
ব্যান্টিং পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই সেরা পোস্ট ডক্টরাল আবেদনকারীদের অর্থায়ন করে, যাঁরা দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও গবেষণাভিত্তিক বৃদ্ধিতে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখবেন। ব্যান্টিং পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে শীর্ষ স্তরের পোস্ট ডক্টরাল প্রতিভা আকর্ষণ করে গবেষণায় কাজে লাগানো, তাঁদের নেতৃত্বের সম্ভাবনা বিকাশ করা এবং আগামীর গবেষণা লিডার হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করা।
সুযোগ-সুবিধা
আবেদনের সময়সীমা
২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ আবেদন জমা দিতে হবে। এ বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর আবেদনপত্রগুলো মূল্যায়ন করা হবে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ফলাফলের প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। রিসার্চনেটে ফলাফল পাওয়া গেলে আবেদনকারীদের ই-মেইল দ্বারা অবহিত করা হবে। এই ফেলোশিপে আবেদন করতে অবশ্যই পিএইচডি সম্পন্নকারী হতে হবে। যেহেতু এটি পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ। ফলে পিএইচডি সম্পন্ন করে পুনরায় রিসার্চ করার নামই পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চ। যাঁরা স্থানীয় কানাডিয়ান বাসিন্দা নন, এমন শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপটি পাবেন। কেবলমাত্র কানাডিয়ান ইনস্টিটিউটে আবেদনকারীরা স্কলারশিপটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফেলোশিপটি পাওয়া যাবে একবারই। আর আপনি যদি সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ চালাতে পারেন, সেটা আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট।
ফেলোশিপ পেতে গবেষণা
এই ফেলোশিপ পেতে স্বাস্থ্য গবেষণা, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অথবা প্রকৌশল, সামাজিক বিজ্ঞান এবং মানবিক সেক্টরে গবেষণা করতে হবে। গবেষণার প্রস্তাবিত ক্ষেত্রটি আপনার আবেদনটি কোন নির্বাচন কমিটির কাছে বরাদ্দ করা হবে, তা নির্ধারণ করে। স্বাস্থ্য গবেষণা-সম্পর্কিত আবেদনগুলো কানাডিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ রিসার্চ (সিআইএইচআর) নির্বাচন কমিটিতে, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অথবা প্রকৌশল সম্পর্কিত ন্যাচারাল সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ কাউন্সিল (এনএসইআরসি) নির্বাচন কমিটির কাছে এবং সামাজিক বিজ্ঞানের সঙ্গে-সম্পর্কিত আবেদনগুলো পাঠানো হবে সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক গবেষণা কাউন্সিল নির্বাচন কমিটিতে।
আবেদন করতে লিংকটি ভিজিট করুন (http://-banting.fellowships-bourses.gc.ca/en/app-dem_overview-apercu.html)
আবেদনের গাইডলাইন পেতে ভিজিট করুন-
অনুবাদ: জুবায়ের আহম্মেদ

ব্যান্টিং পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই সেরা পোস্ট ডক্টরাল আবেদনকারীদের অর্থায়ন করে, যাঁরা দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও গবেষণাভিত্তিক বৃদ্ধিতে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখবেন। ব্যান্টিং পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে শীর্ষ স্তরের পোস্ট ডক্টরাল প্রতিভা আকর্ষণ করে গবেষণায় কাজে লাগানো, তাঁদের নেতৃত্বের সম্ভাবনা বিকাশ করা এবং আগামীর গবেষণা লিডার হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করা।
সুযোগ-সুবিধা
আবেদনের সময়সীমা
২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ আবেদন জমা দিতে হবে। এ বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর আবেদনপত্রগুলো মূল্যায়ন করা হবে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ফলাফলের প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। রিসার্চনেটে ফলাফল পাওয়া গেলে আবেদনকারীদের ই-মেইল দ্বারা অবহিত করা হবে। এই ফেলোশিপে আবেদন করতে অবশ্যই পিএইচডি সম্পন্নকারী হতে হবে। যেহেতু এটি পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ। ফলে পিএইচডি সম্পন্ন করে পুনরায় রিসার্চ করার নামই পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চ। যাঁরা স্থানীয় কানাডিয়ান বাসিন্দা নন, এমন শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপটি পাবেন। কেবলমাত্র কানাডিয়ান ইনস্টিটিউটে আবেদনকারীরা স্কলারশিপটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফেলোশিপটি পাওয়া যাবে একবারই। আর আপনি যদি সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ চালাতে পারেন, সেটা আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট।
ফেলোশিপ পেতে গবেষণা
এই ফেলোশিপ পেতে স্বাস্থ্য গবেষণা, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অথবা প্রকৌশল, সামাজিক বিজ্ঞান এবং মানবিক সেক্টরে গবেষণা করতে হবে। গবেষণার প্রস্তাবিত ক্ষেত্রটি আপনার আবেদনটি কোন নির্বাচন কমিটির কাছে বরাদ্দ করা হবে, তা নির্ধারণ করে। স্বাস্থ্য গবেষণা-সম্পর্কিত আবেদনগুলো কানাডিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ রিসার্চ (সিআইএইচআর) নির্বাচন কমিটিতে, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অথবা প্রকৌশল সম্পর্কিত ন্যাচারাল সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ কাউন্সিল (এনএসইআরসি) নির্বাচন কমিটির কাছে এবং সামাজিক বিজ্ঞানের সঙ্গে-সম্পর্কিত আবেদনগুলো পাঠানো হবে সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক গবেষণা কাউন্সিল নির্বাচন কমিটিতে।
আবেদন করতে লিংকটি ভিজিট করুন (http://-banting.fellowships-bourses.gc.ca/en/app-dem_overview-apercu.html)
আবেদনের গাইডলাইন পেতে ভিজিট করুন-
অনুবাদ: জুবায়ের আহম্মেদ

স্কাউট আন্দোলনের মাধ্যমে মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নম্বর টু দ্য ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রোভার-এর সাবেক সিনিয়র রোভারমেট ও যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী।
১ ঘণ্টা আগে
আরও একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার যাত্রা শুরু হলো ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে রাজধানীর বনানীর ইউসিএসআই ক্যাম্পাস। সম্প্রতি জানুয়ারি-২০২৬ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর দেশের লক্ষাধিক শিক্ষার্থী মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির স্বপ্ন নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। এবারও সরকারি ও বেসরকারি এমবিবিএস-বিডিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। পাসের হার ৬৬.৫৭ শতাংশ।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের হার ছিল ৮৭.৪৪ শতাংশ।
৩ ঘণ্টা আগে