নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাকে গালাগাল করার অভিযোগে বিদিশাঘনিষ্ঠ সাবেক বিএনপি নেতা কাজী রুবায়েত হাসান সায়েমকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ শনিবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সূত্র ধরে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নগরীর পাইকপাড়া থেকে তাঁকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
কাজী রুবায়েত হাসান সায়েম ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ও মহানগর বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনা প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্ত্রী বিদিশা এরশাদের ঘনিষ্ঠজন এবং বিদিশা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব হিসেবে পরিচিত।
সায়েমের এসব নিশ্চিত করে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, ‘সে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় নেই।’
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বোতল থেকে পানীয় গ্লাসে ঢালছেন কাজী রুবায়েত। এ সময় উপস্থিত সবার সামনে বঙ্গবন্ধুর মাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এদিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাজী রুবায়েতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, সদর থানাধীন পাইকপাড়া এলাকার কাজী রুবায়েত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালাগালি এবং তাঁর ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিও ফেসবুকের মাধ্যমে জানার পরপরেই ফোর্স দিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আল মামুন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মাকে কটূক্তি করার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আজ শনিবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাকে গালাগাল করার অভিযোগে বিদিশাঘনিষ্ঠ সাবেক বিএনপি নেতা কাজী রুবায়েত হাসান সায়েমকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ শনিবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সূত্র ধরে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নগরীর পাইকপাড়া থেকে তাঁকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
কাজী রুবায়েত হাসান সায়েম ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ও মহানগর বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনা প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্ত্রী বিদিশা এরশাদের ঘনিষ্ঠজন এবং বিদিশা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব হিসেবে পরিচিত।
সায়েমের এসব নিশ্চিত করে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, ‘সে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় নেই।’
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বোতল থেকে পানীয় গ্লাসে ঢালছেন কাজী রুবায়েত। এ সময় উপস্থিত সবার সামনে বঙ্গবন্ধুর মাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এদিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাজী রুবায়েতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, সদর থানাধীন পাইকপাড়া এলাকার কাজী রুবায়েত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালাগালি এবং তাঁর ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিও ফেসবুকের মাধ্যমে জানার পরপরেই ফোর্স দিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আল মামুন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মাকে কটূক্তি করার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আজ শনিবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে