নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যার আগে হাফিজুর কার্জন হলে বসে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এলএসডি মাদক সেবন করেছিলেন। শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলার ছায়া তদন্তে নেমে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা এমনটা জানতে পেরেছেন।
এর আগে সোমবার হাফিজুর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ সেদিনের আড্ডায় থাকা আসিফ বাপ্পী ও রাফসানকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছে শাহবাগ থানা-পুলিশ।
এ নিয়ে শাহবাগ থানার ওসি মামুন অর রশীদ বলেন, ‘হাফিজুরের দুজন বন্ধু আছেন। তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে ৷ এ তথ্যগুলো তদন্তের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে৷’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, পুলিশের পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব তদন্ত চলছে। সম্পূর্ণ ঘটনা বোঝার জন্য আমরা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিশও তদন্ত করছে। তারা রিপোর্ট দিলে আমরা আরও ভালো জানতে পারবো। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সত্য ঘটনা বের করার জন্য আমরা তাদেরকে জানিয়েছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাফিজের এক বন্ধু জানান, ঈদের দুই দিন আগে তার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যায়। এ নিয়ে হাফিজের মন প্রচণ্ড খারাপ ছিল। এ ছাড়াও নানা কারণে হতাশায় ভুগছিলেন হাফিজ। পারিবারিক, অর্থনৈতিক সমস্যাও ছিল। মাঝে করোনার মধ্যে টিএসসিতেই প্রায়ই থাকতেন। হাফিজুরের এই অবস্থার জন্য তার পরিবার, বন্ধুবান্ধবসহ অনেকেই দায়ী। হাফিজ তার বন্ধুদের প্রতিহিংসার শিকারও হতে পারেন। পুরো ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনো চক্র থাকতে পারে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় হাফিজুর রহমানের হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। সেখানের বক্তারা জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। সেখানে প্রতিটা সন্তানকে মা-বাবা অনেক স্বপ্ন নিয়ে পাঠায়। সেখান থেকে কোনো মেধাবী সন্তান লাশ হয়ে বাড়ি ফিরবে এটা আমরা কখনো প্রত্যাশা করিনা। আমরা চাই ঢাবি’র ভিসি এবং প্রক্টরের পক্ষ থেকে মামলা করে আমাদের সন্তান হাফিজুরের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটন করা হোক। আমাদের আর কোনো সন্তান প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাবি থেকে লাশ হয়ে মা-বাবার বুকে ফিরে আসুক এটা আমরা চাই না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান ঈদের পরদিন সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আসেন। সেদিন সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে দেখা করেন। এরপর থেকেই নিঁখোজ হন হাফিজুর রহমান।
নয় দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাওয়া যায় হাফিজুরের লাশ ৷ তার পরিবার তাকে শনাক্ত করেন। পুলিশের জানায়, ঈদের পরদিন রাত সাড়ে আটটার দিকে হাফিজুরকে ঢাকা মেডিকেলের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তিনি অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন ৷ শহীদ মিনারের সামনের একজন ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে দা নিয়ে নিজের গলা কেটেছেন। পুলিশ সদস্যরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। রাত ১০টায় ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যার আগে হাফিজুর কার্জন হলে বসে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এলএসডি মাদক সেবন করেছিলেন। শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলার ছায়া তদন্তে নেমে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা এমনটা জানতে পেরেছেন।
এর আগে সোমবার হাফিজুর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ সেদিনের আড্ডায় থাকা আসিফ বাপ্পী ও রাফসানকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছে শাহবাগ থানা-পুলিশ।
এ নিয়ে শাহবাগ থানার ওসি মামুন অর রশীদ বলেন, ‘হাফিজুরের দুজন বন্ধু আছেন। তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে ৷ এ তথ্যগুলো তদন্তের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে৷’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, পুলিশের পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব তদন্ত চলছে। সম্পূর্ণ ঘটনা বোঝার জন্য আমরা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিশও তদন্ত করছে। তারা রিপোর্ট দিলে আমরা আরও ভালো জানতে পারবো। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সত্য ঘটনা বের করার জন্য আমরা তাদেরকে জানিয়েছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাফিজের এক বন্ধু জানান, ঈদের দুই দিন আগে তার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যায়। এ নিয়ে হাফিজের মন প্রচণ্ড খারাপ ছিল। এ ছাড়াও নানা কারণে হতাশায় ভুগছিলেন হাফিজ। পারিবারিক, অর্থনৈতিক সমস্যাও ছিল। মাঝে করোনার মধ্যে টিএসসিতেই প্রায়ই থাকতেন। হাফিজুরের এই অবস্থার জন্য তার পরিবার, বন্ধুবান্ধবসহ অনেকেই দায়ী। হাফিজ তার বন্ধুদের প্রতিহিংসার শিকারও হতে পারেন। পুরো ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনো চক্র থাকতে পারে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় হাফিজুর রহমানের হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। সেখানের বক্তারা জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। সেখানে প্রতিটা সন্তানকে মা-বাবা অনেক স্বপ্ন নিয়ে পাঠায়। সেখান থেকে কোনো মেধাবী সন্তান লাশ হয়ে বাড়ি ফিরবে এটা আমরা কখনো প্রত্যাশা করিনা। আমরা চাই ঢাবি’র ভিসি এবং প্রক্টরের পক্ষ থেকে মামলা করে আমাদের সন্তান হাফিজুরের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটন করা হোক। আমাদের আর কোনো সন্তান প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাবি থেকে লাশ হয়ে মা-বাবার বুকে ফিরে আসুক এটা আমরা চাই না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান ঈদের পরদিন সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আসেন। সেদিন সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে দেখা করেন। এরপর থেকেই নিঁখোজ হন হাফিজুর রহমান।
নয় দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাওয়া যায় হাফিজুরের লাশ ৷ তার পরিবার তাকে শনাক্ত করেন। পুলিশের জানায়, ঈদের পরদিন রাত সাড়ে আটটার দিকে হাফিজুরকে ঢাকা মেডিকেলের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তিনি অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন ৷ শহীদ মিনারের সামনের একজন ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে দা নিয়ে নিজের গলা কেটেছেন। পুলিশ সদস্যরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। রাত ১০টায় ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে