নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সারা দেশে চলছে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান। কিন্তু এর মধ্যেও নানান অভিনব পদ্ধতিতে গ্রহীতাদের কাছে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে মাদক কারবারিরা। এমনই এক মাদক কারবারি মোহাম্মদপুরের মোছা পারভীন। তিনি শাহী গুঁড়া মরিচ ও গুঁড়া হলুদের প্যাকেটে হেরোইন বিশেষভাবে প্যাকেটজাত করে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন। অবশেষে গতকাল সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে হেরোইনসহ মোছা পারভীনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ২২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকা থেকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাঁর বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে শাহী গুঁড়া মরিচ ও শাহী গুঁড়া হলুদের মোড়কে বিশেষভাবে প্যাকিং করা ২২০ গ্রাম বাদামি রঙের হেরোইন জব্দ করা হয়।’
মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তার পারভীন একজন মাদক ব্যবসায়ী। সে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হেরোইন বিক্রি করত।’
এদিকে মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. আলতাফ হোসাইন, মো. সাইত, মো. সোহেল, মোছা. জোসনা ও মো. সবুজ মুন্সি। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল লতিফ জানান, গত রোববার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটায় মোহাম্মদপুর থানার হুমায়ূন রোড এলাকায় ও একই দিন সন্ধ্যা সাতটায় রায়ের বাজার এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সকলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সারা দেশে চলছে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান। কিন্তু এর মধ্যেও নানান অভিনব পদ্ধতিতে গ্রহীতাদের কাছে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে মাদক কারবারিরা। এমনই এক মাদক কারবারি মোহাম্মদপুরের মোছা পারভীন। তিনি শাহী গুঁড়া মরিচ ও গুঁড়া হলুদের প্যাকেটে হেরোইন বিশেষভাবে প্যাকেটজাত করে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন। অবশেষে গতকাল সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে হেরোইনসহ মোছা পারভীনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ২২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকা থেকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাঁর বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে শাহী গুঁড়া মরিচ ও শাহী গুঁড়া হলুদের মোড়কে বিশেষভাবে প্যাকিং করা ২২০ গ্রাম বাদামি রঙের হেরোইন জব্দ করা হয়।’
মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তার পারভীন একজন মাদক ব্যবসায়ী। সে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হেরোইন বিক্রি করত।’
এদিকে মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. আলতাফ হোসাইন, মো. সাইত, মো. সোহেল, মোছা. জোসনা ও মো. সবুজ মুন্সি। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল লতিফ জানান, গত রোববার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটায় মোহাম্মদপুর থানার হুমায়ূন রোড এলাকায় ও একই দিন সন্ধ্যা সাতটায় রায়ের বাজার এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সকলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে