
ইরান যুদ্ধের বাস্তব চিত্রে স্পষ্ট কোনো বিজয়ী নেই; বরং ইরানের জনগণ, লেবানন, উপসাগরীয় দেশ, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে, আর চীন, জ্বালানি কোম্পানি ও আংশিকভাবে রাশিয়া কিছু কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা পেলেও দীর্ঘমেয়াদে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

বিশ্বের মোট পলিপ্রোপাইলিনের ২৫ শতাংশ ও পলিথিন উৎপাদনের ২০ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এ ছাড়া বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ সালফার ও ১৫ শতাংশ সারের জোগান দেয় এই অঞ্চল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে বেড়াচ্ছেন, ইরান এ যুদ্ধের ইতি টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে; তারা চুক্তি চাইছে। তবে ইরানের দিক থেকে প্রকাশ্যে এমন কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। এই যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে নিজের কূটনৈতিক চেষ্টাকে নিজে ধ্বংস করেছেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যকে মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজ পাঠানো নিয়ে ঝামেলা করতে নিষেধ করেছিলেন। এর কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেছিলেন, ইতিমধ্যেই ইরান যুদ্ধে জিতে গেছেন। এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশেষ সম্পর্ক’ থাকা মিত্র—ন্যাটো জোটের সদস্যদেশগুলোকে এবং চীনকেও হরমুজ প্রণালিতে...