আজকের পত্রিকা ডেস্ক

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) জানিয়েছে, শিগগির তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের একটি সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছাবে। গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এসব কার্যক্রম আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। এদিকে ডেনমার্কও গ্রিনল্যান্ডে বাড়তি সেনা পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ সামরিক সংস্থা নোরাডের এই ঘোষণা এমন এক সময় এল, যখন গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। আর নোরাড উত্তর আমেরিকার আকাশসীমা এবং মহাকাশকে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযান থেকে সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষার দায়িত্ব পালন করে। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কমান্ডের মূল কাজ মহাকাশ সতর্কতা, নিয়ন্ত্রণ এবং সামুদ্রিক সতর্কতা প্রদান করা। এর কমান্ডার উভয় দেশের সরকারকেই জবাবদিহি করতে বাধ্য।
নোরাডের বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে কী ধরনের কার্যক্রম চালানো হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো ‘প্রতিরক্ষা সহযোগিতা’ জোরদার করা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই কার্যক্রম ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে করা হয়েছে এবং গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। নোরাড জানায়, গ্রিনল্যান্ডে আসা বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড এবং কানাডার বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে পরিচালিত বিমানের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
নোরাডের ভাষায়, ‘এই বিমানগুলো নোরাডের বিভিন্ন দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত কার্যক্রমে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে, পাশাপাশি ডেনমার্ক রাজ্যের সঙ্গে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নোরাড নিয়মিতভাবেই উত্তর আমেরিকার প্রতিরক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করার হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড তিনি ‘এভাবে না হলে অন্যভাবে’ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেবেনই। কিছুদিন আগে, ট্রাম্প হুমকি দেন—যারা গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।
অপর দিকে ডেনমার্ক প্রস্তাব দিয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় ন্যাটো যেন গ্রিনল্যান্ডে নজরদারি কার্যক্রম শুরু করে। এরই মধ্যে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির প্রেক্ষাপটেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ডেনিশ গণমাধ্যম ডিআর ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় ডেনমার্কের রয়্যাল আর্মির প্রধান পিটার বয়েসেন এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের কাংগারলুসুয়াকে পৌঁছায়।
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম টিভি ২ জানায়, ৫৮ জন ডেনিশ সেনা ওই দিন গ্রিনল্যান্ডে অবতরণ করে। তারা এর আগে পাঠানো প্রায় ৬০ জন সেনার সঙ্গে যোগ দেয়। এই সেনারা চলমান বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে, যার নাম ‘অপারেশন আর্কটিক এন্ডিউরেন্স।’
এ বিষয়ে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডেনিশ সশস্ত্র বাহিনীর মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এই সেনা মোতায়েনের কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করতে অস্বীকৃতি জানান। বিশাল ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই আর্কটিক অঞ্চলকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন। সোমবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, ‘নো কমেন্ট।’
এর আগে সপ্তাহান্তে ট্রাম্প নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরকে পাঠানো এক টেক্সট বার্তায় বলেন, এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় তিনি আর শুধু ‘শান্তির কথা ভাবতে বাধ্য’ বোধ করছেন না।

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) জানিয়েছে, শিগগির তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের একটি সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছাবে। গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এসব কার্যক্রম আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। এদিকে ডেনমার্কও গ্রিনল্যান্ডে বাড়তি সেনা পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ সামরিক সংস্থা নোরাডের এই ঘোষণা এমন এক সময় এল, যখন গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। আর নোরাড উত্তর আমেরিকার আকাশসীমা এবং মহাকাশকে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযান থেকে সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষার দায়িত্ব পালন করে। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কমান্ডের মূল কাজ মহাকাশ সতর্কতা, নিয়ন্ত্রণ এবং সামুদ্রিক সতর্কতা প্রদান করা। এর কমান্ডার উভয় দেশের সরকারকেই জবাবদিহি করতে বাধ্য।
নোরাডের বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে কী ধরনের কার্যক্রম চালানো হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো ‘প্রতিরক্ষা সহযোগিতা’ জোরদার করা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই কার্যক্রম ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে করা হয়েছে এবং গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। নোরাড জানায়, গ্রিনল্যান্ডে আসা বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড এবং কানাডার বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে পরিচালিত বিমানের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
নোরাডের ভাষায়, ‘এই বিমানগুলো নোরাডের বিভিন্ন দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত কার্যক্রমে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে, পাশাপাশি ডেনমার্ক রাজ্যের সঙ্গে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নোরাড নিয়মিতভাবেই উত্তর আমেরিকার প্রতিরক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করার হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড তিনি ‘এভাবে না হলে অন্যভাবে’ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেবেনই। কিছুদিন আগে, ট্রাম্প হুমকি দেন—যারা গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।
অপর দিকে ডেনমার্ক প্রস্তাব দিয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় ন্যাটো যেন গ্রিনল্যান্ডে নজরদারি কার্যক্রম শুরু করে। এরই মধ্যে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির প্রেক্ষাপটেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ডেনিশ গণমাধ্যম ডিআর ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় ডেনমার্কের রয়্যাল আর্মির প্রধান পিটার বয়েসেন এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের কাংগারলুসুয়াকে পৌঁছায়।
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম টিভি ২ জানায়, ৫৮ জন ডেনিশ সেনা ওই দিন গ্রিনল্যান্ডে অবতরণ করে। তারা এর আগে পাঠানো প্রায় ৬০ জন সেনার সঙ্গে যোগ দেয়। এই সেনারা চলমান বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে, যার নাম ‘অপারেশন আর্কটিক এন্ডিউরেন্স।’
এ বিষয়ে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডেনিশ সশস্ত্র বাহিনীর মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এই সেনা মোতায়েনের কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করতে অস্বীকৃতি জানান। বিশাল ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই আর্কটিক অঞ্চলকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন। সোমবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, ‘নো কমেন্ট।’
এর আগে সপ্তাহান্তে ট্রাম্প নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরকে পাঠানো এক টেক্সট বার্তায় বলেন, এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় তিনি আর শুধু ‘শান্তির কথা ভাবতে বাধ্য’ বোধ করছেন না।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১৬ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৪ দিন আগে