Ajker Patrika

৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ১২: ৩৮
৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন এরই মধ্যে বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রোববার বলেছেন, রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে স্থাপিত হোল্ডিং সেন্টারগুলো থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন তথাকথিত ‘অবৈধ অভিবাসী’কে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া, আরও ৮৩৬ জন বর্তমানে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারী এই সংখ্যা জানালেও কবে, কখন এবং কোন সীমান্তে দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। একই সঙ্গে, এসব ‘অবৈধ অভিবাসী’র পরিচয় কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে সেই বিষয়ে এখনো ভারত সরকার বা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপির বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ মোকাবিলা এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত করা তার সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানান, সীমান্তের যে ৫৫৬ কিলোমিটার অংশে এখনো বেড়া নির্মাণ করা বাকি রয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে জমি হস্তান্তর করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ১০০ কিলোমিটার জমি বিএসএফকে দিয়েছি এবং উত্তরবঙ্গের চিকেনস নেক করিডরকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।’

সিলিগুড়ি করিডর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে বেশি পরিচিত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে দেশের বাকি অংশের সংযোগ রক্ষাকারী একটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। সরকারের প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে অধিকারী বলেন, যেসব অবৈধ অভিবাসী নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় পড়েন না, তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের বিধি অনুসারে সরাসরি বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, দেশের অন্যান্য অংশে এ ধরনের বিধান কার্যকর করা হলেও পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে অবৈধ অভিবাসীরা সরকারি খরচে রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে অবস্থান করার সুযোগ পেয়েছে।

এদিকে, গতকাল রোববার পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করা ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার দিবাগত রাতে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় সীমান্তের ফ্লাডলাইটও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সোমবার দিবাগত রাতে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় সীমান্তের ফ্লাডলাইটও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত