
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে বেড়াচ্ছেন, ইরান এ যুদ্ধের ইতি টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে; তারা চুক্তি চাইছে। তবে ইরানের দিক থেকে প্রকাশ্যে এমন কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। এই যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে নিজের কূটনৈতিক চেষ্টাকে নিজে ধ্বংস করেছেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যকে মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজ পাঠানো নিয়ে ঝামেলা করতে নিষেধ করেছিলেন। এর কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেছিলেন, ইতিমধ্যেই ইরান যুদ্ধে জিতে গেছেন। এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশেষ সম্পর্ক’ থাকা মিত্র—ন্যাটো জোটের সদস্যদেশগুলোকে এবং চীনকেও হরমুজ প্রণালিতে...

রাতের অন্ধকার আকাশ চিরে কমলা রঙের ক্ষুদ্র আলোর বিন্দুগুলো ছুটে যাচ্ছে, আর পেছনে বাজছে বিমান হামলার সতর্ক সাইরেন। এটি এক অস্বস্তিকর দৃশ্য, যা ইসরায়েলে যুদ্ধের এক নিয়মিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। কারণ, ইরান ক্রমশ তার কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেডে ক্লাস্টার মিউনিশন সংযোজন করছে, যার লক্ষ্য

ইরান আগেই সতর্ক করেছিল—দেশটির ওপর কোনো হামলা হলে তা পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হয়তো সেই সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দেয়নি, অথবা তারা মনে করেছিল এই ঝুঁকি নেওয়া যায়। যুদ্ধ শুরুর ১১ দিন পর দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি মূল্য দিচ্ছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো।