রিয়াসাদ হক

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা একটু কম খরচে উন্নতমানের উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চান, তাঁদের কাছে হংকং একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। কারণ, এখানে উচ্চ র্যাংকিংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি আছে স্কলারশিপের ব্যবস্থা। আর পড়াশোনা শেষে ভালো বেতনের হাতছানি তো রয়েছেই। হংকংয়ের ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় কিউএস র্যাংকিংয়ে সেরা ৫০০-এর মধ্যে জায়গা করে নেয়। এর মধ্যে ২১তম ছিল দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকং। হংকংয়ে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আরও রয়েছে সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি, লিংনান ইউনিভার্সিটি এবং দ্য হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।
কেন পড়বেন
টিউশন ফি
বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে টিউশন ফির তারতম্য রয়েছে। সাধারণত বছরে গড়ে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার হংকং ডলার হয়ে থাকে। তবে মজার ব্যাপার হলো, এখানে প্রায় সব শিক্ষার্থীই স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করেন। তাই খরচটাও কমে আসে। মূলত একাডেমিক ফলাফল, নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে এসব স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে।
আপনার যদি গবেষণার প্রতি আগ্রহ থাকে, তাহলে হংকং আপনার জন্য এক আদর্শ জায়গা। সেকেন্ড ইয়ার থেকেই আপনি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করতে পারবেন।
আবেদন প্রক্রিয়া
হংকংয়ে ভর্তির সুযোগ থাকে বছরে দুবার—জানুয়ারির মাঝামাঝি ও সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে। এখানে দুভাবে আবেদন করা যায়— অনলাইনে অথবা ডাকযোগে। দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ডাকযোগের চেয়ে অনলাইনে আবেদন করাই শ্রেয়। তবে মনে রাখবেন, সেশন শুরু হওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন মাস আগেই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ও আবেদনের কাজটি সেরে ফেলতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফার লেটার পাঠানোর পরের ধাপেই ভিসা আবেদন করতে হবে। ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হয় হংকং কনস্যুলেট অথবা চীনা দূতাবাসে। ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ছয় সপ্তাহ লাগে। আবেদন করতে প্রথমেই হংকংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি লিস্ট তৈরি করে ফেলুন। এরপর প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখুন, কোনটা আপনার কাছে ভালো মনে হয়। হাই র্যাংকের বিশ্ববিদ্যালয়েই যে আবেদন করতে হবে, তা নয়। একটু নিচের সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো গবেষণার সুযোগ তুলনামূলক বেশি। প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।
আপনি যদি ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার আইইএলটিএস দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু এ লেভেলের সার্টিফিকেট ও মার্কশিট দিলেই হবে। বাংলা মাধ্যমের হলে এসএসসি-এইচএসসি সার্টিফিকেটের পাশাপাশি আইইএলটিএস স্কোরও প্রয়োজন।
আবেদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তবে স্নাতক লেভেলে সবাইকেই সাক্ষাৎকার দিতে হবে। এ ছাড়া আপনি যদি স্কলারশিপ পেতে চান, সে ক্ষেত্রে ‘এ’ লেভেলে ‘এ স্টার’ এবং এইচএসসিতে আপনাকে ৯০-৯৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
রিয়াসাদ হক, শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সায়েন্স, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি
অনুলিখন: মুসাররাত আবির

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা একটু কম খরচে উন্নতমানের উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চান, তাঁদের কাছে হংকং একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। কারণ, এখানে উচ্চ র্যাংকিংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি আছে স্কলারশিপের ব্যবস্থা। আর পড়াশোনা শেষে ভালো বেতনের হাতছানি তো রয়েছেই। হংকংয়ের ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় কিউএস র্যাংকিংয়ে সেরা ৫০০-এর মধ্যে জায়গা করে নেয়। এর মধ্যে ২১তম ছিল দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকং। হংকংয়ে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আরও রয়েছে সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি, লিংনান ইউনিভার্সিটি এবং দ্য হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।
কেন পড়বেন
টিউশন ফি
বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে টিউশন ফির তারতম্য রয়েছে। সাধারণত বছরে গড়ে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার হংকং ডলার হয়ে থাকে। তবে মজার ব্যাপার হলো, এখানে প্রায় সব শিক্ষার্থীই স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করেন। তাই খরচটাও কমে আসে। মূলত একাডেমিক ফলাফল, নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে এসব স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে।
আপনার যদি গবেষণার প্রতি আগ্রহ থাকে, তাহলে হংকং আপনার জন্য এক আদর্শ জায়গা। সেকেন্ড ইয়ার থেকেই আপনি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করতে পারবেন।
আবেদন প্রক্রিয়া
হংকংয়ে ভর্তির সুযোগ থাকে বছরে দুবার—জানুয়ারির মাঝামাঝি ও সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে। এখানে দুভাবে আবেদন করা যায়— অনলাইনে অথবা ডাকযোগে। দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ডাকযোগের চেয়ে অনলাইনে আবেদন করাই শ্রেয়। তবে মনে রাখবেন, সেশন শুরু হওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন মাস আগেই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ও আবেদনের কাজটি সেরে ফেলতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফার লেটার পাঠানোর পরের ধাপেই ভিসা আবেদন করতে হবে। ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হয় হংকং কনস্যুলেট অথবা চীনা দূতাবাসে। ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ছয় সপ্তাহ লাগে। আবেদন করতে প্রথমেই হংকংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি লিস্ট তৈরি করে ফেলুন। এরপর প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখুন, কোনটা আপনার কাছে ভালো মনে হয়। হাই র্যাংকের বিশ্ববিদ্যালয়েই যে আবেদন করতে হবে, তা নয়। একটু নিচের সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো গবেষণার সুযোগ তুলনামূলক বেশি। প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।
আপনি যদি ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার আইইএলটিএস দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু এ লেভেলের সার্টিফিকেট ও মার্কশিট দিলেই হবে। বাংলা মাধ্যমের হলে এসএসসি-এইচএসসি সার্টিফিকেটের পাশাপাশি আইইএলটিএস স্কোরও প্রয়োজন।
আবেদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তবে স্নাতক লেভেলে সবাইকেই সাক্ষাৎকার দিতে হবে। এ ছাড়া আপনি যদি স্কলারশিপ পেতে চান, সে ক্ষেত্রে ‘এ’ লেভেলে ‘এ স্টার’ এবং এইচএসসিতে আপনাকে ৯০-৯৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
রিয়াসাদ হক, শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সায়েন্স, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি
অনুলিখন: মুসাররাত আবির

৬ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চার দফা দাবি জানিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা চার প্যানেলেসহ স্বতন্ত্র পদপ্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপাচার্য বরাবর সম্মিলিতভাবে এ দাবি জানান তাঁরা।
৩ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই ভোট গ্রহণ সাত দিন পেছানো হলো।
৩ দিন আগে
রোববার বাংলা, সোমবার ইংরেজি, মঙ্গলবার গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবারের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ জানুয়ারি।
৩ দিন আগে