নিজস্ব প্রতিবেদক

ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বার্থ আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ‘ধর্ষণকে’ ব্যবহার করছে প্রভাবশালীরা। এই ধরনের ধর্ষণকে ‘পাওয়ার রেপ’ বলে অভিহিত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই প্রবণতা দেশে দুই থেকে পাঁচ বছর ধরে দেখা যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন গোয়ান্দারা।
আজ বুধবার সিআইডির সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন এমন তথ্য দেন।
ইমাম হোসেন জানান, করোনাকালে ‘পাওয়ার রেপ’ বা ক্ষমতা প্রয়োগ করে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। এ ধরনের ঘটনায় ধর্ষকরা ভুক্তভোগীকে নিজের এলাকার মধ্যে ধর্ষণ করে। যাতে কোনো ঝুঁকি না থাকে। আর কেউ যেন তাকে বা তাদেরকে বাধাও না দিতে পারে।
পাওয়ার রেপের ব্যাখ্যায় সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, পাওয়ার রেপের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত একজনকে ধর্ষণ করে অন্য টার্গেটকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। যাতে টার্গেটরা পরবর্তীতে তার দেওয়া প্রস্তাব সহজে গ্রহণ করে। যদি তা না করে তাহলে তার বিরুদ্ধেও বলপ্রয়োগ করা হবে এমনটি বুঝিয়ে দেয়।
সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, করোনার সময় এলাকাভিত্তিক এই ধরনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অলস সময় পার করছেন। তাই তারা তাদের প্রভাব বলয়ের ভেতরে চেনাজানা অসহায় নারীদের ধর্ষণের জন্য টার্গেট করছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাওয়ার রেপ অতীতে ছিল না। দুই থেকে পাঁচ বছর ধরে এটা শুরু হয়েছে। তবে এই ধরনের অপরাধীরা কেউই আইনের হাত থেকে রক্ষা পাবে না।
সম্প্রতি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর এলাকায় ৪ এপ্রিল বাড়িতে অস্ত্রের মুখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তিনজনের একটি গ্রুপ। অভিযুক্ত সবাই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে জানায় সিআইডি। সিআইডি এই ধর্ষণের ঘটনাটিকে ‘পাওয়ার রেপ’–এর একটি উদাহরণ বলে উল্লেখ করছে।
সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তাধর বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে নওগাঁওয়ের নজিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন, ইয়াছিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইয়াছিন মোল্লা জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তবে এখনও ঘটনার মূলহোতা হেমায়েতকে খুঁজে পায়নি সিআইডি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বার্থ আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ‘ধর্ষণকে’ ব্যবহার করছে প্রভাবশালীরা। এই ধরনের ধর্ষণকে ‘পাওয়ার রেপ’ বলে অভিহিত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই প্রবণতা দেশে দুই থেকে পাঁচ বছর ধরে দেখা যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন গোয়ান্দারা।
আজ বুধবার সিআইডির সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন এমন তথ্য দেন।
ইমাম হোসেন জানান, করোনাকালে ‘পাওয়ার রেপ’ বা ক্ষমতা প্রয়োগ করে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। এ ধরনের ঘটনায় ধর্ষকরা ভুক্তভোগীকে নিজের এলাকার মধ্যে ধর্ষণ করে। যাতে কোনো ঝুঁকি না থাকে। আর কেউ যেন তাকে বা তাদেরকে বাধাও না দিতে পারে।
পাওয়ার রেপের ব্যাখ্যায় সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, পাওয়ার রেপের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত একজনকে ধর্ষণ করে অন্য টার্গেটকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। যাতে টার্গেটরা পরবর্তীতে তার দেওয়া প্রস্তাব সহজে গ্রহণ করে। যদি তা না করে তাহলে তার বিরুদ্ধেও বলপ্রয়োগ করা হবে এমনটি বুঝিয়ে দেয়।
সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, করোনার সময় এলাকাভিত্তিক এই ধরনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অলস সময় পার করছেন। তাই তারা তাদের প্রভাব বলয়ের ভেতরে চেনাজানা অসহায় নারীদের ধর্ষণের জন্য টার্গেট করছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাওয়ার রেপ অতীতে ছিল না। দুই থেকে পাঁচ বছর ধরে এটা শুরু হয়েছে। তবে এই ধরনের অপরাধীরা কেউই আইনের হাত থেকে রক্ষা পাবে না।
সম্প্রতি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর এলাকায় ৪ এপ্রিল বাড়িতে অস্ত্রের মুখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তিনজনের একটি গ্রুপ। অভিযুক্ত সবাই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে জানায় সিআইডি। সিআইডি এই ধর্ষণের ঘটনাটিকে ‘পাওয়ার রেপ’–এর একটি উদাহরণ বলে উল্লেখ করছে।
সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তাধর বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে নওগাঁওয়ের নজিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন, ইয়াছিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইয়াছিন মোল্লা জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তবে এখনও ঘটনার মূলহোতা হেমায়েতকে খুঁজে পায়নি সিআইডি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে