কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নিজ ঘরে হাত–পা বাঁধা অবস্থায় এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীর নাম শাহনাজ বেগম শিমু (৩৮)। তিনি উপজেলার সিংহশ্রী ইউনিয়নের মধ্যভিটিপাড়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের কুলগঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজউদ্দিন ব্যাপারীর মেয়ে।
স্বামী মোশারফ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী। মোশারফ ও শাহনাজ দম্পত্তির কোনো সন্তান নেই। শাহনাজ স্বামীর বাড়িতে একাই থাকতেন। শোবার ঘরের সঙ্গে সংযুক্ত রান্নাঘরের চাল কেটে ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করার দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গাজীপুর। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সহোদর ভাই ও তাঁর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–মো. কামরুজ্জামান রুবেল (৩৬) ও মো. মিনাল ওরফে মিষ্টার (২১)। রুবেল গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার সিংহশ্রী ইউনিয়নের কুলগঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজ উদ্দিন ব্যাপারী ছেলে এবং শাহনাজ বেগমের ছোট ভাই। সহযোগী মিনাল শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার মামদা গ্ৰামের আস্কর আলীর ছেলে।
পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান আসামিদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির বরাত দিয়ে জানান, মো. কামরুজ্জামান রুবেল একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি করতেন। ঘটনার পাঁচ মাস আগে হোটেলের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন। বিভিন্নজনের কাছ থেকে অনেক টাকা ঋণ করেন। ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় বোন শাহনাজ বেগম শিমুর বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি করার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দুই দিন আগে সহযোগী মিনালকে নিয়ে বোনের বাসায় চুরির পরিকল্পনা করেন।
ঘটনার দিন বিকেলে জয়দেবপুর রেলস্টেশনে রুবেল ও মিনাল একটি ব্যাগে সুইচ গিয়ার চাকু, প্লায়ার্স, গামছা, কাঁচি নিয়ে ট্রেনে করে শ্রীপুর যান। বাসস্ট্যান্ড থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে বরমী পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে চা–সিগারেট পান করে। সেখান থেকে অটোরিকশা যোগে রাত ৮টার দিকে সিংহশ্রী ব্রিজে পৌঁছান। সেখান থেকে হেঁটে শিমুর বাড়ির সামনে আখ খেতে লুকিয়ে থাকেন।
রাত ১২টার পর পাশের বাড়ির সীমানা প্রাচীরের টপকে শিমুর বাসার ছাদে উঠে পেছনের রান্নাঘরের সিমেন্টের টিন খুলে প্রবেশ করেন। শিমু শব্দ পেয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রথমে মিনাল সুইচ গিয়ার দেখিয়ে ভয় দেখান। এতেও শিমু চিৎকার বন্ধ না করলে গামছা দিয়ে মুখ চেপে ধরেন। এরপর রুবেল শিমুর হাত দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। শিমু যাতে চিনতে না পারেন সে জন্য চোখ ও মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলেন।
এরপর রুবেল ঘরের ভেতরে আলমারির চাবি খুঁজতে থাকেন। এ সময় মিনালের সঙ্গে শিমু ধস্তাধস্তি শুরু করলে মিনাল তাঁর মুখে আঘাত করেন এবং বুকের ওপর বসে গলা চেপে ধরেন। রুবেল টেবিলের ড্রয়ার থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে একটি স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও নগদ ৩ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোন নেন। এরপর শিমুর হাত ও পা পেছন দিক থেকে বেঁধে দুজনেই বাড়ির পকেট গেট দিয়ে বের হয়ে যান। এর আগেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিমু মারা গেছেন।
পরের দিন সকালে রুবেল সুইচ গিয়ার চাকু, প্লায়ার্স ও মোবাইল ফোন ভেঙে জাজর ব্রিজের নিচে খালের পানিতে ফেলে দেন। পরে তিনি লুণ্ঠিত স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।
জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান আরও জানান, রুবেলকে গ্রেপ্তারের তাঁর কাছ থেকে নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর স্বীকারোক্তি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি প্লায়ার্স, সুইচ গিয়ার চাকু ও চোরাই মোবাইল ফোনের খণ্ডিত অংশ জাজর কবরস্থান ব্রিজের নিচে খাল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নিজ ঘরে হাত–পা বাঁধা অবস্থায় এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীর নাম শাহনাজ বেগম শিমু (৩৮)। তিনি উপজেলার সিংহশ্রী ইউনিয়নের মধ্যভিটিপাড়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের কুলগঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজউদ্দিন ব্যাপারীর মেয়ে।
স্বামী মোশারফ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী। মোশারফ ও শাহনাজ দম্পত্তির কোনো সন্তান নেই। শাহনাজ স্বামীর বাড়িতে একাই থাকতেন। শোবার ঘরের সঙ্গে সংযুক্ত রান্নাঘরের চাল কেটে ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করার দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গাজীপুর। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সহোদর ভাই ও তাঁর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–মো. কামরুজ্জামান রুবেল (৩৬) ও মো. মিনাল ওরফে মিষ্টার (২১)। রুবেল গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার সিংহশ্রী ইউনিয়নের কুলগঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজ উদ্দিন ব্যাপারী ছেলে এবং শাহনাজ বেগমের ছোট ভাই। সহযোগী মিনাল শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার মামদা গ্ৰামের আস্কর আলীর ছেলে।
পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান আসামিদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির বরাত দিয়ে জানান, মো. কামরুজ্জামান রুবেল একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি করতেন। ঘটনার পাঁচ মাস আগে হোটেলের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন। বিভিন্নজনের কাছ থেকে অনেক টাকা ঋণ করেন। ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় বোন শাহনাজ বেগম শিমুর বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি করার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দুই দিন আগে সহযোগী মিনালকে নিয়ে বোনের বাসায় চুরির পরিকল্পনা করেন।
ঘটনার দিন বিকেলে জয়দেবপুর রেলস্টেশনে রুবেল ও মিনাল একটি ব্যাগে সুইচ গিয়ার চাকু, প্লায়ার্স, গামছা, কাঁচি নিয়ে ট্রেনে করে শ্রীপুর যান। বাসস্ট্যান্ড থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে বরমী পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে চা–সিগারেট পান করে। সেখান থেকে অটোরিকশা যোগে রাত ৮টার দিকে সিংহশ্রী ব্রিজে পৌঁছান। সেখান থেকে হেঁটে শিমুর বাড়ির সামনে আখ খেতে লুকিয়ে থাকেন।
রাত ১২টার পর পাশের বাড়ির সীমানা প্রাচীরের টপকে শিমুর বাসার ছাদে উঠে পেছনের রান্নাঘরের সিমেন্টের টিন খুলে প্রবেশ করেন। শিমু শব্দ পেয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রথমে মিনাল সুইচ গিয়ার দেখিয়ে ভয় দেখান। এতেও শিমু চিৎকার বন্ধ না করলে গামছা দিয়ে মুখ চেপে ধরেন। এরপর রুবেল শিমুর হাত দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। শিমু যাতে চিনতে না পারেন সে জন্য চোখ ও মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলেন।
এরপর রুবেল ঘরের ভেতরে আলমারির চাবি খুঁজতে থাকেন। এ সময় মিনালের সঙ্গে শিমু ধস্তাধস্তি শুরু করলে মিনাল তাঁর মুখে আঘাত করেন এবং বুকের ওপর বসে গলা চেপে ধরেন। রুবেল টেবিলের ড্রয়ার থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে একটি স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও নগদ ৩ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোন নেন। এরপর শিমুর হাত ও পা পেছন দিক থেকে বেঁধে দুজনেই বাড়ির পকেট গেট দিয়ে বের হয়ে যান। এর আগেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিমু মারা গেছেন।
পরের দিন সকালে রুবেল সুইচ গিয়ার চাকু, প্লায়ার্স ও মোবাইল ফোন ভেঙে জাজর ব্রিজের নিচে খালের পানিতে ফেলে দেন। পরে তিনি লুণ্ঠিত স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।
জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান আরও জানান, রুবেলকে গ্রেপ্তারের তাঁর কাছ থেকে নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর স্বীকারোক্তি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি প্লায়ার্স, সুইচ গিয়ার চাকু ও চোরাই মোবাইল ফোনের খণ্ডিত অংশ জাজর কবরস্থান ব্রিজের নিচে খাল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে