ঢামেক প্রতিনিধি

রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক শিক্ষার্থী এবং মোহাম্মদপুরে নুর ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে পৃথক এই দুই হামলার ঘটনা ঘটে।
জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিহত শিক্ষার্থীর নাম সামিউর রহমান আলভি (২৩)। তিনি ধানমন্ডির ডক্টর মালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
হাসপাতালে নিহত আলভির বন্ধু ইসমাইল হোসেন জানান, তিনি ও আলভি, রাব্বী ও জাকারিয়া জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ ২০-২৫ জন যুবক এসে অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রাব্বী দূরে সরে গেলে আলভির ওপর বেশি আক্রমণ করে তারা। উদ্ধার করে প্রথমে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎক আলভিকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে তাঁদের ওপর হামলা করেছে, এ বিষয়ে কেউ কিছু জানেন না বলে দাবি করেন ইসমাইল।
এদিকে গতকাল রাত ৮টার দিকে মোহাম্মদপুর পুলপাড় দুর্গামন্দিরের গলিতে দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন নুর ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক। তিনি পেশায় আলোকচিত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুটি ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতের বড় ভাই ওসমান গনি জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সুজনকাঠি গ্রামে। ঢাকায় তাঁরা ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় থাকেন। রাতে ফোনকলে তিনি খবর পান, তাঁর ছোট ভাইকে মোহাম্মদপুর এলাকায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়েছে। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেলে এসে ভাইয়ের লাশ দেখতে পান।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক আলভি ও নুর ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক শিক্ষার্থী এবং মোহাম্মদপুরে নুর ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে পৃথক এই দুই হামলার ঘটনা ঘটে।
জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিহত শিক্ষার্থীর নাম সামিউর রহমান আলভি (২৩)। তিনি ধানমন্ডির ডক্টর মালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
হাসপাতালে নিহত আলভির বন্ধু ইসমাইল হোসেন জানান, তিনি ও আলভি, রাব্বী ও জাকারিয়া জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ ২০-২৫ জন যুবক এসে অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রাব্বী দূরে সরে গেলে আলভির ওপর বেশি আক্রমণ করে তারা। উদ্ধার করে প্রথমে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎক আলভিকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে তাঁদের ওপর হামলা করেছে, এ বিষয়ে কেউ কিছু জানেন না বলে দাবি করেন ইসমাইল।
এদিকে গতকাল রাত ৮টার দিকে মোহাম্মদপুর পুলপাড় দুর্গামন্দিরের গলিতে দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন নুর ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক। তিনি পেশায় আলোকচিত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুটি ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতের বড় ভাই ওসমান গনি জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সুজনকাঠি গ্রামে। ঢাকায় তাঁরা ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় থাকেন। রাতে ফোনকলে তিনি খবর পান, তাঁর ছোট ভাইকে মোহাম্মদপুর এলাকায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়েছে। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেলে এসে ভাইয়ের লাশ দেখতে পান।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক আলভি ও নুর ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে