আজকের পত্রিকা ডেস্ক

কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী যমুনা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিকসের পণ্য যমুনা ফ্যান সুপারব্র্যান্ডের স্বীকৃতি অর্জন করল।
গতকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর হোটেল লো মেরিডিয়ানে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত সুপারব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড, ২০২৫-২৬ দেওয়া হয়। যমুনা ফ্যানের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম।
অনুষ্ঠানে যমুনা ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেডের হেড অব বিজনেস মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, মার্কেটিং ডিরেক্টর সেলিম উল্যা সেলিম, হেড অব আইটি মেহেদী হাসান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (পাবলিক রিলেশন) রুহুল কে সাগর উপস্থিত ছিলেন।
সুপারব্র্যান্ডের স্বীকৃতি অর্জনে যমুনার অগণিত গ্রাহক, পরিবেশক, ডিলারসহ সব সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের সুপারব্র্যান্ডের পুরস্কার পাওয়া নিঃসন্দেহে এক বিশাল অর্জন। এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে যমুনা ফ্যানের পক্ষ থেকে সুপারব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।’
সুমাইয়া রোজালিন আরও বলেন, ‘এই স্বীকৃতি কেবল আমাদের ব্র্যান্ডের বিজয় নয়; এটি আমাদের যাত্রাপথের প্রতিটি সহযাত্রীর কঠোর পরিশ্রম, আবেগ ও অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামকে—এমন মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির জন্য। আপনাদের এই আয়োজন আমাদের সবাইকে আরও উচ্চ লক্ষ্য অর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করবে।’
যমুনার পথচলা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে যমুনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে—যমুনা ফ্যান দিয়ে। এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন এক দূরদর্শী ব্যবসায়ী ও কিংবদন্তি শিল্প উদ্যোক্তা মো. নুরুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বেই যমুনা গ্রুপ আজ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে।

কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী যমুনা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিকসের পণ্য যমুনা ফ্যান সুপারব্র্যান্ডের স্বীকৃতি অর্জন করল।
গতকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর হোটেল লো মেরিডিয়ানে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত সুপারব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড, ২০২৫-২৬ দেওয়া হয়। যমুনা ফ্যানের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম।
অনুষ্ঠানে যমুনা ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেডের হেড অব বিজনেস মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, মার্কেটিং ডিরেক্টর সেলিম উল্যা সেলিম, হেড অব আইটি মেহেদী হাসান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (পাবলিক রিলেশন) রুহুল কে সাগর উপস্থিত ছিলেন।
সুপারব্র্যান্ডের স্বীকৃতি অর্জনে যমুনার অগণিত গ্রাহক, পরিবেশক, ডিলারসহ সব সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের সুপারব্র্যান্ডের পুরস্কার পাওয়া নিঃসন্দেহে এক বিশাল অর্জন। এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে যমুনা ফ্যানের পক্ষ থেকে সুপারব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।’
সুমাইয়া রোজালিন আরও বলেন, ‘এই স্বীকৃতি কেবল আমাদের ব্র্যান্ডের বিজয় নয়; এটি আমাদের যাত্রাপথের প্রতিটি সহযাত্রীর কঠোর পরিশ্রম, আবেগ ও অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামকে—এমন মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির জন্য। আপনাদের এই আয়োজন আমাদের সবাইকে আরও উচ্চ লক্ষ্য অর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করবে।’
যমুনার পথচলা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে যমুনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে—যমুনা ফ্যান দিয়ে। এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন এক দূরদর্শী ব্যবসায়ী ও কিংবদন্তি শিল্প উদ্যোক্তা মো. নুরুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বেই যমুনা গ্রুপ আজ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
১৩ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
১৪ ঘণ্টা আগে