ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলীর পাটেরবাগ এলাকায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তাঁর নাম মাহবুব আলম (৫২)।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কদমতলী পাটেরবাগ মসজিদের পাশে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনেরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে মৃত ব্যক্তির ভাই মো. রফিকুল আলম বলেন, তাঁদের বাড়ি কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়া এলাকায়। বাবার নাম মৃত আবুল হোসেন সোলাইমান। তাঁর ভাই এলাকায় ভ্যানে করে কোমল পানীয় সাপ্লাই দিত। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘লোক মারফত জানতে পেরেছি, ভাই মাহবুব আলম পাটেরবাগ মসজিদের পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কে বা কারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কদমতলী থেকে ওই ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনেরা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনরা জানান, কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রেখে গেছে। নিহতের ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ওই ব্যক্তির ঘাড়ে, গলায় ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি কদমতলী থানা-পুলিশ তদন্ত করছে।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আবু কালাম বলেন, নিহত মাহবুব আলম ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। আগে ভ্যানে করে বিভিন্ন দোকানে কোমল পানীয় সাপ্লাই দিত। বর্তমানে তেমন কিছু করতেন না। পাটেরবাগ মসজিদের পাশে একটি অন্ধকার গলিতে কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। বিষয়গুলো নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে পুলিশ কথা বলে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

রাজধানীর কদমতলীর পাটেরবাগ এলাকায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তাঁর নাম মাহবুব আলম (৫২)।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কদমতলী পাটেরবাগ মসজিদের পাশে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনেরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে মৃত ব্যক্তির ভাই মো. রফিকুল আলম বলেন, তাঁদের বাড়ি কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়া এলাকায়। বাবার নাম মৃত আবুল হোসেন সোলাইমান। তাঁর ভাই এলাকায় ভ্যানে করে কোমল পানীয় সাপ্লাই দিত। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘লোক মারফত জানতে পেরেছি, ভাই মাহবুব আলম পাটেরবাগ মসজিদের পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কে বা কারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কদমতলী থেকে ওই ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনেরা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনরা জানান, কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রেখে গেছে। নিহতের ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ওই ব্যক্তির ঘাড়ে, গলায় ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি কদমতলী থানা-পুলিশ তদন্ত করছে।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আবু কালাম বলেন, নিহত মাহবুব আলম ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। আগে ভ্যানে করে বিভিন্ন দোকানে কোমল পানীয় সাপ্লাই দিত। বর্তমানে তেমন কিছু করতেন না। পাটেরবাগ মসজিদের পাশে একটি অন্ধকার গলিতে কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। বিষয়গুলো নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে পুলিশ কথা বলে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে