
ঢাকা: গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডের দিন যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের ওপর এক কিশোরীকে মারধরের ভিডিওর সূত্র ধরে গতকাল সোমবার এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সাদ্দাম হোসেন ওরফে হৃদয় নামে ওই যুবক টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়। একটি হত্যা মামলারও পলাতক আসামি তিনি।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ওভারব্রিজের ওপর পথচারীদের উপস্থিতিতেই এক কিশোরীকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল এবং উপর্যুপরি মারধর করছেন এক যুবক। মাথায় ও গালে বারবার আঘাত করেন তিনি। ঘটনাস্থলে যুবকের সঙ্গে একটি মেয়েসহ আরও কয়েকজনের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
ভিডিওর সূত্র ধরে যাত্রাবাড়ী থানা গোয়েন্দাদের সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। ঘটনার পরপরই হৃদয় পালিয়ে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতে শুরু করেন। দীর্ঘদিন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে অবশেষে গতকাল সোমবার তাঁকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
হৃদয়কে আটকের পর জানা যায়, তিনি টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে মেয়েদের কৌশলে আকৃষ্ট করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে আসছিলেন। বিভিন্ন সময় মেয়েদের জিম্মি করে টাকাপয়সা আদায় করতেন। রাস্তাঘাটে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করতেন।
ওয়ারী জোনের উপকমিশনার (ডিসি) শাহ ইফতেখার আহমেদ জানান, ভিকটিমকে খুঁজে বের করে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এই বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

র্যাবের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছু আত্মসমর্পণকারী সদস্যের আবারও পুরোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে তাঁদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে...
৩ দিন আগে
ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুকদের মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চাঁদাবাজির টাকা আদায়ের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১৭ দিন আগে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা সিটি ডেভেলপার্স হাউজিং ও একেপিচ টাওয়ার মার্কেটে চাঁদা দাবি করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া মো. ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপর তাঁকে ঘটনাস্থল এলাকায় ঘুরিয়ে থানায় নেওয়া হয়। আজ রোববার দুপুরে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের একটি দল তাঁকে ওই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
১৯ দিন আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থের বড় অংশ অনলাইন জুয়ার সাইটে ব্যয় করা হয়েছে। তবে ওসি দাবি করেছেন, একটি চক্র তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে এসব
২০ দিন আগে