উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরখানে ঋণের জামানতের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে পালিয়েছে একটি এনজিও। খবর পেয়ে ভুক্তভোগীরা ওই বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছেন।
উত্তরখান মাজার চৌরাস্তার ৫ নম্বর বাসার সামনে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন ভুক্তভোগীরা। প্রথমে ৩০/ ৪০ জন ভুক্তভোগী সেখানে জড়ো হন। এরপর আস্তে আস্তে ভুক্তভোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উত্তরখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক।
জানা গেছে, ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় পয়েন্ট অ্যাবোড এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি নামের একটি এনজিও ছিল। এনজিওটির লোকজন শনিবার সকালে গোপনে মালামালসহ পালিয়ে গেছেন।
অফিসটি পরিচালনা করতেন মো. জাফরুল হাসান নামের এক ব্যক্তি। তিনি ম্যানেজার পরিচয় দিতেন। মো. জাফরুল হাসান নামের আরেকজন ছিলেন সহকারী ম্যানেজার। তাঁরাই উত্তরখান ও দক্ষিণখানের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতেন। এই প্রতারক চক্র ঢাকার জনসন রোডের ৫০/ ১ নম্বর বাড়িতে ‘নাজমা ল হাউজ’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে বলে জানা গেছে।
উপস্থিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় করলে ১ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে উত্তরখানের মাজার, হেলাল মার্কেট, দোবাদিয়া, সরকারবাড়ি, দক্ষিণখানের চালাবনসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নিয়েছে তারা। যাঁদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে, তাঁদের চলতি মাসের ১৮ থেকে ২২ তারিখের মধ্যে ১ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল।
মাজার এলাকার ভুক্তভোগী নারগিস আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গত বুধবার ঋণের জন্য ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় দেওয়ার আগে বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এনজিওটি কেমন? তখন বাড়িওয়ালি বলেছিলেন, আমাদের ৫ লাখ টাকা জামানত দিয়ে ১০ বছরের জন্য ভাড়া নিয়েছে। কোনো সমস্যা নাই, ওরা আমাদের খালাতো-মামাতো ভাই।’
নারগিস বলেন, ‘বাড়ির মালিকের কথা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আজ এসে দেখি অফিসে তালা। ভবনটিতে থাকা ব্যাংকের সিসি ক্যামেরায় দেখি, বাড়ির মালিক ওই প্রতারকদের মালামাল সরাতে সাহায্য করছেন।’
উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকার ভুক্তভোগী এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি ঋণের জন্য ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। কাল (রোববার) আমাকে ১ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। আমার মতো হেলাল মার্কেটের আরও ২০ জনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে প্রতারকেরা।’
হেলাল মার্কেটের হোটেল ব্যবসায়ী সিরাজ হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এনজিওটির ম্যানেজার হারুন আমাদের হোটেলে খাওয়াদাওয়া করত। পরে আমাকে সমিতির টাকা দিতে দেখে অল্প টাকায় বেশি ঋণ দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়।’
অভিযোগের বিষয়ে বাড়ির মালিক মোশারফ হোসেন ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা আক্তার প্রথমে তাঁদের ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। পরে অফিসটি ব্যবহারের ছবি দেখালে বলেন, ‘আপনারা যা পারেন করেন, আমরা প্রতারণার বিষয়ে কিছুই জানি না।’
এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত উত্তরখান থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক ভুক্তভোগীদের বলেন, ‘৯৯৯-এ কল পেয়ে এসেছি। এখন আমরা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারব না। থানায় অভিযোগ দেন, তারপর আমরা ব্যবস্থা নেব।’
পুলিশের পরামর্শে ভুক্তভোগীদের মধ্যে কয়েকজন উত্তরখান থানায় যান। রাত ৯টার দিকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারগিস আক্তার। এরপর রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

রাজধানীর উত্তরখানে ঋণের জামানতের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে পালিয়েছে একটি এনজিও। খবর পেয়ে ভুক্তভোগীরা ওই বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছেন।
উত্তরখান মাজার চৌরাস্তার ৫ নম্বর বাসার সামনে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন ভুক্তভোগীরা। প্রথমে ৩০/ ৪০ জন ভুক্তভোগী সেখানে জড়ো হন। এরপর আস্তে আস্তে ভুক্তভোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উত্তরখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক।
জানা গেছে, ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় পয়েন্ট অ্যাবোড এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি নামের একটি এনজিও ছিল। এনজিওটির লোকজন শনিবার সকালে গোপনে মালামালসহ পালিয়ে গেছেন।
অফিসটি পরিচালনা করতেন মো. জাফরুল হাসান নামের এক ব্যক্তি। তিনি ম্যানেজার পরিচয় দিতেন। মো. জাফরুল হাসান নামের আরেকজন ছিলেন সহকারী ম্যানেজার। তাঁরাই উত্তরখান ও দক্ষিণখানের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতেন। এই প্রতারক চক্র ঢাকার জনসন রোডের ৫০/ ১ নম্বর বাড়িতে ‘নাজমা ল হাউজ’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে বলে জানা গেছে।
উপস্থিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় করলে ১ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে উত্তরখানের মাজার, হেলাল মার্কেট, দোবাদিয়া, সরকারবাড়ি, দক্ষিণখানের চালাবনসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নিয়েছে তারা। যাঁদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে, তাঁদের চলতি মাসের ১৮ থেকে ২২ তারিখের মধ্যে ১ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল।
মাজার এলাকার ভুক্তভোগী নারগিস আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গত বুধবার ঋণের জন্য ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় দেওয়ার আগে বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এনজিওটি কেমন? তখন বাড়িওয়ালি বলেছিলেন, আমাদের ৫ লাখ টাকা জামানত দিয়ে ১০ বছরের জন্য ভাড়া নিয়েছে। কোনো সমস্যা নাই, ওরা আমাদের খালাতো-মামাতো ভাই।’
নারগিস বলেন, ‘বাড়ির মালিকের কথা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আজ এসে দেখি অফিসে তালা। ভবনটিতে থাকা ব্যাংকের সিসি ক্যামেরায় দেখি, বাড়ির মালিক ওই প্রতারকদের মালামাল সরাতে সাহায্য করছেন।’
উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকার ভুক্তভোগী এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি ঋণের জন্য ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। কাল (রোববার) আমাকে ১ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। আমার মতো হেলাল মার্কেটের আরও ২০ জনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে প্রতারকেরা।’
হেলাল মার্কেটের হোটেল ব্যবসায়ী সিরাজ হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এনজিওটির ম্যানেজার হারুন আমাদের হোটেলে খাওয়াদাওয়া করত। পরে আমাকে সমিতির টাকা দিতে দেখে অল্প টাকায় বেশি ঋণ দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়।’
অভিযোগের বিষয়ে বাড়ির মালিক মোশারফ হোসেন ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা আক্তার প্রথমে তাঁদের ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। পরে অফিসটি ব্যবহারের ছবি দেখালে বলেন, ‘আপনারা যা পারেন করেন, আমরা প্রতারণার বিষয়ে কিছুই জানি না।’
এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত উত্তরখান থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক ভুক্তভোগীদের বলেন, ‘৯৯৯-এ কল পেয়ে এসেছি। এখন আমরা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারব না। থানায় অভিযোগ দেন, তারপর আমরা ব্যবস্থা নেব।’
পুলিশের পরামর্শে ভুক্তভোগীদের মধ্যে কয়েকজন উত্তরখান থানায় যান। রাত ৯টার দিকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারগিস আক্তার। এরপর রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে