নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাধারণ মানুষের সম্পত্তি দখল, মন্দির ও গণপূর্তের জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদকের ব্যবসা, জুয়ার কারবার—সবই করতেন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এই মাসফিকুর রহমান ওরফে উজ্জ্বল। এসব অপকর্ম নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করতেন নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী। তাঁর অত্যাচারে আগারগাঁও–তালতলার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ ও ভীতসন্ত্রস্ত ছিলেন। উজ্জ্বলকে গত সোমবার রাতে বিদেশি অস্ত্র ও এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারের পর র্যাব বলছে, মাসফিকুর রহমান উজ্জ্বল অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন।
র্যাবের কর্মকর্তা মেজর কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তালতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শেরেবাংলা নগর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের একটি কার্যালয় রয়েছে। সেখানে বসেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন এই উজ্জ্বল।’
র্যাব ৪–এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁর নামে অনেক অভিযোগ। এলাকায় নতুন কোনো ভবনের কাজ শুরু হলে উজ্জ্বলকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতে হতো। না হলে তিনি তাঁর ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ওই কাজ বন্ধ করে দিতেন। সরকারি খাস জমি ও অন্যের মালিকানাধীন জমি জোর করে দখল করে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে ভাড়া দিতেন।
উজ্জ্বলের সহযোগীরা তাঁর প্রত্যক্ষ মদদে আগারগাঁও এলাকার ফুটপাতের প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক চাঁদা তুলতেন, মাদকের ব্যবসা করতেন। পথচারীরা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের কবলে পড়ে ছিনতাইয়ের শিকার হতেন।
র্যাব বলছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন, তালতলার সর্বজনীন পূজা মন্দিরে গণপূর্তের প্রায় ৯ কাঠা জায়গা রয়েছে। এর দুই কাঠা জায়গা দখল করে গুদামঘর বানিয়েছেন উজ্জ্বল। ঘরটি ডেকোরেটরের কাছে ভাড়াও দিয়েছেন। যার ফলে মন্দিরের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে উঠেছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, শত সমস্যা থাকলেও অস্ত্রধারী এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতেন না। কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করলে অস্ত্র ধরে ভয় দেখাতেন ও মারধর করতেন।

সাধারণ মানুষের সম্পত্তি দখল, মন্দির ও গণপূর্তের জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদকের ব্যবসা, জুয়ার কারবার—সবই করতেন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এই মাসফিকুর রহমান ওরফে উজ্জ্বল। এসব অপকর্ম নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করতেন নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী। তাঁর অত্যাচারে আগারগাঁও–তালতলার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ ও ভীতসন্ত্রস্ত ছিলেন। উজ্জ্বলকে গত সোমবার রাতে বিদেশি অস্ত্র ও এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারের পর র্যাব বলছে, মাসফিকুর রহমান উজ্জ্বল অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন।
র্যাবের কর্মকর্তা মেজর কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তালতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শেরেবাংলা নগর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের একটি কার্যালয় রয়েছে। সেখানে বসেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন এই উজ্জ্বল।’
র্যাব ৪–এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁর নামে অনেক অভিযোগ। এলাকায় নতুন কোনো ভবনের কাজ শুরু হলে উজ্জ্বলকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতে হতো। না হলে তিনি তাঁর ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ওই কাজ বন্ধ করে দিতেন। সরকারি খাস জমি ও অন্যের মালিকানাধীন জমি জোর করে দখল করে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে ভাড়া দিতেন।
উজ্জ্বলের সহযোগীরা তাঁর প্রত্যক্ষ মদদে আগারগাঁও এলাকার ফুটপাতের প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক চাঁদা তুলতেন, মাদকের ব্যবসা করতেন। পথচারীরা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের কবলে পড়ে ছিনতাইয়ের শিকার হতেন।
র্যাব বলছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন, তালতলার সর্বজনীন পূজা মন্দিরে গণপূর্তের প্রায় ৯ কাঠা জায়গা রয়েছে। এর দুই কাঠা জায়গা দখল করে গুদামঘর বানিয়েছেন উজ্জ্বল। ঘরটি ডেকোরেটরের কাছে ভাড়াও দিয়েছেন। যার ফলে মন্দিরের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে উঠেছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, শত সমস্যা থাকলেও অস্ত্রধারী এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতেন না। কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করলে অস্ত্র ধরে ভয় দেখাতেন ও মারধর করতেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে