ক্রীড়া ডেস্ক

টানা ২ জয়ে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রেখেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। কিন্তু এরপরই বিপিএল ছেড়ে চলে যান মোহাম্মদ নবি। আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি নিজেদের জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ বলে মনে করছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী।
সপ্তম ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের দেখা পায় নোয়াখালী। পরের ম্যাচেও জয় পায় দলটি। দুটি ম্যাচেই অবদান রাখেন নবি। আফগান তারকা চলে যাওয়ার পর মাঠে নেমে আজ চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে নোয়াখালী। এই হারে সবার আগে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নবি চলে যাওয়ায় সেরা কম্বিনেশন পাননি বলে মন খারাপ হায়দারের।
সংবাদ সম্মেলনে হায়দার বলেন, ‘এবার আমরা প্লে অফে জায়গা করে নিতে পারিনি। টুর্নামেন্টজুড়ে আমরা খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করে দেখেছি। আগের ২ ম্যাচে আমরা জিতেছি। সেই কম্বিনেশন ভালো ছিল। তবে নবী ভাই চলে গেলেন। সেভাবে (এই ম্যাচে) আমরা ভালো কম্বিনেশন পাইনি।’
নোয়াখালীর ব্যর্থতার আসল দায় ব্যাটারদের। সেই সঙ্গে ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও আছে প্রশ্ন। সেসব প্রশ্নের উত্তরে নোয়াখালীর অধিনায়ক বলেন, ‘দেখুন যেটা হয়েছে মেনে নিতে হবে। অধিনায়ক তো চাইলে কাউকে রান করতে বলতে পারবে না। যখন দল ম্যাচ হারবে তখন দলের কম্বিনেশন নিয়ে যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যেতে পারে। জাকের ওপরে ছিল, মুনিমও খেলেছে। আমাদের এই কৌশলই ছিল। আমরা চেয়েছি এভাবে দলকে চালাতে। সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে চেয়েছে।’
বাংলাদেশে এসে যে অধিনায়কত্ব করা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল সেটা নিয়েও কথা বলেছেন হায়দার। এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার বলেন, ‘আমি পাকিস্তানে অধিনায়কত্ব করেছি। বাংলাদেশে এসে অধিনায়কত্ব করা কিছুটা কঠিন ছিল। কোন খেলোয়াড় কোথায় ব্যাট করত কে কখন বল করবে এসব বুঝতে হয়েছে। কোচদের সাথে আমি আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

টানা ২ জয়ে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রেখেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। কিন্তু এরপরই বিপিএল ছেড়ে চলে যান মোহাম্মদ নবি। আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি নিজেদের জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ বলে মনে করছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী।
সপ্তম ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের দেখা পায় নোয়াখালী। পরের ম্যাচেও জয় পায় দলটি। দুটি ম্যাচেই অবদান রাখেন নবি। আফগান তারকা চলে যাওয়ার পর মাঠে নেমে আজ চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে নোয়াখালী। এই হারে সবার আগে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নবি চলে যাওয়ায় সেরা কম্বিনেশন পাননি বলে মন খারাপ হায়দারের।
সংবাদ সম্মেলনে হায়দার বলেন, ‘এবার আমরা প্লে অফে জায়গা করে নিতে পারিনি। টুর্নামেন্টজুড়ে আমরা খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করে দেখেছি। আগের ২ ম্যাচে আমরা জিতেছি। সেই কম্বিনেশন ভালো ছিল। তবে নবী ভাই চলে গেলেন। সেভাবে (এই ম্যাচে) আমরা ভালো কম্বিনেশন পাইনি।’
নোয়াখালীর ব্যর্থতার আসল দায় ব্যাটারদের। সেই সঙ্গে ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও আছে প্রশ্ন। সেসব প্রশ্নের উত্তরে নোয়াখালীর অধিনায়ক বলেন, ‘দেখুন যেটা হয়েছে মেনে নিতে হবে। অধিনায়ক তো চাইলে কাউকে রান করতে বলতে পারবে না। যখন দল ম্যাচ হারবে তখন দলের কম্বিনেশন নিয়ে যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যেতে পারে। জাকের ওপরে ছিল, মুনিমও খেলেছে। আমাদের এই কৌশলই ছিল। আমরা চেয়েছি এভাবে দলকে চালাতে। সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে চেয়েছে।’
বাংলাদেশে এসে যে অধিনায়কত্ব করা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল সেটা নিয়েও কথা বলেছেন হায়দার। এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার বলেন, ‘আমি পাকিস্তানে অধিনায়কত্ব করেছি। বাংলাদেশে এসে অধিনায়কত্ব করা কিছুটা কঠিন ছিল। কোন খেলোয়াড় কোথায় ব্যাট করত কে কখন বল করবে এসব বুঝতে হয়েছে। কোচদের সাথে আমি আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে