
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা ও অনুষ্ঠানে ‘প্রটোকল’ লঙ্ঘনের অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে দিল্লির রাজনীতি। এ ঘটনায় রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে কৈফিয়ত চেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব চারটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন। প্রথমত, রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে ও বিদায় দিতে মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশ মহাপরিচালক (ডিজিপি) কেন উপস্থিত ছিলেন না? দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রপতির জন্য তৈরি করা বিশ্রামাগারে পানি ছিল না কেন? তৃতীয়ত, প্রশাসন রাষ্ট্রপতির চলাচলের জন্য যে রুট বেছে নিয়েছিল, সেটি আবর্জনায় ভরা ছিল কেন?
চতুর্থত, এই গাফিলতির জন্য দায়ী দার্জিলিংয়ের জেলা শাসক (ডিএম), শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার (সিপি) ও অতিরিক্ত জেলা শাসকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
স্বরাষ্ট্রসচিব আজ রোববার বিকেল ৫টার মধ্যে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গতকাল শিলিগুড়ির এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রপতি নিজেও অব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি যখন আসেন, মুখ্যমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা উচিত। কিন্তু তিনি (মুখ্যমন্ত্রী) আসেননি। সম্ভবত রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না এবং সে কারণেই তাঁদের এখানে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ছোট বোন’ সম্বোধন করে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘আমিও বাংলার মেয়ে...আমি জানি না তিনি (মমতা) কেন মন খারাপ করেছেন, সম্ভবত সে কারণেই অনুষ্ঠানস্থল পরিবর্তন করা হয়েছে। যা-ই হোক, তাতে কিছু যায়-আসে না।’
এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর কড়া জবাব দিয়েছেন। তাঁর দাবি, একটি বেসরকারি সংস্থার আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি শিলিগুড়িতে গিয়েছিলেন এবং আয়োজকদের যে প্রস্তুতির অভাব ছিল, তা আগেভাগেই রাষ্ট্রপতি সচিবালয়কে জানানো হয়েছিল।
মমতা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী শিলিগুড়ির মেয়র, ডিএম ও পুলিশ কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বিদায় দিয়েছেন। আমি সেই তালিকার অংশ ছিলাম না। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রটোকললঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ পদটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে অপব্যবহার করছে।’
তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও আক্রমণাত্মক সুরে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী, ১০ জন মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো এক হয়ে বাংলার বিরুদ্ধে লড়ছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তৃণমূল সরকার সব সীমা অতিক্রম করেছে। রাষ্ট্রপতির পদ রাজনীতির ঊর্ধ্বে এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করা উচিত। আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে আসা একজন রাষ্ট্রপতির প্রতি এই অপমান পুরো দেশকে ব্যথিত করেছে। ‘সাঁওতাল সংস্কৃতি’র মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে রাজ্য সরকার অবহেলা করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

র্যাবের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছু আত্মসমর্পণকারী সদস্যের আবারও পুরোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে তাঁদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে...
২ দিন আগে
ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুকদের মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চাঁদাবাজির টাকা আদায়ের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১৫ দিন আগে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা সিটি ডেভেলপার্স হাউজিং ও একেপিচ টাওয়ার মার্কেটে চাঁদা দাবি করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া মো. ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপর তাঁকে ঘটনাস্থল এলাকায় ঘুরিয়ে থানায় নেওয়া হয়। আজ রোববার দুপুরে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের একটি দল তাঁকে ওই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
১৮ দিন আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থের বড় অংশ অনলাইন জুয়ার সাইটে ব্যয় করা হয়েছে। তবে ওসি দাবি করেছেন, একটি চক্র তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে এসব
১৯ দিন আগে