
দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস এবং দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ নতুন মাইলফলক গড়ে সফলভাবে শেষ করেছে বছরের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং উৎসব দারাজ ১১.১১।
গত ১১ নভেম্বর মধ্যরাতে শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলে এই ক্যাম্পেইন। এতে ভোক্তাদের জন্য ছিল ৫০ কোটি টাকার ভাউচার, ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা এবং ফ্ল্যাশ সেলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের মতো আকর্ষণীয় অফার।
পণ্য ও কেনাকাটার ধারা
এবারের ১১.১১ ক্যাম্পেইনে পুরুষ ও নারীদের এক্সেসরিজ, অডিও ডিভাইস, মোবাইল এক্সেসরিজ, স্কিনকেয়ার এবং বাথ অ্যান্ড বডি পণ্যগুলো শীর্ষ বিক্রীত পণ্যের তালিকায় ছিল। বিশেষ করে, ডিটারজেন্ট, ফোন কাভার, স্যানিটারি ন্যাপকিন, বডি ওয়াশ এবং ক্যাপ ও মোজা ছিল সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন পণ্য।
ফ্যাশন, ফার্নিচার ও ডেকর, গ্রোসারি, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্স ক্যাটাগরিগুলোর বিক্রি গত বছরের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয় যে ক্রেতারা এখন দারাজের প্ল্যাটফর্মে শুধু দৈনন্দিন পণ্য নয়, বরং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনছেন।
জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহও ছিল লক্ষণীয়। লোটো, প্যারাস্যুট, টেকনো, হায়ার এবং ডেটল ছিল ক্যাম্পেইনের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই সফলতা দারাজের মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ এবং ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের ধারাবাহিকতার প্রতিফলন।
শহরের বাইরে ই-কমার্সের প্রসার
এবারের ক্যাম্পেইনে অর্ধেকের বেশি অর্ডার এসেছে মেট্রোপলিটন শহরের বাইরের অঞ্চল থেকে। দারাজের এই সফলতা ই-কমার্সকে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সহজলভ্য করার প্রচেষ্টার একটি বড় উদাহরণ।
অন্যদিকে, ডিজিটাল পেমেন্টের জনপ্রিয়তাও ছিল লক্ষণীয়। ক্যাম্পেইনের মোট লেনদেনের এক-তৃতীয়াংশই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এটি ক্রেতাদের মধ্যে ক্যাশলেস পেমেন্ট পদ্ধতির প্রতি আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত।
পণ্যের দ্রুত ডেলিভারি
ক্যাম্পেইনের সময় দারাজের লজিস্টিকস টিম ডেলিভারির গতি ও কার্যকারিতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। ডেলিভারি রুট উন্নত করা, লাস্ট-মাইল কানেকশন শক্তিশালী করা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এবার ১১.১১ ক্যাম্পেইনে চট্টগ্রাম থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত ৫৮২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দেশের দীর্ঘতম ডেলিভারি সম্পন্ন হয়।
দারাজ বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো বলেন, ‘১১.১১ ক্যাম্পেইন আবারও দেখিয়েছে কীভাবে ই-কমার্স আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। ক্রেতা, বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ডগুলো আমাদের সঙ্গে একসঙ্গে এই ইভেন্টকে সফল করতে কাজ করেছে। দারাজ গর্বিত যে আমরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এবং আনন্দ যোগ করতে পেরেছি।’
১১.১১ ক্যাম্পেইনের এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে দারাজ স্থানীয় ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আরও দৃঢ় সংযোগ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশের প্রতিটি কোণে ই-কমার্সকে আরও সহজলভ্য ও উপভোগ্য করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দারাজ।

দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস এবং দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ নতুন মাইলফলক গড়ে সফলভাবে শেষ করেছে বছরের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং উৎসব দারাজ ১১.১১।
গত ১১ নভেম্বর মধ্যরাতে শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলে এই ক্যাম্পেইন। এতে ভোক্তাদের জন্য ছিল ৫০ কোটি টাকার ভাউচার, ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা এবং ফ্ল্যাশ সেলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের মতো আকর্ষণীয় অফার।
পণ্য ও কেনাকাটার ধারা
এবারের ১১.১১ ক্যাম্পেইনে পুরুষ ও নারীদের এক্সেসরিজ, অডিও ডিভাইস, মোবাইল এক্সেসরিজ, স্কিনকেয়ার এবং বাথ অ্যান্ড বডি পণ্যগুলো শীর্ষ বিক্রীত পণ্যের তালিকায় ছিল। বিশেষ করে, ডিটারজেন্ট, ফোন কাভার, স্যানিটারি ন্যাপকিন, বডি ওয়াশ এবং ক্যাপ ও মোজা ছিল সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন পণ্য।
ফ্যাশন, ফার্নিচার ও ডেকর, গ্রোসারি, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্স ক্যাটাগরিগুলোর বিক্রি গত বছরের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয় যে ক্রেতারা এখন দারাজের প্ল্যাটফর্মে শুধু দৈনন্দিন পণ্য নয়, বরং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনছেন।
জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহও ছিল লক্ষণীয়। লোটো, প্যারাস্যুট, টেকনো, হায়ার এবং ডেটল ছিল ক্যাম্পেইনের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই সফলতা দারাজের মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ এবং ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের ধারাবাহিকতার প্রতিফলন।
শহরের বাইরে ই-কমার্সের প্রসার
এবারের ক্যাম্পেইনে অর্ধেকের বেশি অর্ডার এসেছে মেট্রোপলিটন শহরের বাইরের অঞ্চল থেকে। দারাজের এই সফলতা ই-কমার্সকে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সহজলভ্য করার প্রচেষ্টার একটি বড় উদাহরণ।
অন্যদিকে, ডিজিটাল পেমেন্টের জনপ্রিয়তাও ছিল লক্ষণীয়। ক্যাম্পেইনের মোট লেনদেনের এক-তৃতীয়াংশই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এটি ক্রেতাদের মধ্যে ক্যাশলেস পেমেন্ট পদ্ধতির প্রতি আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত।
পণ্যের দ্রুত ডেলিভারি
ক্যাম্পেইনের সময় দারাজের লজিস্টিকস টিম ডেলিভারির গতি ও কার্যকারিতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। ডেলিভারি রুট উন্নত করা, লাস্ট-মাইল কানেকশন শক্তিশালী করা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এবার ১১.১১ ক্যাম্পেইনে চট্টগ্রাম থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত ৫৮২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দেশের দীর্ঘতম ডেলিভারি সম্পন্ন হয়।
দারাজ বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো বলেন, ‘১১.১১ ক্যাম্পেইন আবারও দেখিয়েছে কীভাবে ই-কমার্স আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। ক্রেতা, বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ডগুলো আমাদের সঙ্গে একসঙ্গে এই ইভেন্টকে সফল করতে কাজ করেছে। দারাজ গর্বিত যে আমরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এবং আনন্দ যোগ করতে পেরেছি।’
১১.১১ ক্যাম্পেইনের এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে দারাজ স্থানীয় ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আরও দৃঢ় সংযোগ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশের প্রতিটি কোণে ই-কমার্সকে আরও সহজলভ্য ও উপভোগ্য করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দারাজ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৬ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
২০ ঘণ্টা আগে