, ৪ ডিসেম্বর পাবলিক পরীক্ষা বন্ধসহ সাত কলেজে সর্বাত্মক কর্মবিরতি, ৬ ডিসেম্বর বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যের অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহাসমাবেশ। এরপরও যদি ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়, তাহলে দেশের সব সরকারি কলেজ ও দপ্তরে অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক কর্মবিরতি।
এদিকে রাজধানীর ইডেন কলেজকে শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত করার দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি দুই দিনের মধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আলটিমেটাম দিয়েছেন তাঁরা।
আজ মঙ্গলবার কলেজ ক্যাম্পাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তাঁরা।

শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনার পরিবেশ সৃষ্টি, জাতীয় কারিকুলাম (পাঠ্যক্রম) পর্যালোচনা এবং কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন—এই তিন বিষয়কে শিক্ষার অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণের সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৯৯৫ টাকা। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে এই ফি দিতে হবে। আর মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণে ২ হাজার ৪৩৫ টাকা ফি ফিতে হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ‘যত্রতত্র অনিবন্ধিত বা অস্থায়ী অবকাঠামোয় স্কুল পরিচালনা গ্রহণযোগ্য নয়। স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে...
১৭ ঘণ্টা আগে