উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরায় চাঁদাবাজিকালে গ্রেপ্তার হওয়া চার হিজড়াকে পুরুষ বলে দাবি করছে পুলিশ। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তবে তাঁদের প্রকৃত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ওসি বলেন, মামলার পর আসামিদের কথাবার্তা ও চালচলন সন্দেহজনক মনে হয়। পরে তাঁদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও তল্লাশি করে দেখা যায় তাঁরা কেউ হিজড়া নন। সবাই পুরুষ। তাঁরা হিজড়া সেজে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। তবে তাঁদের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ওই চারজনকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদে আসল পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
গ্রেপ্তার হিজড়া পরিচয় দেওয়া ওই চারজন হলেন অনিকা (১৯), তুলী (২৪), মৌসুমী (৩২) তবে দুলী (২৫)।
এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের বিএনএস সেক্টরের এনা বাস কাউন্টার থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ মহসীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনএস সেন্টারের সামনে এনা পরিবহনের ম্যানেজার জিয়াউল হকের কাছে গ্রেপ্তার হিজড়ারা ২ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। ম্যানেজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা যাত্রীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ শুরু করেন। এরপর তিনি ৫০০ টাকা দিতে রাজি হন। কিন্তু হিজড়ারা তাঁদের দাবি করা টাকার জন্য অনড় থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা জিয়ার পকেট থেকে ১০১০ টাকা নিয়ে নেন এবং আরও ৪৯০ টাকার জন্য কাউন্টারজুড়ে হইহুল্লোড় করতে থাকেন। পরে ভুক্তভোগী পুলিশকে জানালে পুলিশ গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় ওই কাউন্টারের ম্যানেজার জিয়াউল হক বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেছেন বলে জানান ওসি।

রাজধানীর উত্তরায় চাঁদাবাজিকালে গ্রেপ্তার হওয়া চার হিজড়াকে পুরুষ বলে দাবি করছে পুলিশ। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তবে তাঁদের প্রকৃত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ওসি বলেন, মামলার পর আসামিদের কথাবার্তা ও চালচলন সন্দেহজনক মনে হয়। পরে তাঁদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও তল্লাশি করে দেখা যায় তাঁরা কেউ হিজড়া নন। সবাই পুরুষ। তাঁরা হিজড়া সেজে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। তবে তাঁদের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ওই চারজনকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদে আসল পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
গ্রেপ্তার হিজড়া পরিচয় দেওয়া ওই চারজন হলেন অনিকা (১৯), তুলী (২৪), মৌসুমী (৩২) তবে দুলী (২৫)।
এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের বিএনএস সেক্টরের এনা বাস কাউন্টার থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ মহসীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনএস সেন্টারের সামনে এনা পরিবহনের ম্যানেজার জিয়াউল হকের কাছে গ্রেপ্তার হিজড়ারা ২ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। ম্যানেজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা যাত্রীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ শুরু করেন। এরপর তিনি ৫০০ টাকা দিতে রাজি হন। কিন্তু হিজড়ারা তাঁদের দাবি করা টাকার জন্য অনড় থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা জিয়ার পকেট থেকে ১০১০ টাকা নিয়ে নেন এবং আরও ৪৯০ টাকার জন্য কাউন্টারজুড়ে হইহুল্লোড় করতে থাকেন। পরে ভুক্তভোগী পুলিশকে জানালে পুলিশ গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় ওই কাউন্টারের ম্যানেজার জিয়াউল হক বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেছেন বলে জানান ওসি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে