কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে বৃদ্ধা মা আম্বিয়া খাতুনকে (৭০) তাঁর সন্তানেরা অর্থ ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে থানায় মামলা দায়ের করেছেন মৃতের বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান। গতকাল রোববার রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামে বৃদ্ধার ছোট ছেলে শেখ শরিফুজ্জামান শিমুলের (৪৫) বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আম্বিয়া খাতুন ওই গ্রামের মৃত আনছার আলীর স্ত্রী।
মামলা সূত্রে ও সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা বলেন, আম্বিয়া খাতুনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর পেনশনের টাকা ও জমিজমার একটি অংশ আম্বিয়া খাতুনের নামে ছিল। মায়ের ওই সম্পদ নিয়ে বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান, ছোট ছেলে শরিফুজ্জামান ও চার মেয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
এরই মধ্যে ছেলেরা বিভিন্ন সময় তাঁদের মাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। আম্বিয়া খাতুন গত এক সপ্তাহ মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। শুক্রবার সকালে মেয়ের বাড়ি থেকে ছোট ছেলে শরিফুজ্জামানের বাড়িতে আসেন।
পরদিন ভোরে তাঁ রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পাই। এ সময় পুলিশে খবর দেওয়ার কথা জানালে ছেলেরা অস্বীকৃতি জানায়। এতে গ্রামবাসীরা ধারণা করেন, পরিকল্পিতভাবে ছেলেরা তাঁর মাকে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে বলে মনে করছি।
নিহতের ছোট ছেলে বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমার মা রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির দুতলায় নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। আমি এবং আমার পরিবার নিচের ঘরে ঘুমাই। মা রাতে একাই দুতলায় ঘুমান। সাহরি খাওয়ার সময় মাকে ডাকতে যেয়ে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। মায়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে
মৃত আম্বিয়া খাতুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত কেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম মোস্তফা বলেন, নিহত বৃদ্ধা আম্বিয়া খাতুনের বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল রাতে অজ্ঞাত আসামিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-১৪। অতি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে বৃদ্ধা মা আম্বিয়া খাতুনকে (৭০) তাঁর সন্তানেরা অর্থ ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে থানায় মামলা দায়ের করেছেন মৃতের বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান। গতকাল রোববার রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামে বৃদ্ধার ছোট ছেলে শেখ শরিফুজ্জামান শিমুলের (৪৫) বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আম্বিয়া খাতুন ওই গ্রামের মৃত আনছার আলীর স্ত্রী।
মামলা সূত্রে ও সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা বলেন, আম্বিয়া খাতুনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর পেনশনের টাকা ও জমিজমার একটি অংশ আম্বিয়া খাতুনের নামে ছিল। মায়ের ওই সম্পদ নিয়ে বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান, ছোট ছেলে শরিফুজ্জামান ও চার মেয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
এরই মধ্যে ছেলেরা বিভিন্ন সময় তাঁদের মাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। আম্বিয়া খাতুন গত এক সপ্তাহ মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। শুক্রবার সকালে মেয়ের বাড়ি থেকে ছোট ছেলে শরিফুজ্জামানের বাড়িতে আসেন।
পরদিন ভোরে তাঁ রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পাই। এ সময় পুলিশে খবর দেওয়ার কথা জানালে ছেলেরা অস্বীকৃতি জানায়। এতে গ্রামবাসীরা ধারণা করেন, পরিকল্পিতভাবে ছেলেরা তাঁর মাকে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে বলে মনে করছি।
নিহতের ছোট ছেলে বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমার মা রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির দুতলায় নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। আমি এবং আমার পরিবার নিচের ঘরে ঘুমাই। মা রাতে একাই দুতলায় ঘুমান। সাহরি খাওয়ার সময় মাকে ডাকতে যেয়ে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। মায়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে
মৃত আম্বিয়া খাতুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত কেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম মোস্তফা বলেন, নিহত বৃদ্ধা আম্বিয়া খাতুনের বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল রাতে অজ্ঞাত আসামিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-১৪। অতি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে