বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের বিভিন্ন সংস্থায় কর্মরত পেশাজীবীরা ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
ফেলোশিপের লক্ষ্য
- অর্থনৈতিক উন্নয়ন
- জননীতি বিশ্লেষণ ও জনপ্রশাসন
- মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা
- যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
- আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা
- আইন ও মানবাধিকার
- মানব পাচার নীতি ও প্রতিরোধ
- কৃষি ও পল্লি উন্নয়ন
- প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশগত নীতি ও জলবায়ু পরিবর্তন
- নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা
- ছোঁয়াচে ও সংক্রামক রোগ
- জনস্বাস্থ্য নীতি ও ব্যবস্থাপনা
- এইচআইভি/ এইডস, নীতি ও প্রতিরোধ
- মাদকের অপব্যবহারবিষয়ক শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- শিক্ষা প্রশাসন, পরিকল্পনা ও নীতি
- উচ্চশিক্ষা প্রশাসন
- বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজি শেখানো
- বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। আবেদন করা ও আবেদনপত্র বাছাই-প্রক্রিয়া চলাকালে বাংলাদেশে অবস্থান করতে হবে।
- দ্বৈত নাগরিক (বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র) কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া যাবে না।
- আবেদনকারীকে অবশ্যই তরুণ ও মধ্যপর্যায়ের নেতৃত্বশীল পদে থাকা পেশাজীবী হতে হবে।
- সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন এমন কেউ হতে পারবেন না।
- পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে চার বছরের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করার সনদ থাকতে হবে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের পর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচ বছরের পূর্ণকালীন কাজ করার পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে। সফল প্রার্থীদের মেডিকেল পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা হবে।
- ফেলোশিপ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে।









-1-e184c3-256x144.webp)
