নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার দায় থেকে বসুন্ধরা মালিকের ছেলেদের বাঁচাতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ আবু তাহের এই রায় দেন।
খালাসপ্রাপ্ত আরও ছয়জন হলেন— বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম, তাঁর দুই পুত্র শাফিয়াত সোহবান সানভির এবং সাদাত সোবহান, তারেকের ব্যক্তিগত সচিব মিয়া নূর উদ্দিন অপু, বিএনপি সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইস্টওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক আবু সুফিয়ান।
দুই অভিযুক্ত— সালিমুল হক ও আবু সুফিয়ানের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়।
তারেক রহমান এই মামলায় একজন পলাতক আসামি ছিলেন এবং বাবর ও অপু আজ তাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে সময় আবেদন জমা দিয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তবে আহমেদ আকবর সোবহান এবং তাঁর দুই ছেলের আইনজীবীরা আদালতে তাদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে বিচারক বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বিধায় আসামিদের মামলা থেকে খালাস দেওয়া হলো।
রায় আরও বলা হয়, ঘুষ গ্রহণের তারিখ, সময় ও ঘটনাস্থল সুনির্দিষ্ট নয়। তাই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক আবুল কাশেম বাবরসহ ছয় জনকে অভিযুক্ত করে ঘুষের মামলা দায়ের করেছিলেন।
বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এবং ওই হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রুপের চেয়ারম্যান সোবহানের দুই পুত্রকে হত্যার মামলার অভিযোগ থেকে বাঁচানোর জন্য ঘুষ নেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তা ঘুষের সঙ্গে তারেক রহমান ও সালিমুল হক কামাল জড়িত প্রমাণ পেয়ে আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
২০০৬ সালের ৫ জুলাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচে গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ভবন থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয় এই অভিযোগে পৃথক একটি মামলাও হয়। কয়েক বছর আগে ওই মামলায়ও সব আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার দায় থেকে বসুন্ধরা মালিকের ছেলেদের বাঁচাতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ আবু তাহের এই রায় দেন।
খালাসপ্রাপ্ত আরও ছয়জন হলেন— বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম, তাঁর দুই পুত্র শাফিয়াত সোহবান সানভির এবং সাদাত সোবহান, তারেকের ব্যক্তিগত সচিব মিয়া নূর উদ্দিন অপু, বিএনপি সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইস্টওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক আবু সুফিয়ান।
দুই অভিযুক্ত— সালিমুল হক ও আবু সুফিয়ানের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়।
তারেক রহমান এই মামলায় একজন পলাতক আসামি ছিলেন এবং বাবর ও অপু আজ তাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে সময় আবেদন জমা দিয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তবে আহমেদ আকবর সোবহান এবং তাঁর দুই ছেলের আইনজীবীরা আদালতে তাদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে বিচারক বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বিধায় আসামিদের মামলা থেকে খালাস দেওয়া হলো।
রায় আরও বলা হয়, ঘুষ গ্রহণের তারিখ, সময় ও ঘটনাস্থল সুনির্দিষ্ট নয়। তাই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক আবুল কাশেম বাবরসহ ছয় জনকে অভিযুক্ত করে ঘুষের মামলা দায়ের করেছিলেন।
বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এবং ওই হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রুপের চেয়ারম্যান সোবহানের দুই পুত্রকে হত্যার মামলার অভিযোগ থেকে বাঁচানোর জন্য ঘুষ নেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তা ঘুষের সঙ্গে তারেক রহমান ও সালিমুল হক কামাল জড়িত প্রমাণ পেয়ে আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
২০০৬ সালের ৫ জুলাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচে গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ভবন থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয় এই অভিযোগে পৃথক একটি মামলাও হয়। কয়েক বছর আগে ওই মামলায়ও সব আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫