ক্রীড়া ডেস্ক

আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের (আফকন) সেমিফাইনালের অপেক্ষা ফুরাল মরক্কোর। শুক্রবার দিবাগত রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছে গেছে মরক্কানরা। এর মাধ্যমে ২২ বছর পর আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চের সেমিফাইনালে পা রাখল দলটি।
এর আগে সবশেষ ২০০৪ সালে আফকনের সেমিফাইনালে খেলেছিল মরক্কো। এরপর তাদের সর্বোচ্চ অর্জন ছিল শেষ আট। সেই বাধা পার করে শেষ চারে জায়গা করে নিলেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না দলটির কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই। আপাতত মাটিতে পা রেখে শিরোপায় নজর তাঁর।
রাবার প্রিন্স মৌলে আব্দেল্লাহ স্টেডিয়ামে দুই অর্ধে একটি করে গোলের দেখা পায় মরক্কো। ২৬ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার ব্রাহিম দিয়াস আয়োজকদের লিড এনে দেন। ৫ ম্যাচে সমান গোল করলেন এই তারকা ফুটবলার। ৭৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ইসমাইল সাইবারি। দ্বিতীয়ার্ধে ভালো ফুটবল খেললেও মরক্কোর ২ গোলের জবাব দিতে পারেনি ক্যামেরুন।
সেমিফাইনালে ওঠার পর রেগরাগুই বলেন, ‘খেলা চালিয়ে যেতে হবে। টুর্নামেন্টে আমরা এখনো কিছুই করতে পারিনি। কাতার বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে এমন পারফরম্যান্স দেখলাম। বিশ্বকাপের পর এটা সেরা ছিল। প্রচুর চাপের মধ্যেও ছেলেরা ভালো ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের জন্যই পরিস্থিতি কিছুটা সমান ছিল। এরপরও জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল।’
২০০৪ সালে সেমিফাইনাল জিতে ফাইনাল খেলে মরক্কো। কিন্তু তিউনিসিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। এবার আর সে ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চান না রেগরাগুই। বাকি ২ ম্যাচ জিতে দলকে শিরোপার স্বাদ এনে দিতে বদ্ধপরিকর তিনি। রেগরাগুই বলেন, ‘মরক্কোর জন্য এটা ঐতিহাসিক। ২২ বছর ধরে ভক্তরা তাদের দলকে আফকনের সেমিফাইনালে দেখেনি। তারা এমন মুহূর্ত দেখার জন্য যোগ্য। জিতলেও আমাদের পা মাটিতে রাখতে হবে। এই মুহূর্তটিকে আরও ঐতিহাসিক করে তুলতে হবে।’

আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের (আফকন) সেমিফাইনালের অপেক্ষা ফুরাল মরক্কোর। শুক্রবার দিবাগত রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছে গেছে মরক্কানরা। এর মাধ্যমে ২২ বছর পর আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চের সেমিফাইনালে পা রাখল দলটি।
এর আগে সবশেষ ২০০৪ সালে আফকনের সেমিফাইনালে খেলেছিল মরক্কো। এরপর তাদের সর্বোচ্চ অর্জন ছিল শেষ আট। সেই বাধা পার করে শেষ চারে জায়গা করে নিলেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না দলটির কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই। আপাতত মাটিতে পা রেখে শিরোপায় নজর তাঁর।
রাবার প্রিন্স মৌলে আব্দেল্লাহ স্টেডিয়ামে দুই অর্ধে একটি করে গোলের দেখা পায় মরক্কো। ২৬ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার ব্রাহিম দিয়াস আয়োজকদের লিড এনে দেন। ৫ ম্যাচে সমান গোল করলেন এই তারকা ফুটবলার। ৭৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ইসমাইল সাইবারি। দ্বিতীয়ার্ধে ভালো ফুটবল খেললেও মরক্কোর ২ গোলের জবাব দিতে পারেনি ক্যামেরুন।
সেমিফাইনালে ওঠার পর রেগরাগুই বলেন, ‘খেলা চালিয়ে যেতে হবে। টুর্নামেন্টে আমরা এখনো কিছুই করতে পারিনি। কাতার বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে এমন পারফরম্যান্স দেখলাম। বিশ্বকাপের পর এটা সেরা ছিল। প্রচুর চাপের মধ্যেও ছেলেরা ভালো ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের জন্যই পরিস্থিতি কিছুটা সমান ছিল। এরপরও জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল।’
২০০৪ সালে সেমিফাইনাল জিতে ফাইনাল খেলে মরক্কো। কিন্তু তিউনিসিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। এবার আর সে ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চান না রেগরাগুই। বাকি ২ ম্যাচ জিতে দলকে শিরোপার স্বাদ এনে দিতে বদ্ধপরিকর তিনি। রেগরাগুই বলেন, ‘মরক্কোর জন্য এটা ঐতিহাসিক। ২২ বছর ধরে ভক্তরা তাদের দলকে আফকনের সেমিফাইনালে দেখেনি। তারা এমন মুহূর্ত দেখার জন্য যোগ্য। জিতলেও আমাদের পা মাটিতে রাখতে হবে। এই মুহূর্তটিকে আরও ঐতিহাসিক করে তুলতে হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে