রাহুল শর্মা, ঢাকা

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এনটিআরসিএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে শিগগির নীতিমালাটি জারি করা হবে। এরপর শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করার পর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর মাধ্যমে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এত দিন প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হতো সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে। তবে নতুন নীতিমালা জারি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগও এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। দেশে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ১০৪টি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ৬ অক্টোবর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানায়। একই সঙ্গে এসব পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে গতকাল সোমবার এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শিগগির প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ নীতিমালা জারি করা হবে। এরপর শূন্য পদের তালিকা চূড়ান্ত করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অংশ হিসেবে শূন্য পদের তথ্য চেয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ৭ জানুয়ারি জারি করা ওই অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার) লক্ষ্যে ২০ জানুয়ারির মধ্যে নির্ভুল শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে এনটিআরসিএতে পাঠাতে হবে। যাচাই শেষে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়ায় বলা হয়েছে, লিখিত বা বাছাই পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এতে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। পদভিত্তিক শূন্য পদের তিন গুণ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হবেন। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে লিখিত, বাছাই, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে শূন্য পদের বিপরীতে ১: ১.১০ অনুপাতে পদভিত্তিক একটি তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি শূন্য পদের সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি প্যানেলও প্রস্তুত করা হবে। সব পরীক্ষার ফল ও কৃতকার্যতা নির্ধারণে এনটিআরসিএর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ দিতে পারবেন। এরপর কোনো প্রার্থী যদি পছন্দের বাইরে অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে আগ্রহী হন, তাহলে অনলাইনে ই-আবেদনপত্রে প্রদর্শিত বিকল্পে সম্মতি দিতে হবে। নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র দেবে। তবে এমপিও জনবলকাঠামো অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকলে প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। একইভাবে আদালতে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলেও তিনি অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এনটিআরসিএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে শিগগির নীতিমালাটি জারি করা হবে। এরপর শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করার পর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর মাধ্যমে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এত দিন প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হতো সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে। তবে নতুন নীতিমালা জারি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগও এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। দেশে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ১০৪টি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ৬ অক্টোবর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানায়। একই সঙ্গে এসব পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে গতকাল সোমবার এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শিগগির প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ নীতিমালা জারি করা হবে। এরপর শূন্য পদের তালিকা চূড়ান্ত করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অংশ হিসেবে শূন্য পদের তথ্য চেয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ৭ জানুয়ারি জারি করা ওই অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার) লক্ষ্যে ২০ জানুয়ারির মধ্যে নির্ভুল শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে এনটিআরসিএতে পাঠাতে হবে। যাচাই শেষে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়ায় বলা হয়েছে, লিখিত বা বাছাই পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এতে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। পদভিত্তিক শূন্য পদের তিন গুণ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হবেন। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে লিখিত, বাছাই, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে শূন্য পদের বিপরীতে ১: ১.১০ অনুপাতে পদভিত্তিক একটি তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি শূন্য পদের সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি প্যানেলও প্রস্তুত করা হবে। সব পরীক্ষার ফল ও কৃতকার্যতা নির্ধারণে এনটিআরসিএর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ দিতে পারবেন। এরপর কোনো প্রার্থী যদি পছন্দের বাইরে অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে আগ্রহী হন, তাহলে অনলাইনে ই-আবেদনপত্রে প্রদর্শিত বিকল্পে সম্মতি দিতে হবে। নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র দেবে। তবে এমপিও জনবলকাঠামো অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকলে প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। একইভাবে আদালতে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলেও তিনি অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে